মোবাইল কিনতে চাই? বাংলাদেশের সবচেয়ে কম দামি মোবাইল কেনার আগে যেগুলো দেখে নিবেন!

বাংলাদেশের সবচেয়ে কম দামি মোবাইল

আসসালামুয়ালাইকুম আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আপনাদের অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে সবচেয়ে কম বাজেটের কোন ফোনটি আমার জন্য বেস্ট হবে বা বাংলাদেশের সবচেয়ে কম দামি মোবাইল কোনগুলো।তো আজকে আমার এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ুন। আমরা অনেকেই মোবাইল ফোন কেনার আগে ইউটিউব ও আন্যান্য জায়গায় মোবাইল ফোনের রিভিউ খুঁজে থাকি কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই দেখা যায় বেশিরভাগ ইউটিউবারা কম্পানির তরফ থেকে রিভিউ করে থাকে।যার ফলে আমরা অনেকেই তাদের দেখানো মোবাইল ফোনটি কিনে ঠকে তাই।
আজকে এই পোস্টে আমি আপনাদের নির্দিষ্ট করে কোন ফোন সাজেস্টে করবো না তবে কিছু টিপস সেয়ার করবো যেগুলো ব্যবহার করে যেকোন অবস্থাতেই আপনি আপনার জন্য একটি বেস্ট মোবাইল কিনে নিতে পারবেন।
তো চলুন শুরু করা যাক।

 মোবাইল এর প্রোসেসর

একটি মোবাইল ফোন কিরকম পারফরমেন্স করবে তার অনেকটাই ডিপেন্ড করে মোবাইলফোনটির প্রোসেসর এর উপর।
তাই একটা ফোন কেনার আগে ফোনটির ভালো মন্দ যচাই করতে তার প্রোসেসর এর দিকে খেয়াল করুন। বাজারে নানারকম প্রোসেসর পাওয়া যায় যেমন: মিডিয়া টেক , সেনাপ ড্রাগন ইত্যাদি।তবে বাজারে থাকা সকল প্রোসেসর এর মধ্যে সেনাপ ড্রাগন প্রোসেসরটি বেস্ট এছাড়া মিডিয়া টেক প্রোসেসরও খারাপ না তবে সেনাপ ড্রাগন প্রোসেসরই বেস্ট।যদি আপনি সেনাপ ড্রাগন প্রোসেসর না পান তাহলে মিডিয়াটেক নিতে পারে।
এছাড়া একটি প্রোসেসর এর আরো কিছু দিক থাকে যেমন প্রোসেসরটির কোর।
কিছু মোবাইলের প্রোসের এর কোর আক্টা কোর মানে আটটা কোর আবার কিছু প্রোসেসর থাকে কোয়াট কোর মানে চারটা কোর আবার কিছু কিছু প্রোসের থাকে ডুয়াল কোর মানে দুটো কোর।
একটি প্রোসের এর কোর যত বেশি হবে ততবেশী ভালো কাজ করতে পারবে।
তাই প্রোসের এর কোর আক্টা কোর এর বেশি হলে ভালো হয়।
মোবাইল কেনার আগে প্রোসেসর এর এই জিনিসগুলো খুব ভালো করে দেখে নেওয়া উচিত।
মিড লেভেলের বাজেটে স্যনখপ ড্রাগন প্রোসেসর বা মিডিয়া টেক প্রোসেসর এবং কোর আক্টা কোর এর বেশি পাওয়া যায়।

মোবাইল এর RAM

একটি ফোন কিরকম পারফরমেন্স করবে তার অনেকটাই ডিপেন্ড করে মোবাইল এর ram এর উপর।
 ফোনের ram যদি বেশি থাকে তাহলে ফোনটি বেশি লোড নিতে পারবে এবং ততো বেশি কাজ করতে পারবে ফলে কোনরকম হ্যং ও লেক ছড়া স্মুথলি ফনটি চলবে।
মোবাইল ফেনের ram যদি কম থাকে তাহলে ফোনটির পারফরম্যান্স ও খারাপ হয় কারন কম ram থাকা ফোনগুলো লোড কম নিতে পারে এবং ভারি কোন কাজ করতে গেলে অনেক সময় হ্যং হয়ে যায় বা জায়গায় জায়গায় slow হয়ে যায় আবার অনেকসময় দেখা যায় ফোন কেনার কিছুদিন পর ফোন আস্তে আস্তে slow হতে থাকে।
বাজারে থাকা ফোনগুলোর মধ্যে ৩ জিবি ৪ জিবি ৫ জিবি ৮ জিবি নানা রকমের ram থাকে।
ফোনের পারফরম্যান্স অনেকটাই ডিপেন্ড করে ফোনের ram কতটা তার উপর। একটা ফোনের ram যতটা বেশি ফোনটির পারফরম্যান্স ততো ভালো হবে। একটা ফোন তখনই হ্যং করবে ও লেক করবে যখন ফোনটির ram কম হবে কারন ফোনে যতবেশি ram হবে ফোন ততো বেশি লোড নিতে পারবে ততো বেশিকাজ ফোন দিয়ে করা যাবে।তাই ফোন কেনার আগে ফোনের ram কতটা তা দেখে নেওয়া দরকার।
ফোনে ভালো পারফরমেন্স ও fast কাজ করার জন্য ram ২ জিবির বেশি হলে ভালো হয় এছাড়া আপনার বাজেটের মধ্যে যদি ৩ জিবি বা ৪ জিবি বা এর থেকে বেশী ram এর মোবাইল নিতে পারেন তাহলে আরো ভালো পারফরমেন্স পাবেন।
তাই ফোন কেনার সময় ফোনের ram ২ জিবির বেশি নেওয়া চেষ্টা করবেন এছাড়া বাজারে ২ জিবি ram এর কম মোবাইল পাওয়া যায় এইগুলো না নেওয়াই ভালো।

Battery Power

 আমরা আমাদের অবসর সময় বেশিরভাগই মোবাইল ফোন এ ব্যয় করে থাকি।
আজকাল মোবাইল ফোন দিয়ে আমাদের প্রোয়জনীয় কাজ করার বাহিরেও মোবাইল ফোন একটি বিনোদনের মাধ্যম।
আমরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করে গেম খেলা মুভি দেখা ও আরো নানা কাজ করে থাকি আর এইসব কাজে মোবাইলফোনের অনেক চার্জ যায়।
আপনার ফোনের ব্যটারি পাওয়ার যদি বেশি থাকে তাহলে আপনি ফোনের চার্জের ব্যকাপ বেশি পাবেন ফলে অল্প চার্জেই আনেখন চালাতে পারবেন আর যদি ব্যটারি পাওয়ার কম থাকে তাহলে ব্যকাপ কম পাবেন মানে মোবাইল বার বার চার্জ করতে হবে।
তাই মোবাইল কেনার আগে মোবাইলের ব্যটারি কত MpH কত সেটা দেখে নিতে হবে।
একটি ব্যটিরর MpH যতবেশি হবে ফোনের চার্জের ব্যকাপ ততো ভালো হবে।
একটি মোবাইলের ব্যটারির MpH যদি ৪০০০ এর বেশি হয় তাহলে মোটামুটি ভালো চার্জের ব্যকাপ পাওয়া যায় আর যদি বেশি হয় তাহলে আরো ভালো।
এছাড়া মোবাইল কেনার আগে মোবাইলের ক্যমেরাও চেক করে নেওয়া উচিত আপনার যদি ফটোগ্ৰাফি করার শখ থাকে তাহলে মোবাইল নেওয়ার আগে মোবাইলে কত মেগা পিক্সেল এর ক্যমেরা ব্যবহার করা হয়েছে সেটা অবশ্যই দেখে নিবেন
তো আজকে এই পর্যন্তই সবাই ভাল থাকবেন।


নবীনতর পূর্বতন
close