মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯

যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মােমের বাতি আশু গৃহে তার দেখিবে না আর নিশীথে প্রদীপ ভাতি

ভাব সম্প্রসারণঃযে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মােমের বাতি আশু গৃহে তার দেখিবে না আর নিশীথে প্রদীপ ভাতি।

মূলভাব : অপব্যয় মানবজীবনে মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনে।সুসময়ে নিজের খেয়াল খুশিমতাে ধন-সম্পদ ব্যয় করলে প্রয়ােজনের পরে তার অভাব দেখা দেয় ।

ভাব-সম্প্রসারণ : রাতের অন্ধকারকে দূর করার জন্য যখন আলাের দরকার হয়, তখন মােমবাতি দিয়ে তা নিশ্চিত করা হয় । কিন্ত সূর্য।দিনের বেলায় পৃথিবীকে আলােতে ভরিয়ে রাখে। তখন আমাদের আলাের ঘাটতি হয় না। অথচ এ সময় কেউ যদি আনন্দের আতিশয্যে।আলাে জ্বালায় তবে তা নিঃসন্দেহে অপব্যয় আর এরপ অপব্যয়ের ফল খুবই ভয়ঙ্কর। বর্তমানে আমাদের সমাজে এমন একশ্রেণীর লােক আছে যারা অবিবেচকের মতাে অপব্যয় করে থাকে ।
ধনের গর্বে গর্বিত এসব লােক টাকাকে তুচ্ছ মনে করে খরচ করে। তারা তাদের শখ পূরণের জন্য যে কোনাে কাজ করতে প্রস্তুত থাকে। তাদের বিলাসিতা এতই ব্যাপক যে, অপব্যয়কে তারা অপচয় মনে না করে বরং গর্ব অনুভব করে। আঙুল ফুলে কলাগাছ'-ধরনের এসব লােক সমাজে নিজেদের অবস্থানকে বেশিদিন ধরে রাখতে পারে না। খুব সামান্য সময়ের ব্যবধানেই তারা দরিদ্রতার শিকার হয়। মাত্রাতিরিক্ত অপব্যয়ের কারণে নিতান্ত প্রয়ােজনেও তারা অভাব মেটাতে না পেরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্য অনুতাপের আগুনে দগ্ধ হয়। পবিত্র কোরআনে এদেরকে বলা হয়েছে, শয়তানের ভাই।' তাই অপব্যয় সম্পূর্ণভাবে বর্জন করা উচিত।

মন্তব্যঃ মিতবায়ী ও সয়ী লােকেরা কখনাে বিপদে পড়ে না। জীবনকে সুন্দরভাবে সাজানাে আর আনন্দময় ভবন গড়ার জন্য প্রত্যেকেরই মিতব্যয়ী হওয়া প্রয়ােজন।
Read More

সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৯

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর বিস্তারিত-Details of Artificial Intelligence

আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স (Artificial Intelligence) প্রাচীন মিসরের Folk Studies (লােকাচারবিদ্যা) এ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Aritificial Intelligence) ছাপ পাওয়া যায়, ১৯৪১ সালে ইলেকট্রনিক কম্পিউটার উন্নতির সাথে সাথে মেশিনের বুদ্ধিমত্তা তৈরিতে প্রযুক্তির দ্বার উন্মােচিত হতে থাকে। যদিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য কম্পিউটার প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে তথাপি ১৯৫০-এর গােড়ার দিক পর্যন্ত মানুষ ও মেশিনের বুদ্ধিমত্তার মধ্যে যে একটি যােগসূত্র রয়েছে, তা অনাবিষ্কৃত ছিল।
আমেরিকান গণিতবিদদের মধ্যে নরবার্ট উইনার (১৮৯৪-১৯৬৪) এ সম্পর্কে সর্বপ্রথম একটি প্রতিক্রিয়া। তত্ত্ব (feedback theory) পর্যবেক্ষণ করেন।
তার মতে, “সকল বুদ্ধিভিত্তিক আচরণ (intelligent behavior) হলাে প্রতিক্রিয়া প্রক্রিয়ার (feedback mechanisms) ফল অর্থাৎ প্রক্রিয়াকে মেশিনের মাধ্যমে সিমুলেট (আসল জিনিসের অনুরূপে প্রস্তুত) করা যায়। বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় যন্ত্রের মধ্যে কিছুটা চিন্তা করার ক্ষমতা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে। এটিই মূলত Artificial Intelligence. একটি উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার করা যেতে পারে, যেমন- প্রতিক্রিয়া প্রক্রিয়ার একটি সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হলাে তাপস্থাপক (Thermostat) ব্যবস্থা, যা একটি বাড়ির প্রকৃত তাপমাত্রাকে সেন্সরের
মাধ্যমে গ্রহণ করে সংরক্ষিত প্রমাণ (Standard) তাপমাত্রার সাথে মিলিয়ে নিয়ে তাপমাত্রার পরিমাণকে বাড়ায় বা
কমায়। এ আবিষ্কার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত উন্নয়ন ও গবেষণাকে প্রভাবিত করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৫৬ সালে জন ম্যাকার্থির নেতৃত্বে প্রথমবারের মতাে একটি অ্যাকাডেমিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শব্দটি উদ্ভাবিত হয় এবং তাকেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলতে বস্তুতপক্ষে যন্ত্রাংশের বুদ্ধিমত্তাকে বােঝায়। আমরা যখন 'intelligence' শব্দটি প্রয়ােগ করি তার অর্থ হলাে আমার যন্ত্রাংশের সক্ষমতাকে পরিমাপ করি, তথা এটি তার পরিবেশকে বুঝে সে সম্পর্কে কার্যক্রম সম্পন্ন করতে উদ্যোগী হই। খুব
সাদামাটাভাবে বললে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে এভাবে বলা যায় যে, এটি হলাে একটি কম্পিউটারের সক্ষমতা যামানুষের আচরণের খুব কাছাকাছি আচরণ করতে পারে ।

সফটওয়্যার সিমুলেশন ও রােবটিক্স ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রয়ােগ রয়েছে। তবে সবচেয়ে এ প্রযুক্তিটি বেশি ব্যবহৃত হয় কম্পিউটার গেমসে, যেখানে একজন প্রকৃত খেলােয়াড়ের বিপরীতে কম্পিউটার (গেমস সফটওয়্যার) অন্য একজন খেলােয়াড়ের ভূমিকায় অংশগ্রহণ করে। যেমন দাবা, কার রেসিং ইত্যাদি। তুমি হয়তাে কম্পিউটার বা মােবাইল ফোনের সাহায্যে কোনাে না কোনাে গেমস খেলেছ।আপনি লক্ষ করে থাকবেন যে, আপনি যখন আপনার প্রতিপক্ষকে আঘাত/শুট করতে যাচ্ছেন তখন হয়তাে সে কোনাে একটি দেয়ালের আড়ালে চলে যাচ্ছে বা কোনাে কিছু দিয়ে প্রতিরােধ করছে। পরক্ষণে আপনি যখন সেখান থেকে সরে অন্য একটি অ্যাকশনে/ইভেন্টে যাচ্ছেন সে আপনাকে তৎক্ষণাৎ আঘাত হানছে। এ ঘটনাটি একটি অতি উচ্চমাত্রার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক। যন্ত্রের মধ্যে চিন্তা করার ক্ষমতা প্রদান করার জন্য ব্যবহৃত ভাষাগুলাে হলাে- PROLOG(Programming in Logic) LISP (List Process), JAVA ইত্যাদি।

ব্যবহারিক ক্ষেত্র : বর্তমান দুনিয়াতে কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর এমন কোনাে ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যাবে না, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারিক প্রয়ােগ নেই। যেমন চিকিৎসাবিদ্যায় রােগ নির্ণয়ে, সব মার্কেটের শেয়ার লেনদেনে, রােবট কার্যক্রম নিয়ণে, আইনি সমস্যার সম্ভাব্য সঠিক সমাধানে, খেলনা, বিমান চালনা, যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে এর ব্যাপক ব্যবহার বর্তমানে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

এছাড়াও নিচের ক্ষেত্রগুলােতে এর ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ করা যায় :
১ঃঅনলাইন ব্যাংকিং পরিচালনা কার্যক্রম ও স্টক লেনদেনে।
২ঃহাসপাতাল স্টাফদের প্রতিদিনের কর্ম তালিকা বন্টনে।
৩ঃঅনলাইন সাহায্যকারী হিসেবে ওয়েব পেজ-এ অ্যাভাটার ।
৪ঃযানবাহন গতির সাথে মিল রেখে গাড়ির গিয়ার পরিবর্তন ইত্যাদিতে।

যদিও মানুষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আবিষ্কারক, এর ওপর সে হস্তক্ষেপ করতে পারে, তথাপি ও এটি সত্য যে, আমরা জানি না যে কী ঘটতে যাচ্ছে এর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে। নিচে যে সকল সুবিধা ও অসুবিধা উল্লেখ করা হলাে তা নিয়ে বর্তমানে যে সকল জল্পনা-কল্পনা করা হয় তা কেবল অনুমানিক। এ ক্ষেত্রে আমরা অবশ্যই (এবং সম্ভবত) শ্রেণিভুক্ত সুবিধাসমূহ এবং সমস্যাসমূহের মুখােমুখি হব।

তবে বর্তমানে পৃথিবীর উন্নত দেশগুলাে এই আর্টিফিসিয়াল ধারণার উপর ভিত্তি করে এমন একটি সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করছে, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর নির্ভর করে জটিল সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এই এক্সপার্ট সিস্টেম একাধারে উচ্চ কার্যকারিতা সম্পন্ন, সহজে অনুধাবনযােগ্য, বিশ্বাসযােগ্য ও উচ্চ প্রতিক্রিয়াশীল।
এক্সপার্ট সিস্টেম থেকে একজন সাধারণ ব্যবহারকারী জটিল সমস্যা সমাধানের সঠিক দিকনির্দেশনা, সমস্যার শুদ্ধতা নির্ণয়, উপদেশ গ্রহণ, বিভিন্ন কাজের ত্রুটি-বিচ্যুতি নির্ণয় সহ বিভিন্ন সুবিধা পেতে পারেন।
Read More

যৌতুক একটি সামাজিক ব্যাধি ভাব সম্প্রসারণ

বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার শিরা উপশিরায় যৌতুক নামের ক্ষতের দুর্গন্ধ বিরাজ করছে। এর নেতিবাচক ফল হিসেবে সমাজে দেখা দিচ্ছে অশান্তি, নষ্ট হচ্ছে পারিবারিক বন্ধন।
যৌতুক নামের এ ব্যাধি সমাজকে করছে অভিশপ্ত।
সম্প্রসারিত ভাব : কন্যাকে পাত্রস্থ করার সময় তার অভিভাবক যে অর্থ-সম্পদ দিয়ে থাকে তাকেই যৌতুক হিসেবে গণ্য করা হয়।অন্য কথায়, বিয়ের পর বরপক্ষ কন্যাপক্ষের নিকট থেকে জোর করে বা বাধ্য করে যে অর্থ-সম্পদ আদায় করে তাই যৌতুক। তবে
যৌতুকের সংজ্ঞা যাই হােক না কেন, এর বিষাক্ত ছােবলে আক্রান্ত আমাদের গােটা সমাজ। বেশ গভীরে প্রােথিত এর শিকড়। যৌতুক প্রথাটি সমাজে এমনভাবে আজ জড়িত যেন এটা ছাড়া বিয়ে অনুষ্ঠান কল্পনাও করা যায় না। আমাদের সমাজজীবনে যৌতুক প্রথা তাই এক বিরাট অভিশাপ হিসেবে ডানা মেলছে প্রতিনিয়ত। নারীদের জন্য যৌতুক প্রথা যে কত ভয়ঙ্কর তা প্রতিদিন পত্রিকার পাতা।খুললেই চোখে পড়ে। যৌতুকের কারণে নির্যাতনের বর্বর চিত্র দেখে পাষাণের বুকও ভয়ে কেঁপে উঠে। যৌতুক নিয়ে পারিবারিক বিরােধ এবং সংঘাতের তীব্র মাত্রা আজ নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার।

 স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লােকদের নির্মম অত্যাচারে জীবন হারাচ্ছে।গৃহবধূ। আবার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বহু নারী আত্মহননের পথ বেছে নিচ্ছে প্রতিনিয়ত। দেশের মানুষ আজ এই সামাজিক ব্যাধিকে মূলােৎপাটন করার জন্য সদা সােচ্চার। কিন্তু কোনােভাবেই যৌতুক প্রথা প্রতিরােধ করা যাচ্ছে না বরং এর ফলে সমাজে হত্যা, নির্যাতন ও নৃশংসতা বেড়েই চলেছে। দেশে যৌতুক বিরােধী আইন রয়েছে। কিন্তু সে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যৌতুক যেন
স্বমহিমায় সংক্রমিত হচ্ছে সমাজের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গে। এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তাে নারীদের সাথে গােটা সমাজটাই হবে যৌতুকের বলি।

মন্তব্য: বর্তমান সামাজিক ব্যবস্থার মাথা ব্যথার অপর নাম হলাে যৌতুক। একে প্রতিরােধ করার জন্য প্রয়ােজন জনসচেতনতা।তাহলে সমাজ মুক্ত হবে যৌতুকের এই করাল গ্রাস থেকে।
Read More

শনিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৯

XLAB টোকেন আয় করুন ১০০% পেমেেন্ট গ্যারান্টি একচেঞ্জ করে বিটয়েনে নিন

আমরা সকলেই এয়ারড্রপ সম্পর্কে জানি।এবং এয়ারড্রপ থেকে যে যথেস্ট পরিমান আয় করা সম্ভব সেটাও জানি।আজ আমি আপনাদের এমনি একটি রিয়েল এয়ারড্রপ সম্পর্কে জানাবো যেটিতে রেজিস্টার করেই পাবেন ১ ডলার সমপরিমাণ কয়েন।আপনি পাবেন ১০০০ xlab কয়েন যার মূল্য ১ ডলার।আপনি এই কয়েন এই airdrop site থেকেই কনভার্ট করতে পারবেন।
অর্থাৎ সাইটটি ৪৫ দিন পরে আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করবে।

🏁এয়ারড্রপ নেইম- coingeo
🏁রেটিং-5 Star
🏁রেজিস্ট্রেশন করতে শুধু মাত্র ই-মেইল যথেষ্ট।
🏁ইমেইল ভেরিফাই করলেই পেয়ে যাবেন ১০০০ xlab কয়েন।
🏁রেফারেল করে আয় করতে পারবেন।
🏁রেজিস্ট্রেশন করতে প্রথমে এই লিংকে প্রবেশ করুন-Click hare

🏁ফরমটি পূরন করুন!
🏁agree praivey policy এর স্থানে টিক দিন।
🏁রোবট টেক্সট ভেরিফাই করুন।
🏁সাইন আপ ক্লিক করুন।
🏁আপনার মেইল চেক করুন এবং ভেরিফাই করুন।
🏁এবার লগিন করুন আপনি পেয়ে গেলেন ১০০০ xlab কয়েন।
এবার আপনার রেফারেল লিংক নিয়ে রেফার করুন এবং আনলিমিটেড আয় করতে থাকুন!
Read More