লিভার ভালো রাখে যে খাবার গুলো এমন ১০ টি

লিভার আমাদের শরীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরী একটি অঙ্গ।লিভার আমাদের দেহের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজের সাথে জড়িত। যেমন খাদ্য সঠিকভাবে পরিপাকের কাজে সহায়তা করে লিভার।আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। পুষ্টির যোগান দিতে সহায়তা করে।
 তবে প্রতিদিন বিভিন্ন কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমাদের লিভার। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আমাদের খাদ্যাভ্যাস এবং  দৈনন্দিন কাজের মধ্যে কিছু অনিয়ম।
লিভার ভাল রাখতে যা খাবেন
তবে আমাদের লিভারকে সুস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি। কারণ যদি আমরা লিভারকে সুস্থ রাখতে পারি তাহলেই আমাদের শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকবে। আর যদি একবার অনিয়মিতভাবে চলাফেরার কারণে লিভার কি অসুস্থ করে ফেলি তাহলে আমাদের ভুগতে হবে বিভিন্ন জটিলতায়। আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক কিভাবে আমরা আমাদের লিভারকে সুস্থ রাখতে পারি। লিভারকে সুস্থ রাখার জন্য কয়েকটি খাবার সম্পর্কে আমরা আজকে আলোচনা করবো।লিভার ভালো রাখে যে খাবার গুলো এমন ১০ টি। যে সকল খাবার আমাদের লিভারকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

যে সকল খাবার আমাদের লিভারকে সুস্থ রাখে সেগুলো হলো-

১-রসুন:
লিভারকে ভালো রাখতে রসুন
লিভারকে সুস্থ রাখতে রসুনের  কথা না বললেই নয়। কারণ রসুন আমাদের শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর করতে সহায়তা করে। আর তাই আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে এবং আমাদের লিভারকে সুস্থ রাখতে রসুন খাওয়া উচিত। এতে একদিকে যেমন আমাদের শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর হবে তেমনি আমাদের লিভার থাকবে সুস্থ।

২-কালোজাম:
কালোজাম লিভারের জন্য উপকারি
মৌসুমী ফল হিসেবে কালোজাম এর জনপ্রিয়তা প্রচুর। আর যা আমাদের লিভারকে সুস্থ রাখতে প্রচন্ড কার্যকরী। এ কারণেই আমাদের প্রচুর পরিমাণে জাম খাওয়া উচিত। জামের  জীবন আমাদের এবার কে রাখবে সুস্থ।

৩-কফি:
লিভারের জন্য নিয়মিত কফি
আমরা জানি কফি আমাদের শরীরকে চাঙ্গা রাখে। এছাড়া নিয়মিত কফি পান এর ফলে আমাদের লিভারের সমস্যা অনেকটা দূরে চলে যাবে। নিয়মিত কফি পান করা লিভারকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

৪-লেবু:
ক্ষষতিকর টক্সিন দুর করতে লেবু
লেবু আমাদের শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করতে সহায়তা করে।  সকল ক্ষতিকর টক্সিন দূর করার পাশাপাশি লেবু আমাদের যকৃত কেও সুস্থ রাখতে  প্রচন্ড কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

৫- টক দই:
টক দই যকৃতের উপকারে
দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং দইয়ে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। তাই আমাদের নিয়মিত টক দই খাওয়া উচিত। কারণ টকদই আমাদের লিভার কে রাখে সুস্থ।

৬-আপেল:
যকৃতের সুরক্ষায় আপেল
আপেল  আমাদের  যকৃত থেকে টক্সিন দূর করতে সহায়তা করে।এবং আমাদের লিভার কে রাখে সুস্থ এবং সবল। এছাড়া আপেল আমাদের খাদ্যনালী থেকেও  টক্সিন দূর করে।

৭-পালংশাক ও ব্রকলি:
পালংশাক ও ব্রকলি লিভারের জন্য
পালং শাক এবং ব্রোকলি জাতীয়   খাবার লিভারের জন্য অনেক উপকারী। তাই নিয়মিত পালং শাক এবং ব্রোকলি জাতিয় খাবার খান।

৮-করলা:
করলার গুন লিভার রক্ষায়
যকৃতের সমস্যা দেখা দিলে এবং যকৃত থেকে টক্সিন জাতীয় পদার্থ বের করতে হলে আমাদের নিয়মিত করলা  খাওয়া উচিত।

৯-পানি:
পানি পান করলে লিভার সুস্থ থাকে
পানি হচ্ছে আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। কারণ পানির মাধ্যমে আমাদের শরীর থেকে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর পদার্থ বের হয়ে যায়। লিভারকে সুস্থ রাখতে পানির কোন বিকল্প নেই। লিভার সহ অন্যান্য  অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তথা আমাদের সম্পূর্ণ দেহকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত।

১০-বাঁধাকপি:
বাঁধাকফি যকৃতের সুরক্ষা কবচ
রসুনের মত বাঁধাকপিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে  সালফার এটি আমাদের লিভার বা যকৃৎ ওকে সুস্থ রাখতে কাজ করে। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি রেডিক্যাল ডেমেজ হতে বাচতে সহায়তা করে।

যে সকল বদ অভ্যাসের কারনে লিভার ক্ষতিগ্রস্থ হয়!

 আমাদের যকৃত বা লিভার কে সুস্থ রাখতে হলে উপরোক্ত সকল খাবার খাওয়া উচিত। কারণ আমাদের দেহের গুরুত্ব পূর্ণ  একটি অঙ্গ হচ্ছে লিভার তাই এর যত্ন সঠিক সময় নেওয়া উচিত!

নেকলেস লেখক গী দ্য মোপাসাঁ অনুবাদ:পূর্ণেন্দু দস্তিদার পর্ব-১

নেকলেস একটি অসাধারন গল্প যেটির লেখক গী দ্য মোপাসাঁ বাংলা অনুবাদ করেন পূর্ণেন্দু দস্তিদার। গল্পটি খুবই সুন্দর। আপনি পড়লে অবশ্যই আপনার ভালো লাগবে। তাই এই কারণে আমরা গল্পটি তিনটি পর্ব করে আমাদের সাইটে আপডেট করেছি।আশাকরি সম্পুর্ন গল্পটি পড়বেন।
নেকলেস-গী দ্য মোপাসাঁ
সে ছিল চমৎকার এক সুন্দরী তরুণী। নিয়তির ভুলে যেন এক কেরানীর পরিবারে তার জন্ম হয়েছে।তার ছিলনা কোন আনন্দ, কোন আশা,পরিচিত হবার, প্রশংসা পাওয়ার, প্রেম লাভ করার এবং কোন ধনী অথবা বিশিষ্ট লোকের সঙ্গে বিবাহিত হওয়ার কোন উপায় ছিল না।তাই শিক্ষা পরিষদ অাফিসের সামান্য এক কেরানির সঙ্গে বিবাহ সে স্বীকার করে নিয়েছিল।

নিজেকে সজ্জিত করার অক্ষমতার জন্য সে সাধারণভাবেই থাকতো। কিন্তু তার শ্রেণীর অন্যতম হিসেবে সে ছিল অসুখি। তাদের কোন জাতি, বর্ণ নেই। কারণ জন্মের পরে পরিবার থেকেই তার শ্রী সৌন্দর্য ও মাধুর্য সম্পর্কে সজাগ হয়ে ওঠে।সহজাত চাতুর্য,  সুরুচি আর বুদ্ধির নমনীয়তায় হলো তাদের আভিজাত্য, যার ফলে অনেক সাধারন পরিবারের মেয়েকে ও বিশিষ্ট মহিলার সমকক্ষ করে তোলে।

 সর্বদা তার মনের দুঃখ। তার ধারণা,যতসব সুরুচিপূর্ণ ও বিলাসিতার বস্তু আছে, সে গুলোর জন্যই তার জন্ম হয়েছে। তার বাস কক্ষের দারিদ্র, হতশ্রী দেয়াল, জীর্ণ চেয়ার এবং বিবর্ণ জিনিসপত্রের জন্য সে ব্যতীত হতো। তার মতো অবস্থার অন্য কোন মেয়ে এসব জিনিস যদিও লক্ষ্য করতো না,সে এতে দুঃখিত ও ক্রুদ্ধ হত। যে খর্বকায় ব্রেটন এই সাধারণ ঘড়টি তৈরি করেছিল তাকে দেখলেই তার মনের বেদনা ভরা দুঃখ আর বেপরোয়া সব স্বপ্ন জেগে উঠতো। সে ভাবতো তার থাকবে প্রাচ্য- চিত্র -শোভিত, উচ্চ ব্রঞ্চের আলোক মন্ডিত পার্শ্ব কক্ষ। আর থাকবে দুজন বেশ মোটাসোটা গৃহ ভৃত্য। তারা খাটো পায়জামা পড়ে যেই বড় আরামকেদারা দুটি নরম করার যন্ত্র থেকে বিক্ষিপ্ত ভারী হাওয়ায় নিদ্রালু হয়ে উঠছে তাতে শুয়ে ঘুমিয়ে থাকবে। সে কামনা করে একটি বৈঠকখানা পুরনো রেশমি পর্দা সেখানে ঝুলবে। থাকবে তাতে বিভিন্ন চমৎকার আসবাব যার ওপর শোভা পাবে অমূল্য সব প্রাচীন কৌতূহলোদ্দীপক সামগ্রী। যেসব পরিচিত ও আকাঙ্ক্ষিত পুরুষ সব মেয়েদের কাম্য সেসব অন্তরঙ্গ বন্ধুদের সঙ্গে বিকাল 5 টায় গল্পগুজব করবার জন্য ছোট সুরভিত একটি কক্ষ সেখানে থাকবে।
তিনদিন ধরে ব্যবহৃত একখানা টেবিল ক্লথ ঢাকা গোল একটি টেবিলে তার স্বামীর বিপরীত দিকে সে যখন সন্ধ্যা ভোজে বসে এবং খুশির আমেজে তার স্বামী বড় সুরুয়ার পাত্রটির ঢাকনা তুলতে তুলতে বলে:ও! কি ভালো মানুষ! এর চেয়ে ভালো কিছু আমি চাই না- তখন তার মনে পড়বে আড়ম্বরপূর্ণ সন্ধ্যা ভোজের কথা, উজ্জ্বল   রৌপ্যপাত্রাদি, মায়াময় বনভূমির মধ্যে প্রাচীন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বিরল পাখি চিত্রসহ কারুকার্য পুর্ন পর্দা দিয়ে ঢাকা দেওয়ালের কামনা। সেভাবে অপরূপ পাত্রে পরিবেশিত হবে অপূর্ব খাদ্য আর গোলাপি রঙের রোহিত মাছের টুকরা অথবা মুরগির পাখনা খেতে খেতে মুখে সিংহ মানবীয় হাসি নিয়ে কান পেতে শুনবে চুপিচুপি বলা প্রণয়লীলা কাহিনী।

 তার কাছে ফ্রক বা জড়ানো গহনা নেই- নেই বলতে  কিছু নেই। অথচ ঐ সব বস্তুই তার প্রিয়। তার ধারণা ওইসব এর জন্যই তার সৃষ্টি। সুখী করার, কাম্য হওয়ার, চালাক ও প্রণয়যাচিকা হবার কতইনা তার ইচ্ছা।

 তার 'কনভেন্টের' সহপাঠিনী এক ধনী বান্ধবী ছিল। তার সঙ্গে দেখা করতে তার ভালো লাগতো না। কারণ দেখা করে ফিরে এসে তার খুব কষ্ট লাগতো বিরক্তি, দুঃখ, হতাশা ও নৈরাশ্যে সমস্ত দিন ধরে সে কাঁদত।

 এক সন্ধ্যায় হাতে একটি বড় খান নিয়ে বেশ উল্লাসিত হয়ে তার স্বামী ঘরে ফিরল-

 সে বলল,'এই যে,তোমার জন্য একটা জিনিস এনেছি!

 মেথি তাড়াতাড়ি খামতি ছিল তার ভিতর থেকে খানা ছাপানো কার্ড বের করল। তাতে নিচের কথাগুলি মুদ্রিত ছিল:

' জনশিক্ষা মন্ত্রী ও মাদাম জর্জ রেমপন্নু আগামী ১৮ ই  জানুয়ারি সন্ধ্যায় তাহাদের নিজ বাসগৃহে মসিয়ে ও মাদাম লোইসেলের উপস্থিতি কামনা করেন।'

 তার স্বামীর যেমন আশা করেছিল তেমন ভাবে খুশি হওয়ার পরিবর্তে মেয়েটি বিদেশের ভাব নিয়ে আমন্ত্রণ-লিপি খানা টেবিলের উপর নিক্ষেপ করে,বিড়বিড় করে বলল:

' ওখানা নিয়ে তুমি আমায় কি করতে বল?'

 'কিন্তু লক্ষীটি আমি ভেবেছিলাম এতে তুমি খুশি হবে! তুমি বাইরে কখনো যাও না তাই এই সুযোগ, চমৎকার এক সুযোগ!

 এটা জোগাড় করতে আমাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে! সবাই একখানা চায়, কিন্তু খুব বেছে বেছে দেওয়া হচ্ছে কর্মচারীদের বেশি দেওয়া হয়নি। সেখানে তুমি গোটা সরকারি মহল কে দেখতে পাবে।'

 বিরক্তির দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে মেয়েটি অধীর ভাবে বলে উঠলো:

 সে ঐ সম্পর্কে কিছু ভাবেনি। তাই সে বিব্রত ভাবে বলে-

 কেন আমরা থিয়েটারে যাবার সময় তুমি যে পোশাকটা পড়ো সেটা পড়বে। ওটা আমার কাছে খুব সুন্দর লাগে-'

 তার স্ত্রীকে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে দেখে সে আতঙ্কে নির্বাক হতবুদ্ধি হয়ে গেল।তার চোখের পাশ থেকে বড় বড় দুঃফোটা অশ্রু তার গালের উপর গড়িয়ে পড়ল। সে থতমত ভাবে বলল-

' কি হল?কি হল তোমার?'

 প্রবল চেষ্টায় মেয়েটি তার নিজের বিরক্তি দমন করে,তার সিক্ত গন্তু  মুছে ফেলে শান্ত কণ্ঠে জবাব দেয়:

 কিছুই না শুধু আমায় কোনো পোশাক নেই বলে আমি ওই ব্যাপারে যেতে পারবো না। তোমার যে কোনো সহকর্মীর স্ত্রীর পোশাক আমায় চেয়ে যদি ভাল থাকে কারখানা নিয়ে তাকে দাও।

 সে মনে মনে দুঃখ পায়।তারপর সে জবাব দেয়:

'মাতিলদা, বেশতো চলো আলাপ করি আমরা। এমন কোন পোশাক, অন্য কোন উপলক্ষেও যা দিয়ে কাজ চলবে অথচ সাদাসিধা, তার দাম আর কত হবে?

 কয়েক সেকেন্ড মেয়েটির চিন্তা করে দেখে এমন একটি সংখ্যার বিষয়ে স্থির করলো যার চেয়ে বসলে হিসেবে রাণীর কাছ থেকে সঙ্গে সঙ্গে এক আতঙ্কিত প্রত্যাখ্যান যেন না আসে।

 শেষপর্যন্ত ইতস্তত করে মেয়েটি বলল:


' আমি ঠিক করতে পারছি না,তবে আমার মনে হয় 400 ফ্রাঁ হলে তা কেনা যাবে'

 শুনে তার মুখ ম্লান হয়ে গেল। কারণ,তার যেসব বন্ধু গত রবিবারে নানতিয়ারের সমভূমিতে ভরতপাখি শিকারে গিয়ে ছিল, আগামী গ্রীস্মে তাদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা একটি বন্দুক কিনবার জন্য ঠিক ততটা অর্থই সে সঞ্চয় করেছিল।তা সত্ত্বেও জবাব দিল:

নেকলেস লেখক গী দ্য মোপাসাঁ অনুবাদ:পূর্ণেন্দু দস্তিদার পর্ব-২

বিকাশ এপ্সের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে পেয়ে যান ১৫০ টাকা বোনাস

বিকাশ এপ্সের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে পেয়ে যান ১৫০ টাকা বোনাসঃ-এখন বিকাশ অ্যাপে  রেজিস্ট্রেশন করে জিতে নিতে পারবেন ১৫০ টাকা বোনাস।এখন আর আপনাকে বিকাশ একাউন্ট খুলতে বিকাশ এজেন্টের কাছে যেতে হবে না।এখন আপনি ঘরে বসেই শুধুমাত্র আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোনের মাধ্যমে একটি বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারেন। এবং এর জন্য আপনাকে কোন প্রকার টাকা দিতে হবে না বরংচ আপনি একতারার পরিশ্রম করে প্রথমবার লগইন করলে পাবেন ১০০ টাকা  ইনস্ট্যান্ট বোনাস। এবং অ্যাপস দ্বারা প্রথমবার ২৫ টাকা রিচার্জে পাবেন ৫০ টাকা ক্যাশব্যাক। খুব সহজেই বুঝতে পারছেন এখন আপনি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইল থেকে আপনার আইডি কার্ডের মাধ্যমে যদি একটি বিকাশ একাউন্ট খুলেন তাহলে সম্পূর্ণ ফ্রিতে পেয়ে যাবেন দেড়শ টাকা। এবং আপনার কোন খরচ হবেনা বিকাশ একাউন্ট খুলতে।
বিকাশ রেজিস্ট্রেশন করে জিতুন ১৫০ টাকা
আপনি এখানে বোনাস পাবেন মোট তিনটি স্টেপে-
১- অ্যাপস এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করলে পাবেন ৫০ টাকা।
২- অ্যাপসে আপনি লগইন করলে পাবেন ৫০ টাকা।
৩- অ্যাপসের মাধ্যমে প্রথমবার ৫০ টাকা রিচার্জে পাবেন ৫০ টাকা ক্যাশব্যাক।
যেভাবে আপনি বিকাশ অ্যাপস এ রেজিস্ট্রেশন করবেন-

⏩প্রথমে আপনি এই লিংক থেকে বিকাশ অ্যাপস টি ডাউনলোড করে নিন!
আপডেট বিকাশ এপ্স ডাউনলোড লিংক  Click Hare..
 আপনি লিংকটিতে ক্লিক করার মাধ্যমে সরাসরি আপনাকে প্লেস্টরে নিয়ে যাওয়া হবে।এবং প্লে স্টোর থেকে আপনি আপডেট বিকাশ অ্যাপস টি ডাউনলোড করে নিন।

⏩ অ্যাপসটি ডাউনলোড এবং ইন্সটল হয়ে গেলে পরে ওপেন করুন। যেসকল পারমিশন চাইবে সবগুলোই Yes করে দিন।

⏩আপনি যে সিমটিতে বিকাশ একাউন্ট খুলবেন সেটি অবশ্যই  যে ফোনে অ্যাপস ইন্সটল করেছেন সেটিতে চালু থাকা লাগবে। কারণ বিকাশের OTP  ভেরিফিকেশন অটোমেটিক হওয়ার কারণে অবশ্যই আপনার ফোনটিতে সিমটি চালু থাকা লাগবে।

⏩ বিকাশ অ্যাপটি ওপেন করার পরে  অ্যাপস এর উপরে থাকা Log in/registration  লেখাটিতে ক্লিক করুন।

⏩ আপনাকে একটি নতুন পেজ এ নেওয়া হবে। এবং সেখানে আপনি দুইটি অপশন দেখতে পাবেন একটি লগইন এবং আরেকটি হচ্ছে নতুন রেজিস্ট্রেশন করার জন্য। আপনার যদি আগে বিকাশ একাউন্ট থাকে সেক্ষেত্রে আপনি এখানে লগইন করার মাধ্যমে বোনাস গ্রহণ করতে পারেন।(  লগইন করলে আপনি বোনাস পাবেন শুধু মাত্র ১০০টাকা। লগইন বোনাস ৫০টাকা এবং ২৫ টাকা রিচার্জে বোনাস পাবেন ৫০ টাকা) সম্পূর্ণ বোনাস পেতে আপনি নতুন একটি একাউন্ট রেজিষ্ট্রেশন করুন। এর জন্য আপনি রেজিস্ট্রেশনের  অপশনটিতে ক্লিক করুন।

⏩ এরপরে আপনার যে নাম্বারে টিতে বিকাশ একাউন্ট করবেন সেই নাম্বারটি চাইবে। সেক্ষেত্রে খালি পড়ে আপনার নাম্বারটি দিন।আপনার আপারেটর সিলেক্ট করুন।এবং আপনার নম্বর একটি মেসেজ আসবে এবং অটোমেটিক নাম্বার ভেরিফাই হয়ে যাবে।

⏩টার্মস এন্ড কন্ডিশন দেখুন এবং i agree সিলেক্ট করুন।

⏩ বিকাশ একাউন্ট খুলতে শুধুমাত্র আপনার আইডি কার্ডটি লাগবে। এছাড়া আর কোন ডকুমেন্ট প্রয়োজন করবেন। এবং যার আইডি কার্ড তাকে প্রয়োজন পরবে কারন  সেলফির মাধ্যমে ছবি তুলে আইডি ভেরিফাই করতে হবে। তবে এটি খুবই সহজ তাই চিন্তার কোন বিষয় নেই।

⏩ এরপরে আপনার আইডি কার্ডের প্রথমে উপরের পিঠ। অর্থাৎ যেখানে আপনার ছবি এবং আইডি কার্ডের নম্বর আছে সেটির ছবি তুলুন। এরপরে আপনার আইডি কার্ডের পিছনের পাস ছবি তুলে কনফার্ম করে দিন।

⏩ এরপরে দেখতে পাবেন আপনার সকল নাম ঠিকানাসহ একটি ফরম চলে আসছে। আপনার সকল তথ্য ঠিকঠাক আছে কিনা দেখে দিন। যদি ঠিক না থাকে তাহলে এডিট করার মাধ্যমে ঠিক করে দিন। সবগুলো ঠিকঠাক হয়ে গেলে আপনি পরবর্তী স্টেপে চলে যান।

⏩ এরপর আপনার সেলফি তুলতে হবে। আপনার ক্যামেরা কি অন হবে তখন আপনাকে ভালোভাবে একটি সেলফি তুলতে হবে। তোলা হয়ে গেলে সেটা কনফার্ম করে দিন এবং আপনার কাজ শেষ।  পিন সেট করার পরে। আপনার আইডিতে লগইন করুন এবং বোনাস পেয়ে যান।

(বিঃদ্রঃ এখানে স্ক্রিনশট নেওয়া যায় না দেখে কোন প্রকার স্ক্রিনশট বা ছবি দেয়া গেল না)

বোনাস পাবার শর্ত সমূহ-

সকলেই বোনাস পাবেন। তাই  অফারের ডেট শেষ না হওয়ার আগেই রেজিস্ট্রেশন করে নিন।

আসুন জানি ডার্ক ওয়েব ও ডীপ ওয়েব কি এবং এর মূল রহস্য

আমাদের সবাই ডার্ক ওয়েব এবং ডীপ ওয়েব কি এবং এর মূল রহস্য সম্পর্কে জানার আগ্রহ রয়েছে।আর আমরা অনেকেই হয়তো নাম দুটি আগেই শুনেছি।আবার অনেক এখন পর্যন্ত এই নামের সাথেই পরিচিত নয়।আমাদের পৃথিবী রহস্যময় সে বিষয়ে কোনো  সন্দেহ নেই।কারণ আমরা প্রতিনিয়ত সম্মুখীন হচ্ছি বিভিন্ন রহস্যের।এমন কিছু কিছু রহস্য আছে যেগুলো প্রাকৃতিক। আবার কিছু কিছু রহস্য আছে যেগুলো মানব সৃষ্ট।কিন্তু এর পরেও মানুষ এসকল রহস্য ভেদ করতে পারে না।সেই শুরু থেকেই এ সকল কিছু  শুধুমাত্র রহস্যই রয়ে গিয়েছে আমাদের নিকট। আমাদের উন্নত বিজ্ঞান এ সকল রহস্য উন্মোচন করার জন্য বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছে।এই বিজ্ঞানের আবিষ্কারের মধ্যেও রয়েছে রহস্য।ইন্টারনেট হলো বিজ্ঞানের একটি বিস্ময়কর আবিষ্কার। এরমধ্যে রয়েছে রহস্য  আর আমরা সেরকম একটি রহস্য সম্পর্কে জানব।
ইন্টারনেটের প্রকারভেদ
আমরা ইন্টারনেট সম্পর্কে জানি।বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট ছাড়া আধুনিক জিবন কল্পনা করা সম্ভব নয়।এ ইন্টারনেট মূলত প্রধান তিন ভাগে বিভক্ত।বিভাগ তিনটি হলো ডার্ক ওয়েব, ডিপ ওয়েব এবং সারফেস ওয়েব। আমরা সাধারণত যে ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি এটি সরফেস ওয়েবের অংশ।আমরা ইন্টারনেট জগত সম্পর্কে যা বুঝি সেটি হলো সার্ফেস ওয়েব।সার্ফেস ওয়েবের অংশ হচ্ছে গুগল,উইকিপিডিয়া,বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ইত্যাদি।মূলত আমরা যে সকল কিছু ইন্টারনেটের ব্যবহার করে থাকি তা। আমরা অনেকগুলো ওয়েবসাইটের নাম জানি আবার অনেক গুলো রয়েছে তার নাম জানিনা। যে সকল ওয়েবসাইট আমাদের প্রয়োজন কিন্তু নাম জানিনা তা আমরা গুগলের সার্চ এর মাধ্যমে খুব সহজেই পেয়ে যাই। এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। এবং যে কেউ ব্যবহার করতে পারি এই ইন্টারনেট।ভাবুনতো ইন্টারনেট জগতে কি নেই? আপনি যে বিষয়ে জানতে চাচ্ছেন সেই বিষয়ে হাজার হাজার তথ্য এনে হাজির করা হচ্ছে আপনার সামনে। কিন্তু আপনি জানেন কি আপনি এই জে চিন্তা করছেন ইন্টারনেট জগতে কি নেই!এটি সমগ্র ইন্টারনেট জগতের মাত্র ৫ শতাংশ।এর অর্থ হল আমরা সমগ্র ইন্টারনেট জগতের শুধু মাত্র 5% এক্সেস করতে পারি।
web layer
তাহলে বাকি ৯৫% কোথায়?
বাকি ৯৫% রয়েছে ডার্ক ওয়েব এবং ডিপ ওয়েবে। তবে এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়। ডার্ক ওয়েব ও ডিপ ওয়েব অ্যাক্সেস করা আপনার আমার মত সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। আর এক্সেস করতে পারলেও ভিজিট করতে পারবে না সঠিক ভাবে।কারন ডার্ক ওয়েবর ওয়েবসাইটগুলো ত সহজ ভাবে ডিজাইন করা না যে আপনি খুব সুন্দর ভাবে ওয়েবসাইট গুলো দেখতে পারবেন।এটি সম্পুর্ন গোলকধাঁধার মত করে তৈরি করা।

ডার্ক ওয়েব কি?

 ডার্ক ওয়েব হচ্ছেন ইন্টারনেট জগতের অন্ধকার জায়গা যেখানে সাধারণ মানুষ প্রবেশ করতে পারেনা। ডার্ক ওয়েবে প্রবেশ করতে হলে আপনাকে ব্যবহার করতে হবে বিশেষ প্রযুক্তি এবং তার সম্পর্কে থাকতে হবে প্রচুর জ্ঞান। মূলত ডার্ক ওয়েব হচ্ছে ইন্টারনেটের গোপন জায়গা যেখানে ইন্টারনেটের বিভিন্ন গোপন তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সমাজ বিরোধী ও অনৈতিক কাজ হয়ে থাকে এই ডার্কওয়েবে।  যেমন বিভিন্ন ধরনের চোরাকারবার, অনলাইনের মাধ্যমে খুনি ভাড়া করা,বিভিন্ন ধরনের ড্রাগ কেনাবেচা করা, এখানে আপল এবং স্যামসাং ব্র্যান্ডের পণ্য 80 পার্সেন্ট ছাড়ে বিক্রি করা হয়।
Deep web
ডার্ক ওয়েব মূলত কিছু নির্দিষ্ট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়।যেমন এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে টর নেটওয়ার্ক  এবং আইটুপি।এর মাধ্যমে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করার ফলে গ্রাহকদের কোন ঠিকানা ট্রাক করা সম্ভব হয়না। ডার্ক ওয়েব  এড্রেসগুলো হয়  ভিন্নধর্মী যার কারণে ডার্কওয়েবের ওয়েবসাইটের এড্রেস গুলো কারো পক্ষে মনে রাখা সম্ভব হয়না। ডার্ক ওয়েবের ডোমেইন হচ্ছে. onion  এবং ওয়েব এড্রেস গুলো হয় fkvk68jjvknfj69vjbkmc.onion  এই টাইপের। যার ফলে গ্রাহক মনে রাখতে পারে না যে সে কোন সাইট টি ভিজিট করেছে। শুধুমাত্র যারা তার সদ্ব্যবহার করে তারা এই সকল ওয়েব এড্রেস সেভ করে রাখার মাধ্যমে ব্যবহার করে।
dark net web page
ডার্ক ওয়েবের বিখ্যাত ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে হিডেনউইকি(HiddenWiki)  সারফেস ওয়েবে আমরা যেমন গুগোল,বিং, ইয়াহু ইত্যাদি সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করি  ঠিক তেমন করে ডার্ক ওয়েব ব্যবহারকারীগণ হিডেনউইকি  সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে তথ্য সার্চ করে থাকে। তবে ডার্ক ওয়েব বিভিন্ন সাইট ভিজিট করা  সারফেস ওয়েবের মতো সহজ নয়। ডার্ক ওয়েব চালানোর জন্য আপনাকে অবশ্যই পারদর্শী হতে হবে না হলে আপনি কিছুই বুঝতে পারবেন না। ডার্ক ওয়েব সাইট গুলো এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যার কারণে ব্যবহারকারী বুঝতে পারেনা সে কোন সময় কোন সাইট থেকে কোন সাইটে চলে যাচ্ছে।

ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই বিভিন্ন ধরনের হ্যাকিং সফটওয়্যার,হ্যাকিং টিউটোরিয়াল, ক্লোন মাষ্টার কার্ড ইত্যাদি পেতে পারেন।এসকল টিউটোরিয়াল গুলো খুব বড় মানের হ্যাকারদের দ্বারা তৈরি যা আপনি সারফেস ওয়েবে খুঁজে পাবেন না।বিভিন্ন ধরনের মুভি,গান  ইত্যাদি পাবেন ডার্কওয়েবে। এগুলো সারফেস ওয়েবে পাবলিশ করার অনেক আগেই ডার্কওয়েবে পাবলিশ হয়ে যায়। এছাড়া ডার্কওয়েবে পাবেন আপনি  বিভিন্ন ধরনের পর্ন, পেডোপিলিসদের (একজন ব্যক্তি যিনি শিশুদের প্রতি যৌন আকৃষ্ট হন) (২০১৪ সালে ডার্ক ওয়েবের সবচেয়ে অনুরোধ মুলক বিষয় ছিল শিশু পর্নোগ্রাফি) ইত্যাদি অসামাজিক কার্যকলাপের ভিডিও।

২০১৬ সালের তথ্য অনুযায়ি ডার্ক ওয়েবে যা আছে তা হলো-
বিভাগ-শতকরা হার
সহিংসতা-০.৩
অস্ত্র-০.৩
সামাজিক-১.২
হ্যাকিং-১.৪
অবৈধ পর্নোগ্রাফি-২.৩
যোগসূত্র-২.৩
চরমপন্থা-২.৭
অজানা-৩.০
অন্যান্য অবৈধ-৩.৮
ফাইন্যান্স-৬.৩
মাদক-৮.১
অন্যান্য-১৯.৬
কোনটি না-৪৭.৭

তথ্য সূত্র-উইকিপিডিয়া।
Silk road dark net market 
ডার্ক ওয়েবের বিখ্যাত ওয়েবসাইট সিল্ক রোড কিছুদিন আগে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে জানায় আমেরিকান সরকার।কিন্তু তারা এটি পুরোপুরি বন্ধ করতে সক্ষম হয়নি বরং তারা নতুন নামে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।এটি ডার্ক নেটের সবচেয়ে বড় মার্কেট।এখানের পন্যের মুল্যের সাথে সারফেস ওয়েবের পন্যের মুল্যে রয়েছে বিশাল ব্যবধান।সিল্ক রোডের পাশাপাশি ডায়াবোলাস একটি সাইট।

ডার্কনেটের সকল লেনদেন হয়ে থাকে ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে।কারন ক্রিপ্টো লেনদেনর মাধ্যমে দাতা এবং গ্রহীতার দুইজনেরই ঠিকানা এবং তথ্য গোপন থাকে।এসকল লেনদেন সম্পন্ন হয় সম্পুর্ন ভার্চুয়াল মাধ্যমে।
dark net hacker community 
ডার্ক ওয়েবে হ্যাকার সার্ভিস পাওয়া যায়।এখানে অনেক হ্যাকার তাদের সেবা স্বতন্ত্রভাবে প্রদান করে।আবার অনেকে তাদের সেবা দলের একটি অংশ হিসেবে বিক্রি করে।এমন গ্রুপের মধ্যে কয়েকটি গ্রুপ হলো  xDedic, hackforum, Trojanforge, Mazafaka, dark0de এবং TheRealDeal ডার্কনেট মার্কেট।কেউ কেউ আবার পেডোপিলিসদের ট্র্যাক এবং তাদের কাছ থেকে জোর পূর্বক আদায় করার জন্য পরিচিত হয়েছে।আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংক সম্পর্কিত সাইবার অপরাধ এবং হ্যাকিং এর সেবাও ডার্ক ওয়েবে পাওয়া যায়।আবার অনেকে ডার্ক  ওয়েবে ক্লোন পেপাল,মাস্টার কার্ড ইত্যাদির সেবা প্রদান করে যার মাধ্যমে ব্যাংক একাউন্ট হ্যাকের মত কর্মকান্ড সংগঠিত হয়ে থাকে।
তাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য ব্যাবহৃত প্রচারন মূলক কিউআর কোড!সোর্স-Wikipedia
তারা এসকল QR কোডের মাধ্যমে তারা সচেতনতা মুলক ও তাদের সাথে যুক্ত করার জন্য ব্যাবহার করে থাকে।

এর বাইরে ডার্ক ওয়েবে রয়েছে আরও বিভিন্ন ধরনের  আশ্চর্য কিছু। যা হয়তো আমাদের এখন পর্যন্ত অজানা। পরবর্তী পোস্টে আমরা আরও বিভিন্ন কিছু জানবো ইন্টারনেট জগত সম্পর্কে।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর জীবন কাহিনী- Ishwara Chandra Vidyasagar's life story

আমরা সকলেই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নামটির সাথে পরিচিত।তবে তার ব্যাপারে আমরা অনেকেই তেমন কিছুই জানি না।তাই আমরা এই মহান ব্যাক্তিত্ব ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর জীবন কাহিনী-(Ishwara Chandra Vidyasagar's life story) সম্পর্কে জানব।বাংলা সাহিত্যে তার রয়েছে বিশাল অবদান।ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬  সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।তার ডাক নাম ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, দয়ারসাগর।কিন্তু তিনি স্বাক্ষর করতেন 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে।তার পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দোপাধ্যায় ও মাতার নাম ভগবতী দেবীঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বংশ পদবী বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্যাসাগর হচ্ছে তার উপাধি। ঈশ্বরচন্দ্র নিজ গ্রামে পাঠশালায় পাঠ শেষে আট বছর বয়সে পিতার সঙ্গে কলকাতায় আসেন। সেখানে শিবচরণ মল্লিকের বাড়ির পাঠশালায় এক বছর অধ্যয়ন সম্পন্ন করে তিনি ১৮২৯ খ্রিষ্টাব্দে সংস্কৃত কলেজে ভর্তি হন।এই কলেজের নিরবিচ্ছিন্ন ১২ বছর অধ্যায়ন করে তিনি ব্যাকরণ,কাব্য,অলংকার,বেদান্ত,স্মৃতি, ন্যায় জ্যোতিষ শাস্ত্রে পান্ডিত্য অর্জন করেন। সকল পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে লাভ করেন 'বিদ্যাসাগর' উপাধি।
ঈঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবনী
তিনি ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের হেড পন্ডিত হিসেবে যোগদান করেন। পরে তিনি সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ পদে অধিষ্ঠিত হন। পরে সরকার কর্তৃক বিশেষ বিদ্যালয় পরিদর্শক নিযুক্ত হলে তারই তত্ত্বাবধানে পুরিলি মডেল স্কুল ও পঁয়ত্রিশটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপিত হয়। নিজে অর্থব্যয় মেট্রোপলিটন কলেজ স্থাপন তার অনন্য কীর্তি। যার বর্তমান নাম বিদ্যাসাগর কলেজ।
 ঈশ্বরচন্দ্র  বিদ্যাসাগর প্রথম গদ্যে যতি চিহ্নের যথাযথ ব্যবহার করে বাংলা গদ্যের শৃঙ্খলা আনেন। তাকে বলা হয় বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী। শিক্ষকতা ছাড়াও সমাজ সংস্কার ও মুক্তচিন্তার প্রচার ও প্রসারে তার অবদান তুলনাহীন। সমাজে বিধবা বিবাহ ও নারী শিক্ষা প্রচলন করা তার অনন্য অবদান। এবং বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক অভিশাপ দূরীকরণে তার অবদান চিরস্মরণীয়। পাঠ্যবই রচনায় তিনি অসামান্য জ্ঞানের পরিচয় দিয়েছেন।এছাড়া তিনি বাংলার নবজাগরণ আন্দোলনের অন্য তম ব্যাক্তিত্ব।তার সহধর্মিণী ছিল দীনময়ী দেবী এবং তার সন্তানের নাম নারায়নচন্দ্র বিদ্যারত্ন।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। ছবি সূত্র-উইকিপিডিয়া 
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম গ্রন্থ বেতাল পঞ্চবিংশতি। এছাড়াও তিনি অনেক গ্রন্থ রচনা করেছেন এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ হলো, সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমণিকা, বর্ণপরিচয়( এটি দুটি ভাগে বিভক্ত), শকুন্তলা,সীতার বনবাস, আখ্যানমঞ্জুরী, ভ্রান্তিবিলাস তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।তিনি কিছু ইংরেজি গ্রন্থ রচনা করেন সেগুলো হল পোয়েটিক্যাল সিলেকশনস্,সিলেকশনস্ ফ্রম গোল্ডস্মিথ,সিলেকশনস্ ফ্রম ইংলিশ লিটারেচার।তিনি এর বাইরেও অনেক গ্রন্থ রচনা এবং অনুবাদ করেছেন।
Ishwara Chandra Vidyasagar's life story
কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো কলকাতার উচ্চবিত্ত ও শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সমাজের দু-একজন ছাড়া বিদ্যাসাগর মহাশয়ের চরিত্রের বিশালতা অণুধাবন করতে পেরেছিলেন না কেউ।মহারানি স্বর্ণময়ী দেবী, প্রসন্নকুমার সর্বাধিকারী, মাইকেল মধুসূদন, রামকৃষ্ণ পরমহংস, রবীন্দ্রনাথ  প্রমুখ।বঙ্কিমচন্দ্রের মতো ব্যক্তিত্বও তাঁর সাহিত্যপ্রতিভার যথাযথ মূল্যায়নে ব্যর্থ হন। রবীন্দ্রনাথ তাঁর বিখ্যাত চারিত্রপূজা গ্রন্থে বিদ্যাসাগর চরিত্রে মহত্ব বাঙালি সমাজের সামনে অবশ্য তুলে ধরেন।ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর  ২৯ জুলাই ১৮৯১ সালে কলকাতায়  মৃত্যুবরণ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পর্কে কিছু তথ্য

বাংলা সাহিত্যের অনবদ্য এক কিংবদন্তি হচ্ছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাংলা সাহিত্যের সকল শাখায় রয়েছে তার অবাধ বিচরণ।
তিনি ছিল অগ্রণী বাঙালি কবি,নাট্যকার, উপন্যাসিক,চিত্রকর,সংগীতস্রষ্টা, ছোটগল্পকার,প্রাবন্ধিক,অভিনেতা,কন্ঠ শিল্পী, দার্শনিক।তাকে তার সৃষ্টির জন্য বিশ্বকবি বলা হয়েছে।রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেব কবিগুরু ও বিশ্বকবি ইত্যাদি বিভিন্ন নামে ডাকা হয়।
রবী ঠাকুর

তার সৃষ্টিকর্মের মধ্যে রয়েছে 52 টি কাব্যগ্রন্থ, 38 টি নাটক, 13 উপন্যাস,34 টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্য সংকলন তার জীবদ্দশায় মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।তিনি সর্ব মোট 95 টি ছোটগল্প ও 1915 গান লিখেছেন। যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত রচনা রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়। রবীন্দ্রনাথের পত্রসাহিত্য চিঠিপত্র ১৯ খন্ডে মোট চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত হয়।
বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় তার রচনা অনুবাদ করা হয়েছে। 1913 সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
এছাড়া তিনি দুই হাজারের উপরে ছবি এঁকেছিলেন।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ৭ই  মে ১৮৬১ সালে কলকতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে  জন্মগ্রহণ করেন। ছোট বেলায় তিনি প্রথাগত বিদ্যালয়ের শিক্ষা গ্রহণ করেননি। গৃহশিক্ষকের কাছে তার শিক্ষা সম্পন্ন হয়। মাত্র আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন ১৮৭৮ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকায় তার অভিলাষ কবিতাটি প্রকাশিত হয়।এবং এটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতের বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ  প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান।১৯৮৩ সালে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে তার বিবাহ হয়।১৮৯০ সালে  তিনি পূর্ববঙ্গের শিলাইদহের জমিদারি টেস্টে বসবাস শুরু করেন ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানে পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে  তার স্ত্রী মারা যান। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সাথে যুক্ত হন।ব্রিটিশ সরকার তাঁকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করে ১৯১৫ সালে। কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ  হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন।১৯২১ সালে গ্রাম উন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নাম একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন ১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা হয়। দীর্ঘ জীবনে তিনি বহু বার বিদেশ ভ্রমণ করেন।এবং সমগ্র বিশ্বে ভ্রাতৃত্ববোধ প্রচার করেন। ৭ ই আগস্ট ১৯৪১ সালে দীর্ঘ রোগভোগের পর কলকাতার পৈত্রিক বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়।

ইনভেস্ট করে আয় করার আগে পোস্টটি পড়ুন এবং আরেকবার ভাবুন

ইনভেস্টমেন্ট সাইট এ কাজ করার আগে অবশ্যই আপনার এই পোস্টটি পড়ে নেয়া উচিত।কারণ  বর্তমান সময়ে আমরা অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের ইনভেস্টমেন্ট সাইট দেখতে পাই যেখানে ইনভেস্ট করার মাধ্যমে আমরা ইনকাম করতে পারি। তবে ইনভেস্টমেন্ট সাইট এ কাজ করার আগে আমাদের অবশ্যই ভাবা উচিত সাটটি কতটুকু  নির্ভরযোগ্য। এবং সাইটের বিষয়বস্তু কি আমরা অনেকেই হয়তো চিন্তা করি ইনভেস্ট করে অনেক টাকা আয় করার। এখানে হয়তো আপনি ইনভেস্ট করে লাভবান হবেন কিন্তু আপনার বিপরীতে অন্য কেউ অবশ্যই লোকসানের সম্মুখীন হবেন। এখানে বিপরীতে বললে ভুল হবে আপনার মত অন্য কেউ এখানে লোকসানের সম্মুখীন হবে। কারণ আপনার বিপরীতে যে থাকবে সে অবশ্যই এর থেকে তার ফায়দা তুলে নেবে।
ইনভেসমেন্ট সাইটে কাজ করার আগে ভাবুন 
আসুন জেনে নেওয়া যাক ইনভেস্টমেন্ট সাইট এর সম্পর্কে কিছু তথ্য,  আমরা অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের ইনভেস্টমেন্ট সাইট দেখে থাকি।যেখানে ইনভেস্ট করার মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। সেখানে ইনভেস্ট করার পর আপনার কাজ হয় তাদের সাইটের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা এবং বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা। এবং রেফারেল করার মাধ্যমে তাদের নতুন নতুন মেম্বারদের যুক্ত করা। এর মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারেন। আপনি বলতে পারেন যে আপনার এখন পর্যন্ত এক টাকাও মায়ের চাইনি বা আপনি কোন লোকসানের সম্মুখীন হননি। আপনার কাজ করে লাভ থেকেছে। আচ্ছা ভেবে দেখুন তো  মনে করুন আপনি পনেরশো টাকা ইনভেস্ট করলেন। এবং আপনাকে শর্তযুক্ত করে দেয়া হলো আপনার আয়ের টাকা উঠাতে হলে অবশ্যই  তিনজন একটিভ রেফারেল লাগবে। তাহলে আপনার উপার্যিত অর্থ তুলতে পারবেন। আপনার প্রতিদিনের ইনকাম হবে ১০০ টাকা  এবং আপনি ১৫০০ টাকা না হলে তুলতে পারবেন না। আপনি  ইনভেস্ট করলেন তিনজন একটিভ রেফারেল পেলেন এবং ১৫ দিন কাজ করার পরে পনেরশো টাকা উইথ্র দিলেন টাকাও পেলেন। এরপরে সাইটে আপনি আর ১৫ দিন কাজ করলেন আবার ১৫০০ টাকা পেলেন। তাহলে আপনার লাভ হল ১৫০০ টাকা।আপনি মাত্র ১০ মিনিট করে প্রতিদিন কাজ করেছেন। এর পরবর্তী ১৫ দিন কাজ করলেন।কিন্তু আপনি  উইথড্রো দিলেন কিন্তু টাকা পেলেন না। তখন আপনি বললেন আপনি লস খাননি আপনি এই সাইট থেকে ৩ হাজার টাকা ইনকাম করেছেন। ইনভেস্ট করেছিলেন ১৫০০ টাকা বাকি ১৫০০ টাকা লাভ।
don't work investment site
চলুন এখন আসি আসল কথায় আপনারা যেহেতু তিনজন অ্যাক্টিভ রেফারেল লেগেছে  টাকা উইড্রো করতে। তাহলে তাদের প্রত্যেকের পনেরশো টাকা করে ইনভেস্ট করতে হয়েছে। অর্থাৎ তারা তিনজন ইনভেস্ট করেছে ১৫০০*৩=৪৫০০ টাকা। অর্থাৎ আপনার রেফারেল এর তিনজনের ৪৫০০ টাকা  এবং আপনার ১৫০০ টাকা মোট ৬০০০ টাকা। এবার ধরুন আপনার ওই  রেফারেলে  যুক্ত হওয়া তিন ব্যক্তি তিনজন করে এক্টিভ  রেফারেল পাইনি।অথবা তারা তিনজনের ১ জন পেয়েছে বাকি একজন ২ জন আরেক জন একজনও না।তাহলে  আপনারা দুইজন পেমেন্ট পেয়েছেন ৬০০০ টাকা। আপনাদের দুইজনের দ্বারা রেফারাল করায় তাদের আয় হয়েছে  ৬০০০+৪৫০০+৩০০০=১৩৫০০ টাকা। এর বিপরীতে তাদের ব্যয় হয়েছে মাত্র ৬০০০ টাকা। তাহলে বলুন তো তাদের লাভ হয়েছে কত টাকা? নিশ্চই ৭৫০০ টাকা। এটি শুধুমাত্র আপনার উদাহরণ দিলাম। এরকম হাজার হাজার মেম্বার  দ্বারা তারা ইনভেস্ট করায়। তারা যদি এক মাসে ৫০০ জন ইনভেস্ট করাতে পারে তাহলে তাদের আয় ৫০০*১৫০০=৭,৫০,০০০টাকা। তারা পেমেন্ট দিল ১০০ জন কে ১০০*৩০০০=৩০০,০০০ টাকা। এক্ষেত্রে তাদের সব খরচ বাদ দিয়ে আয় হলো ৭,৫০,০০০-৩,০০,০০০=৪,৫০,০০০ টাকা। তাহলে চিন্তা করুন তাদের আয়ের পরিমাণ কত গিয়ে দ্বারায় এক মাসে। পরে তাদের সাইটে যে এড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে তার থেকে তো কিছু না হলেও ইনকাম হয়। ধরে নেই সেটা তোদের সাইট তৈরীর জন্য যে টাকা খরচ গেছে তার সময়। এছাড়া এই সকল মেম্বার সবাই কাজ করেছে নিয়মিত যার ফলে তাদের অ্যাডসেন্সে আর পরিমাণ ও কম হয়না।
কখনো ভাবি নি আমার সাথে এমনটা হবে 
তাহলে খুব সহজেই আপনারা বুঝতে পারছেন ইনভেস্টমেন্ট সাইট এর প্রতারণা কোন ধরনের হয়ে থাকে। তারা বিভিন্ন লোভনীয় অফার দিয়ে আপনাকে ইনভেস্ট করানোর জন্য। পরবর্তীতে আপনি যখন ইনভেস্ট করবেন ঠিক তখনই আপনি  হয়তো পেমেন্ট পাবেন হয়তো পেমেন্ট পাবেন না। আপনি যদি লাভবান হয়েও থাকেন অন্য কেউ নিশ্চয়ই লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন। এবার সিদ্ধান্ত আপনার আপনি ইনভেস্টমেন্ট সাইট এ কাজ করবেন কি করবেন না। তবে আপনার এই সামান্য উপার্জনের জন্য ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে হাজার হাজার স্টুডেন্ট  আমি শুধুমাত্র একটি উদাহরণ দিলাম।এর চাইতেও অনেক বড় বড় প্রতারক রয়েছে অনলাইনে। কারণ অনলাইনে কে আপনার সাথে প্রতারণা করল সে আপনার ধরাছোঁয়ার বাইরে। আপনি চাইলেই তাকে জবাবদিহি করতে পারবেন না। এবং তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন না। কিন্তু অনলাইনের পরিধি বিস্তৃত হওয়ার কারণে তারা আপনার মতো হাজার হাজার লোক পেয়ে যায়  ফাঁদে ফেলার জন্য। আপনার থেকে তারা পনেরশো টাকা নিয়েছে এজন্য আপনি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন না। কিন্তু অনেক জনের কাছ থেকে এরকম টাকা নিয়ে  তারা খুব সহজেই লাখপতি হয়ে উঠতে পারে। তাই অনলাইনে কোন জায়গায় ইনভেস্ট করতে হলে ভেবে তারপরে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। কারণ আপনার এখানে ইনভেস্ট করা হয়ে গেলে আর সে টাকা ফেরত পাওয়ার ঝুকি রয়েছে।

ইনভেস্টমেন্ট সাইটে কাজ করার পাশাপাশি যেকোনো অনলাইনে ইনভেস্ট করার আগে অবশ্যই ভেবেচিন্তে তারপরে ইনভেস্ট করুন। কারণ অনলাইনে একবার ভুল জায়গায় ইনভেস্ট করা হয়ে গেলে তা আর ফেরত পাবেন না।