সুন্দর একটি ফেসবুক পেজ গ্যাজেট নিয়ে নিন আপনার ব্লগের জন্য -How To add a beautiful Facebook page gadget in my blog

আমরা সবাই জানে ফেসবুক পেইজ কি।ফেসবুক ফেসবুক চালান একটা জিনিস যার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রোডাক্ট এবং বিভিন্ন কিছু প্রমোট করতে পারি। ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে ফেসবুক পেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে ভিজিটরই হচ্ছে ব্লগের প্রাণ। আর ফেসবুক পেজের মাধ্যমে অনেক পরিমান ভিজিটর পাওয়া সম্ভব হয় ব্লগে।প্রত্যেকেরই ব্লগের জন্য ফেসবুক পেজ রয়েছে।
আমি আজ দেখাব কিভাবে আপনারা আপনাদের ব্লগের সুন্দর একটি ফেসবুক পেইজ গ্যাজেট যুক্ত করবেন।
create a awesome Facebook page gadget 
প্রথমে দেখে নেই ফেসবুক পেজ গ্যাজেটটি দেখতে কি রকম হবে -
Facebook page timeline gadget 

লাইভ ডেমো আমাদের সাইটেই রয়েছে!
তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে যুক্ত করবেন এই ফেসবুক পেজ টাইমলাইন গ্যাজেটটি আপনার ব্লগে -
প্রথমে আপনার পেজ এর লিংকটি কপি করে রাখুন।কারণ আপনার পেজের লিঙ্ক টি প্রয়োজন পড়বে। গেজেটের স্ক্রিপ্ট তৈরি করতে।
⏩গ্যাজেটটির স্ক্রিপ্ট টি তৈরি করতে এই লিঙ্কে যান👆
⏩লিংকটিতে প্রবেশ করলে পরে আপনার সামনে একটি পেজ আসবে,
 মার্ক করা বক্সের যে সকল কিছু লেখা আছে সব গুলো কেটে দিন। এবং আপনার পেজের লিঙ্ক টি এখানে পেস্ট করে দিন।
⏩লিংকটি পেস্ট করা হয়ে গেলে স্ক্রল করে একটু নিচের দিকে যান-
দেখবেন গেট কোড নামক একটি বাটন আছে। সেটিতে ক্লিক করলেই আপনার সামনে একটি এইচটিএমএল জাভাস্ক্রিপ্ট কোড সম্বলিত পপ আপ আসবে।
⏩পপ আপ দেখতে ঠিক এ রকম হবে-

এবার বক্স থেকে কোডগুলো কপি করে রাখুন যেকোনো একটি করতে হবে পড়লেই হবে আপনি ২য় বক্স এর কোড কপি করুন।
কোডগুলো কপি করা হয়ে গেলে এই সাইটের কাজ আপনার শেষ। আপনি আপনার ব্লগার ড্যাশবোর্ডে চলে যান।
⏩আপনার ব্লগের কন্ট্রোল প্যানেল থেকে লেআউট অপশনটি সিলেক্ট করুন ⏩যে স্থানে আপনি ফেসবুক পেজ টাইমলাইন গেজেট টি যুক্ত  করবেন সেখানে গেজেট নামক একটি অপশন আছে। সেটি সিলেক্ট করুন⏩একটি এইচটিএমএল জাভাস্ক্রিপ্ট গ্যাজেট নিন।এবং গ্যাসের টিভি বক্সে আপনার কপি করা স্ক্রিপ্ট বা কোড গুলো পেস্ট করে দিন। এস করা হয়ে গেলে এবার সেভ বাটনে ক্লিক করুন।
আপনার ব্লগে একটি ফেসবুক পেজ টাইম অ্যান্ড গ্যাজেট যুক্ত হয়ে গিয়েছে। আপনার ব্লগে গিয়ে দেখুন একটি ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা।
🔴ফেসবুক সেই স্টাইল অ্যান্ড গেজেট যুক্ত করার ফলে আপনার ব্লগের সৌন্দর্য যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে। তেমনি আপনার ব্লগের সাথে সাথে আপনার ফেসবুক পেজের ও পরিচিতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভিজিটর চাইলে এখান থেকে সরাসরি আপনার ফেসবুক পেজের পোস্টগুলো দেখতে পারবে। লাইক কমেন্ট করতে পারবে। এছাড়াও আপনার পেইজে লাইক প্রদান করতে পারবে।এর জন্য তাকে আলাদা করে আপনার ফেসবুক পেজে প্রবেশ করতে হবে না। 


ফিসিং কি এবং ফিসিং থেকে নিরাপদ থাকবেন যেভাবে

ফিসিং কি! আসলে আমরা যারা এই শব্দটির সাথে পরিচিত না তারা হয়তো একটু আবাক হচ্ছেন।আবার অনেকে হয়তো ভেবে নিয়েছেন আমার আজকের আর্টিকেলটি হয়তো মাছ ধরা নিয়ে।এরকম ভাবাটাই স্বাভাবিক।কারন সবাই সব বিষয়ে জানবে এমন তো কথা নেই!
জানা নেই তাতে কি? জানতে কতটাই বা সময় লাগবে!
তাহলে আসুন বকবক না করে জেনে নেই ফিসিং কি,কেন এটি করা হয় এবং এর থেকে নিরাপদ থাকবেন কিভাবে।
তাহলে আমরা প্রথমে জানবো ফিসিং কি?(what is phishing)🔁ফিসিং হচ্ছে অনলাইন জগতে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে আপনার থেকে বিভিন্ন তথ্যা হাতিয়ে নেওয়া।যেমন,ইমেইলের পাসওয়ার্ড,ক্রেডিট কার্ডের নম্বর,ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড এছাড়াও বিভিন্ন তথ্য।
তাহলে এখানে তো কোন মাছ ধরার কোন ব্যাপার নেই!এটাতো সম্পুর্ন ইন্টারনেট জনিত।তাহলে এর নাম ফিসিং হলো কেন!
এর নাম ফিসিং হওয়ার মূল কারন হলো,
 মাছ ধরার সময় আমরা টোপ ব্যাবহার করি।মাছ টোপটাকে খাবার মনে করে লোভে পড়ে।কিন্তু টোপের ভিতরে থাকে বড়শি।এবং মাছটি যখন লোভের বশিভূত হয়ে টোপটি গিলে ফেলে ঠিক তখনি শুরু হয় আসল খেলা!মাছটির তখন জীবন সংকট দেখা দেয়!কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত মাছটির কিছুই আর করার থাকে না।কারন বড়শি ইতিমধ্যে তার মাংস পেশির সাথে গেথে আটকে বসেছে।এবং সে যতই টানাটানি করবে ততই তার বিপদ বাড়বে ছাড়া কমবে না।
আর অনলাইলে ফিসিংটাও অনুরুপ মাছ ধরার মত।এটি হ্যাকিংয়ের অন্যতম একটি উপাদান।হ্যাকার আপনার বিভিন্ন তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার জন্য আপনাকে টোপ দেবে।আর আপনি টোপ গিললেই সে তার খেলা শুরু করে দিবে।আর যখন বুজবেন আপনি ফিসিংয়ের শিকার তখন আপনার আর কিছুই করার থাকবে না।

ফিসিং করা হয় মুলত বিভিন্ন উপায়ে এর মধ্যে কয়েকটি তুলে ধরলাম।কারন আপনি আমার একজন প্রিয় পাঠক আপনি বিপদে পড়ুন এটা আমি চাই না।
⏩বিভিন্ন লিংক শেয়ারের মাধ্যমে।অনেক সময় হ্যাকাররা বিভিন্ন স্পাম লিংক শেয়ার করে।সেটি একটি আসল লিংকের ন্যায় থাকে।কিন্তু ভাল করে খেয়াল করলে বোঝা যাবে এটি একটা ফিসিং লিংক বা স্পাম  উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যেমন আপনাকে একটি ফেসবুকের লিংক শেয়ার করলো। যেটা আপনার ফেসবুকের অ্যাকাউন্ট লগ ইন করতে বলা হবে। আপনি সরল মনে লগিন করলেন।
কারন দুদক কর্মকর্তা বলেছেন,
সরল মনে দুর্নীতি করলে তা অন্যায় হবে না।
অনুরুপ ভাবে,সরল মনে ভুল করলে আপনার সেটি ভুল বলে বিবেচিত হবে না।
 কিন্তু এখানে আর দুদক কর্মকর্তা থাকবে না।আপনার ফেসবুক আইডির ইমেইল পাসওয়ার্ড সরাসরি চলে যাবে হ্যাকারের হাতে।আর আপনার ফেসবুকের সকল তথ্য তার হাতে।একই ভাবে আপনাকে বিভিন্ন মেইল করতে পারে। যেমন আপনি লটারি জিতেছেন টাকা তোলার প্রসেস জানতে ক্লিক করুন।একটা লিংক দেওয়া থাকবে।আপনি লিংকে গেলেন গিয়ে টাকার বদলে পেলেন একটা বাশ।
তাহলে বন্ধুরা আসুন জেনে নেই ফিসিংয়ে হাত থেকে বাচার উপায় -
⏩ফেসবুকের ইনবক্সে কেউ কোন লিংক পাঠালে হুট করেই সেটিতে প্রবেশ করবো না।
⏩লিংকটিতে প্রবেশ করতে হলে আগে ভালভাবে যাচাই করে নিতে হবে কোন সমস্যা আছে কিনা।
⏩মুল লিংকের সাথে ইনবক্সের পাওয়া লিংকে মিল আছে কি না।যেমন মুল লিংক  Facebook.com কিন্তু লিংকটিতে আছে facabook.com ইত্যাদি যা সহজে ধরতে পারবেন না।আবার খেয়াল করলে খুবই সহজ।
⏩যদি আপনি প্রবেশ করেই ফেলেন তাহলে এক মুহুর্ত দেরি না করে পাসওয়ার্ড বদলে ফেলুন।যদি দেখেন হ্যাকার তার কাজ করে ফেলেছে।তাহলে অন্যান্য একাউন্টের পাসওয়ার্ড একই থাকলে দ্রুত পরিবর্তন করুন।
⏩ব্যাংক একাউন্টের ক্ষেত্রে এমন হলে ব্যাংকে দ্রুত যোগাযোগ করুন।এবং উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহন করুন।
⏩ইন্টারনেট ব্যবহারে সতর্ক হোন।অপরিচিত সাইটে ঢোকার আগে যাচাই করে নিন সাইটটি সেইফ কি না।
সর্বোপরি আপনার সতর্কতাই পারে আপনাকে ফিসিং এর হাত থেকে রক্ষা করতে।তাই নিজে সতর্ক হোন এবং এসকল বিষয়ে অন্যকে সতর্ক করুন।

জেনে নিন বিভিন্ন দেশের রাজধানী ও মুদ্রার নাম Name of the capital and currency of all countries

চাকরির পরীক্ষা,বিসিএস পরীক্ষা এবং বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের রাজধানীর নাম এবং মুদ্রার নাম প্রশ্ন করা হয়। তাই আমাদের এগুলো জেনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরী একটি বিষয়।
আসুন তাহলে জেনে নেই বিভিন্ন দেশের রাজধানীর  নাম এবং মুদ্রার নাম।
বিভন্ন দেশের রাজধানী এবং মুদ্রার নাম
নিচে বিভিন্ন দেশের রাজধানী ও মুদ্রার নামের ছক দেওয়া হলো-
দেশের নামরাজধানীর নামমুদ্রার নাম
বাংলাদেশেঢাকাটাকা
ভারতনয়াদিল্লীরুপি, টকা, টাকা, টঙ্কা
শ্রীলঙ্কাশ্রী জায়াবর্ধনেপুরা কোট্টেরুপি
পাকিস্তানইসলামাবাদরুপি
মালদ্বীপমালেরুফিয়াহ
নেপালকাঠমান্ডুরুপি
ভুটানথিম্পুগুলট্রাম
আফগানিস্তানকাবুলআফগানী
মায়ানমারনাইপিদাওক্যত
থাইল্যান্ডব্যাংককবাত
ভিয়েতনামহ্যানয়দোং
কম্বোডিয়ানমপেনরিয়েল
লাওসভিয়েনতিয়েনকিপ
ব্রুনাইবন্দর সেরি বেগাওয়ানডলার
সিঙ্গাপুরসিঙ্গাপুর সিটিডলার
মালয়েশিয়াকুয়ালালামপুররিংগিট
ফিলিপাইনম্যানিলাপেসো
ইন্দোনেশিয়াজাকার্তারুপিয়াহ
পূর্ব তিমুরদিলিডলার
ইরানতেহরানরিয়াল
ইরাকবাগদাদদিনার
কুয়েতকুয়েত সিটিদিনার
সৌদি আরবরিয়াদরিয়াল
ওমানমাস্কটরিয়াল
কাতারদোহারিয়াল
বাহরাইনমানামাদিনার
সংযুক্ত আরব আমিরাতআবুধাবিদিনার
ইয়েমেনসানারিয়াল
সিরিয়াদামেস্কপাউন্ড
জর্ডানআম্মানদিনার
লেবাননবৈরুতপাউন্ড
ইসরাইলজেরুজালেমশেকেল
চীনবেইজিংইউয়ান
জাপানটোকিওইয়েন
উত্তর কোরিয়াপিয়ংইয়ংওয়ান
দক্ষিণ কোরিয়াসিউলওয়ান
তুর্কমেনিস্তানআশখাবাদমানাত
উজবেকিস্তানতাসখন্দসোম
কাজাখস্তানআস্তানাটেঙ্গে
জার্মানিবার্লিনইউরো
পোল্যান্ডওয়ারসজলটি
আলবেনিয়াতিরানালেক
বুলগেরিয়াসোফিয়ালেভ
সার্বিয়াবেলগ্রেডদিনার
মন্টিনিগ্রোপোডগোরিকোইউরো
বসনিয়াসারায়েভোদিনার
স্লোভাকিয়াব্লাটিস্লোভাইউরো
স্লোভেনিয়ালুবজানাইউরো
কসোভাপ্রিস্টিনাইউরো
অষ্ট্রিয়াভিয়েনাইউরো
আয়ারল্যান্ডডাবলিনইউরো
ইতালিরোমইউরো
ভ্যাটিক্যানভ্যাটিক্যান সিটিইউরো
গ্রীসএথেন্সইউরো
নেদারল্যান্ডআমস্টারডামইউরো
পর্তুগাললিসবনইউরো
ফিনল্যান্ডহেলসিংকিইউরো
ফ্রান্সপ্যারিসইউরো
বেলজিয়ামব্রাসেল্সইউরো
মাল্টাভ্যালটাইউরো
সাইপ্রাসনিকোশিয়াইউরো
স্পেনমাদ্রিদইউরো
লুক্সোমবার্গলুক্সেমবার্গইউরো
এস্তোনিয়াতাল্লিনইউরো
মোনাকোমোনাকোসিটিইউরো
লাটভিয়ারিগাইউরো
আইসল্যান্ডরিকজার্ভিকক্রোনা
ডেনমার্ককোপেনহেগেনক্রোনা
নরওয়েঅসলোক্রোনা
বৃটেনলন্ডনপাউন্ড স্টার্লিং
রাশিয়ামস্কোরুবল
সুইডেনস্টকহোমক্রোনা
তুরস্কআঙ্কারালিরা
মিশরকায়রোপাউন্ড
মরক্কোরাবাতদিরহাম
লিবিয়াক্রিপোলীদিনার
তিউনিসিয়াতিউনিসদিনার
সুদানখার্তুমপাউন্ড
আলজেরিয়াআলজিয়ার্সদিনার
নাইজেরিয়াআবুজানাইরো
কেনিয়ানাইরোবিশিলিং
সোমালিয়ামোগাদিসুশিলিং
মোজাম্বিকমাপুটোমেটিকাল
মাদাগাস্কারআলতানানরিডোফ্রাংক
মালিবামাকোফ্রাংক
মৌরিতানিয়ানোয়াকচটউজুইয়া
নামিবিয়াউইন্ডহুকডলার
সোয়াজিল্যান্ডমেবেনলিলানগিনি
তাঞ্জানিয়াদারুস সালামশিলিং
জিম্বাবুয়েহারারেডলার
কঙ্গোকিনসাসাজায়ার
উগান্ডাকাম্পালাশিলিং
মরিসাসপোর্ট লুইসরুপি
দক্ষিণ আফ্রিকাকেপটাউনর‍্যান্ড
ঘানাআক্রাসেডি
আইভরিকোস্টআবিদজানফ্রাংক
সেনেগালডাকারফ্রাংক
টোগোলোমফ্রাংক
সিয়েরালিয়ানফ্রি টাউনলিওন
ইথিওপিয়াআদ্দিস আবাবাবির
জিবুতিজিবুতিফ্রাংক
কানাডাঅটোয়াকানডিয়ান ডলার
যুক্তরাষ্ট্রওয়াশিংটন ডিসিডলার
মেক্সিকোমেক্সিকো সিটিপেসো
হন্ডুরাসতেগুসিগাপলাল্যামপিয়া
কোস্টারিকাস্যানজোসেকোলন
কিউবাহাভানাপেসো
ত্রিনিদাদ ও টোবাগোপোর্ট অবত্রিনিদাদ ও টোবাগো ডলার
বারবাডোজব্রিজটাউনডলার
জ্যামাইকাকিংস্টোনডলার
হাইতিপোর্ট অব প্রিন্সগুর্ডে
চিলিসান্টিয়াগোপেসো
ব্রাজিলব্রাসিলিয়াব্রাজিলিয়ান রিয়াল
উরুগুয়েমন্টিভিডিওপেসো
প্যারাগুয়েআসুনসিয়নগুয়রানি
পেরুলিমানিউ ভু সোল
গায়ানাজর্জ টাউনগায়ানা ডলার
কলম্বিয়াবোগোতাপেসো
ভেনিজুয়েলাকারাকাসবলিভার
আর্জেন্টিনাবুয়েন্স আর্য়াসপেসো
সুরিনামপ্যারামারিবোডলার
ইকুয়েডরকিটোমার্কিন ডলার
বলিভিয়ালাপাজবলিভিয়েনো
অস্ট্রেলিয়াক্যানবেরাঅস্ট্রেলিয়ান ডলার
নিউজিল্যান্ডওয়েলিংটনডলার
ফিজিসুভাডলার
উপরের ছক থেকে আমরা বিভিন্ন দেশের রাজধানী এবং মুদ্রার নাম জানা হলো।
আরো বিভিন্ন ধরনের তথ্য জানতে আমাদের সাইটে চোখ রাখুন।

মোবাইল দিয়ে ফেসবুকের সকল ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট এড করুন এক ক্লিকে

বর্তমানের সকল সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ফেসবুক। ফেসবুক হচ্ছে সবচাইতে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া।আমাদের এই ফেসবুক একাউন্টে অনেক সময় অনেক ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট একসাথে একসেপ্ট করতে হয়।এগুলো একটি একটি করে কনফার্ম করা অনেক কষ্টসাধ্য এবং সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তাই আমাদের অন্য উপায় খুঁজতে হয়।তবে কিছুদিন আগেও অনেক উপায় ছিল যেগুলো দ্বারা খুব সহজেই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গুলো একসাথে একসেপ্ট করা যেত। কিন্তু বর্তমানে সে সকল মেথড আর কাজ করছে না। আগে অনেক ওয়েবসাইট দ্বারা এবং অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে এসকল কাজ করা যেত। এবং বিভিন্ন জাভাস্ক্রিপ্ট ছিল যে গুলো দিয়ে খুব সহজেই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করে নেয়া যেত। কিন্তু তার অধিকাংশই বর্তমানে কাজ করে না। তাই আমি আপনাদের আজ দেখাব আপনার হাতের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কিভাবে আপনি খুব সহজে আপনার ফেসবুকের সকল ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করবেন। ওয়েবসাইট বা এপ্লিকেশন ছাড়াই।
আজ আমি দেখাব কিভাবে মোবাইল দিয়ে জাভা স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করবেন। এবং এক ক্লিকেই ফেসবুকের সকল ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করবেন  তা দেখাবো।
1⃣নিচে দেওয়া কোড গুলো কপি করুন -
Javascript:var confirmBtns = document.getElementsByTagName('button');

for (var i = 0; i < confirmBtns.length; i++) {

    if (confirmBtns[i].innerHTML == "Confirm") {

        confirmBtns[i].click();

    }

}
 2⃣যে কোন একটি ব্রাউজার ওপেন করুন। ব্রাউজারের ডেস্কটপ মোড অন করুন। এবং যে ফেসবুক একাউন্টের রিকোয়েস্ট গুলো একসেপ্ট করবেন সেটি লগইন করুন।
3⃣এর পরে এই লিংকে যান- www.facebook.com/reqs.php
4⃣আপনার একউন্টে যত গুলো রিকোয়েস্ট আচ্ছে তার বড় লিষ্ট দেখতে পাবেন।স্ক্রল করে নিচে গিয়ে দেখতে পাবেন SeeMore সেটিতে ক্লিক করে আপনার লিষ্ট টি বড় করুন।কারন লিষ্টে যত বেশি রিকোয়েস্ট হবে তত বেশি রিকোয়েস্ট একসেপ্ট হবে।
5⃣আপনার ব্রাউজারের সার্চ বারের ক্লিক করুন এবং লিখুন-
javascript: এবং লেখাটির উপরে কপি করা কোড গুলো পেস্ট করুন।
ব্রাউজারের GO বাটনে ক্লিক করে রান করুন।দেখবেন ফ্রেন্ড রিকোয়েস্টগুলো এক্সেপ্ট হতে শুরু করেছে। এবং কয়েক সেকেন্ডের ভিতর রিকোয়েস্ট একসেপ্ট হয়ে যাবে।
🚫সতর্কতা-
একসাথে অনেক রিকোয়েস্ট এভাবে করলে এবং বার বার করলে আইডিতে প্রবলেম হতে পারে তাই সাবধানতা অবলম্বন করুন।
🔥ফেসবুকের সমন্ধে আরো টিপ্স পেতে চান?
আমাদের সাইটের ইমেইল সাবস্ক্রিপশন বক্সে আপনার মেইল দিয়ে সাবস্ক্রাইব করুন।আমরা মেইল করে জানিয়ে দিব আপনাকে আমাদের পোষ্ট সম্পর্কে!

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন SEO কি এর প্রোয়জনীয়তা এবং প্রকারভেদ (seo basic information)

SEO(Search Engine optimize) হচ্ছে কোন ওয়েবসাইট বা ওয়েব পেজকে সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করা।যার মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনগুলো আপনার ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করবে এবং ব্যবহারকারীর সার্চ করা বিষয়বস্তুর সাথে যাচাই-বাছাই করে তা প্রদর্শন করবে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মূল কারণ হচ্ছে কোন ওয়েব পেজ বা ওয়েবসাইট কে তার উপযুক্ত ব্যবহারকারীর নিকট পৌঁছানো। কারণ আপনার ওয়েবসাইটটির নাম পৃথিবীর সকলে জানে না।তাই আপনি আপনার ওয়েবসাইটে কোন ধরনের সেবা প্রদান করছেন তা সবার জানাও সম্ভব নয়।কারণ আপনি কি নামে ওয়েবসাইট খুলেছেন তা সবাই জানে না।
আর এ কারণেই ব্যবহারকারী সরাসরি ওয়েবসাইট ভিজিট না করে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের সার্চ করে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফলের জন্য। যে তারা কোন ধরনের সেবা চায় তা লিখে সার্চ করলে যে সকল ওয়েবসাইট তাদের সার্চকৃত সেবা যারা প্রদান করে তাদের ওয়েবসাইটটি প্রদর্শন করে।
মনে করুন আপনি অনলাইনে একটি মোবাইল ফোনের দাম এবং এর ফিচার সম্পর্কে জানবেন। সেক্ষেত্রে আপনি নাও জানতে পারেন কাঙ্খিত মোবাইল ফোনটির রিভিউ কোন সাইটে আছে।তখন আপনি কি করেন আপনার মোবাইল ফোনটির মডেল ইত্যাদি যে সকল বিষয় জানতে চান তা লিখে সার্চ করেন।
সার্চ ইঞ্জিন মুহূর্তের মধ্যে কতগুলো রেজাল্ট আপনার সামনে তুলে ধরে।এবং তার ভিতরে যেটি সর্বোচ্চ যুক্তিযুক্ত মনে হয় সেই সাইটটি আপনি প্রবেশ করেন। 
এই যে আপনি সার্চ ইঞ্জিনে দেখে তাদের সাইটটিতে প্রবেশ করলেন।এই সাইটটি সার্চ ইঞ্জিনে দেখাতে অর্থাৎ আপনার সার্চ করা বিষয়বস্তুর সাথে মিলে গেলে আপনাররম সামনে তুলে ধরতে যে সকল কাজ করতে হয় তাকে বলা হয় এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন।

তাহলে আমরা বুঝতে পারলাম এসইও হচ্ছে কোন ওয়েবসাইট বা ওয়েব পেজে থাকা বিষয়বস্তু সম্পর্কে গ্রাহক সার্চ করলে পরে তার সামনে আপনার ওয়েবসাইটটি যাতে প্রদর্শন করে তার জন্য আপনাকে যে সকল কাজ করতে হবে সেটাই হচ্ছে এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন।
তাহলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি এ বিষয়ে বুঝলাম।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন দুই প্রকার -
⏩অন পেজ এসইও
⏩অফ পেজ এসইও
অন পেজ এবং অফ পেজ এসইও এর বিবরণ,
⏩অন পেজ SEO কী?

অন পেজ এসইও বলতে আমরা বুঝি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর জন্য ওয়েবসাইট এর অভ্যন্তরে যে সকল কাজ করা হয় তাকে।উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, রোবট টেক্সট, মেটা কী-ওয়ার্ড, মেটা টাইটেল ইত্যাদি সেট করা কে অন পেজ এসইও বলা হয়।
এক্ষেত্রে কিওয়ার্ড রিসার্চ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই কিওয়ার্ড নির্নয় করে আপনার সাইটটি কোন বিষয় এর উপর  তৈরি এবং আপনার সাইটে কোন ধরনের কনটেন্ট আছে।তাই সঠিক কিওয়ার্ড নির্ণয় করা একান্তই জরুরী একটি বিষয়।  
অফ পেজ SEO কি?

অফ পেজ এসইও বলতে বুঝানো হয়েছে যে সকল কাজ ওয়েবসাইট বাইরের কাজ কে। অর্থাৎ ওয়েব সাইটের প্রচারণা চালানোর জন্য অন্যান্য সাইটে যে সকল কাজ করা হয় তাকে। যেমন, ফোরাম,সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার, ব্লগিং, ডিরেক্টরি সাবমিট ইত্যাদি।
মূলত এ সকল কাজ করা হয় ওয়েবসাইট এর প্রচারণার জন্য। এবং গুগোল  ওয়েবসাইটটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা নির্ধারণ করে আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক  অন্যান্য কতগুলো ওয়েবসাইটে আছে তার উপর নির্ভর করে।তবে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে আপনি যে সাইটে আপনার সাইটের লিংক শেয়ার করলেন সিটি কতটা জনপ্রিয়। এবং গুগলের কাছে তার অবস্থান কি রকম। কারন যেসকল সাইট গুগলে রেংক করেন এরকম সাইটের লিংক শেয়ার করলে আপনার উপকারের চাইতে ক্ষতি হবে।
এক্ষেত্রে উদাহরণস্বরূপ বলা যায়,
আপনার ব্যাপারে যেকোনো কথা গ্রামের কয়েক জন সাধারণ মানুষ বলার চাইতে। গ্রামের মাতবর একা বললে সেটি বেশি গ্রহণযোগ্য হবে।
এর অর্থ হচ্ছে গুগলে যে সকল সাইট রেংক করেছে এবং ভালো পর্যায়ে আছে। সে সকল সাইটে আপনার  ব্যাক লিংক তৈরি করতে পারলে সার্চ ইঞ্জিন আপনাকে বেশি গুরুত্ব দেবে।
⏩এসইও আবার দুই ভাবে করা যায়,
১-পেইড SEO।
২-অর্গানিক SEO।
⏩পেইড SEO-
পেইড   অর্থাৎ নাম শুনে আপনি বুঝে গিয়েছেন যে এটি করতে হলে আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করতে হবে।এবং আপনার কীওয়ার্ড এর সাথে মিললে সার্চ ইঞ্জিন সবার উপরে আপনার রেজাল্ট দেখাবে।
⏩অর্গানিক SEO-
সার্চ ইঞ্জিন এর সকল নিয়ম কানুন মেনে জে এসইও করা হয় তাকে অর্গানিক এসইও বলে।
তাহলে আমরা পোস্টটি থেকে বুঝতে পারলাম এস ই ও কি। কেন করা হয়। এবং এর প্রক্রিয়া সম্পর্কে।
পরবর্তীতে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা হবে এসইও সম্পর্কে।

Brave Browser এ কাজ করে কিভাবে পেমেন্ট নিবেন A to Z

Brave Browser এ কাজ করার জন্য আমি আপনাদের গত পোস্টে বলেছিলাম।অনেকে জয়েন করেছেন।আবার অনেকে করছেন না এটা ভেবে সত্যি কি টাকা দেবে!আচ্ছা বলুন তো পেমেন্ট না দিলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করে আমার লাভ কি?কোন লাভ নেই।এটি থেকে আমি গত মাসে ৪০+ ডলার আয় করেছি।কিন্তু আয় আরো বেশি হতো কিন্তু সময় দিতে পারিনাই বলে আয়ের পরিমান টা কম ছিল।যাই হোক আমি আপনাদের আজ দেখাবো কিভাবে আপনারা Brave Browser থেকে আয় করবেন এবং পেমেন্ট নিবেন তার A to Z.
আপনারা যারা এখনো জয়েন করেন নাই তারা এই লিংক থেকে এখনি জয়েন করুন।
⏩উপরের লিংক হতে brave browser টি ডাউনলোড করুন।
⏩লিংকে প্রবেশ করার পরে উপরে তিন ডট অপশন দেখতো পাবেন।সেটিতে ক্লিক করে Content creator সিলেক্ট করুন Sing Up এবং sing in অপশন আসবে।সেখান থেকে Singh up ক্লিক করে ফাকা ঘরে আপনার জিমেইলটি দিন।এবং continue ক্লিক করুন।
⏩আপনার জিমেইল চেক করুন দেখবেন  একটি লিংক পাঠিয়েছে।সেটি ক্লিক করে মেইল ভেরিফাই করে নিন।
⏩ব্রাউজারটি ডাউনলোড হলে ওপেন করুন।brave.com ↔ content creator↔sing in↔যে জিমেইল টি দিয়ে sing up করেছিলেন সেটি দিয়ে sing in করুন।লগিন লিংক আপনার জিমেইলে পাবেন।
বুঝতে কোথায়ও সমস্যা হলে পোস্টটি দেখুন- click hare
লগিন করা হলে আপনার সামনে এরকম একটি পেজ আসবে।

⏩ছবিতে দেখছেন 22.26  BAT এটি আপনার আর্নিং।
⏩Refaral promo stats আপনার রেফারেলে কতজন জয়েন করেছে তার ডিটেলস।
⏩এখানে একটি আপহোল্ড একাউন্ট কানেক্ট করুন।
⏩আপহোল্ড একাউন্ট খুলতে ক্লিক করুন- click hare

⏩Add channel এখানে একটি  ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব চ্যানেল এড করতে হবে।ওয়েব সাইট থাকলেও  ইউটিউব চ্যানেল এড করাই উত্তম কারন এটি আপনার জন্য সহজ হবে।
Refaral link  লেখাতে ক্লিক  করুন।তাহলে আপনার রেফারেল লিংক কপি হয়ে যাবে।
আপনি লিংক টি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া  এবং আপনার বন্ধুদের শেয়ার করার মাধ্যমে তাদের ব্রাউজার টি ডাউনলোড করে ১ মাস ব্যবহার করলেই পাবেন ৫ ডলার প্রতি ডাউনলোডে যা ৪০০-৪৫০ টাকার সমান।
⏩এছাড়া ব্রাউজিং করেও আয় করতে পারবেন।
⏩১ এ  ক্লিক করুন  এবং ২ নং আপশনের জায়গায় creat wallet অপশন আসবে। সেটিতে ক্লিক করে আপনি Show add অন করে দিন।তাহলে মাসের ২৫ তারিখ আপনার এখানে কয়েন জমা হবে।সেটি আপনার মেইন  একাউন্টে টিপস করার মাধ্যমে নিতে পারবেন।
⏩আপনার ব্রেভ একাউন্টের ব্যালেন্স প্রতি মাসের ৯ তারিখ আপনার আপহোল্ড একাউন্টে ট্রান্সফার করে দিবে তারা।
⏩আপ হোল্ড হচ্ছে একটি ক্রিপটোকারেন্সির  ওয়ালেট।সেখান থেকে আপনি কিভাবে টাকা বিকাশে নিবেন তা পরবর্তী টিউটোরিয়ালে দেখিয়ে দেওয়া হবে।

গুগল তৈরির ইতিহাস এবং google নাম দেওয়া হয় যেভাবে

বর্তমানে পৃথিবীর সেরা সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে গুগল।গ্রাহক যে বিষয়ে সার্চ করুক না কেন তার সাথে সম্পর্কিত সব চাইতে কার্যকর ফলাফল প্রদান করছে গুগল।আমরা কোন কিছু সার্চ করলে সাথে সাথে এই গুগল শত শত রেজাল্ট দেখায় যেগুলো যুক্তিযুক্ত, মানসম্মত এবং যেগুলো সর্বাধিক মানসম্পন্ন রেজাল্ট গুলো উপরে দেখায় । গুগলের শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিন বাদেও আরো বহুজাতিক ব্যবসা রয়েছে। এবং গ্রাহককে সর্বাধিক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে এটি বিশ্বের এক নম্বর স্থান দখল করে নিয়েছে। এবং গুগলের সেবার মানের কারণে গ্রাহকের এর উপর কৌতুহলও কম নয়। তাহলে আসুন জেনে নেয়া যাক গুগল কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এর যাত্রা শুরু হয় কিভাবে এই সম্পর্কে!
ল্যারি পেজ এবং সের্গেই ব্রিন এরা ছিলেন ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএসডির দুজন ছাত্র। তখন সময়টা ছিল ১৯৯৬ সাল।তখনকার সার্চ ইঞ্জিনগুলো ছিল, সার্চ করা বিষয় গুলো কতবার সার্চ ইঞ্জিনের পাতায় এসেছে তার উপর ভিত্তি করে তারা রেজাল্ট দেখাতো।যার ফলে সর্বাধিক যুক্তিযুক্ত ফলাফল পাওয়া যেত না।তাই তাদের বিষয় ছিল এমন একটি সার্চ ইঞ্জিন  বানানোর যা তখনকার বর্তমান সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিন্ন হবে এবং সর্বাধিক যুক্তি যুক্ত ফলাফল দেখাবে।যার ফলে ব্যবহারকারী সর্বাধিক সেবা পাবে।

এটি সার্চ টার্মের  সাথে অন্যান্য ওয়েবসাইট গুলো  কতটা সম্পর্কযুক্ত তার ওপর নির্ভর করে ফলাফল দেখাবে।
ল্যারি পেজ এবং সার্গেই ব্রিন প্রথমে এটিকে পেজরেঙ্ক  নামে আখ্যায়িত করেন।
এবং তাদের এই সার্চ ইঞ্জিনের নাম রাখা হয় "ব্যাকরাব" এটির নাম এরকম রাখার প্রধান কারণ হচ্ছে,তারা ওয়েবসাইটটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বোঝার জন্য ওয়েব সাইটের ব্যাকলিংক যাচাই করত।পরবর্তীতে এর নাম ভুল করে রাখা হয় "googol"এর মানে হচ্ছে একটি সংখ্যার পেছনে 100 শূন্য রয়েছে।আর এরকম নামকরণ করার কারণ হচ্ছে তারা চেয়েছিল ব্যবহারকারীকে বিপুল পরিমাণ তথ্য সরবরাহ করতে।
প্রথমে যখন সার্চ ইঞ্জিনটি  যাত্রা শুরু করে তখন এটি চলত স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইট এর অধীনে।এবং গুগল এর ঠিকানা ছিল google.stanford.edu এবং z.stanford.edu
১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭ সালে googl.com নামে তাদের ডোমেইন নিবন্ধিত হয় এবং তারা কর্পোরেট হিসেবে যাত্রা শুরু করে।এবং তারা গুগল কে পরিচালনা করতো সুজান ওজচিচকি নামক  একটি গ্যারেজ থেকে যেটি ছিল তাদের এক বন্ধুর।এবং গুগলে প্রথম নিয়োগ পান স্টানফোর্ডের ফেলো পিএইচডি ডিগ্রি প্রাপ্ত একজন ছাত্র।
তাদের একমাসে ১ বিলিয়ন ইউনিক ভিজিটর পার হয় ২০১১ সালের  মে মাসে।২০১০ সালের মে মাস হতে যা ছিল ৮.৪ ভাগ বেশি।এবং তার ২০১২ সালে বার্ষিক আয় করেন ৫০ মিলিয়ন ডলার এটি ঘোষনা দেন ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে।যা ছিল ২০১১ সাল হতে ১২ বিলিয়ন ডলার বেশি।
গুগল সদরদপ্তর গুগলপ্লেক্স
প্রথমে এটি প্রাইভেট কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত
হলেও পরবর্তিতে তা পাবলিক কোম্পানিতে রুপান্তরিত হয়।
ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন
 গুগল সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য-

প্রাক্তন নাম
গুগল ইনকর্পোরেটেড (১৯৯৮—২০১৭)
ধরন
অধীনস্থ
শিল্প
  • ইন্টারনেট
  • সফটওয়্যার
  • হার্ডওয়্যার
প্রতিষ্ঠাকাল৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ (২০ বছর আগে) মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
প্রতিষ্ঠাতাসমূহ
  • ল্যারি পেজ
  • সের্গেই ব্রিন
সদরদপ্তর১৬০০ এম্পিথিয়েটার পার্কওয়ে, মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়াযুক্তরাষ্ট্র
বাণিজ্য অঞ্চল
বিশ্বব্যাপী
প্রধান ব্যক্তি
  • সুন্দর পিচাইচ (প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা)
  • রুঠ পোরাট (প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা)
কর্মীসংখ্যা
৮৫,০৫০ (২০১৮)
মূল প্রতিষ্ঠানআলফাবেট ইনকর্পোরেটেড (২০১৫—বর্তমান)
ওয়েবসাইটgoogle.com

Cryptoxygen এয়ার্ড্রপ থেকে কামিয়ে নিন ১০০+ ডলার পেমেন্ট পাবেন ১০০%

সুপ্রিয় পাঠক আজ আমি আপনাদের মধ্যে এমন একটি এয়ার্ড্রপ শেয়ার করবো যেটি থেকে আপনি ন্যূনতম ১০০+ ডলার আয় করতে পারবেন সামান্য পরিশ্রম করেই।এটি একটি ico এয়ারড্রপ।এবং এয়ার্ড্রপ দ্বিতীয় রাউন্ড চলতেছে।তাহলে কিভাবে কাজ করতে হবে জেনে নেওয়া যাক।
এর নাম হচ্ছে cryptoxygen এয়াড্রপ।
এটি এক্সেন্জ লিস্টেড  তাই পেমেন্ট পাবেন 100% 
এয়ার কোন পদে জয়েন করতে যে সকল জিনিস লাগবে তা হচ্ছে-
(১)একটি টেলেগ্রাম একাউন্ট।
(২)একটি টুইটার একাউন্ট।
(৩)একটি ফেসবুক একাউন্ট।
(৪)একটি ইমেইল এড্রেস।
(৫)একটি ERC20 ওয়ালেট ইথেরিয়াম এড্রেস।
আপনার যদি এসকল কিছু থাকে তাহলে চলুন কাজ শুরু করা যাক।আর যদি না থাকে তো তৈরি করে নিন-
এয়াড্রপ লিংক- CryptoxygenAirdrop
উপরের লিংক হতে টেলেগ্রাম বটে জয়েন করুন জয়েন করুন।

  
বোটে START করে।
-প্রথমে টেলেগ্রাম গ্রুপে জয়েন করুন।
-তাদের টেলেগ্রাম চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।
-তাদের টুইটার গ্রুপে ফলো করুন এবং তাদের লাস্ট 3 টি পোস্টে লাইক দিন।
-লাস্ট তিনটি টুইট রিটুইট করুন।
-তাদের ফেসবুক পেজে ফলো করুন এবং লাইক দিন।

-ফেসবুক পেজে লাস্ট 3 টি পোস্ট লাইক করুন এবং শেয়ার করুন।
-sistemkoin.com এ রেজিস্টার করুন।
সকল স্টেপ কমপ্লিট হলে আপনাকে জিজ্ঞেস করা হবে আপনি উপরের সবগুলো কমপ্লিট করছেন কিনা।
কমপ্লিট করে থাকলে ইয়েস বাটন ক্লিক করুন।
এরপরে ওয়েব সাইটে যে ইমেইল দিয়ে রেজিস্টার করতে চাইবে।এবং ইমেইলটি দিন।
আপনার টুইটার ইউজার নেম চাইবে সেটি দিন।
ফেসবুক একাউন্ট লিংক দিন!
এরপরে ERC20 টেকেন ওয়ালেট ইথেরিয়াম এড্রেস দিন।এবং ক্যাপচা সম্পন্ন করুন।
সকল কাজ সম্পন্ন হলে আপনি আপনার রেফারেল লিংক পেয়ে যাবেন শুধু কপি করে আপনি অন্যদের ইনভাই করুন।

আপনি সবগুলো কাজ কমপ্লিট করলেই পেয়ে যাবেন 270 OXY2

প্রতি ইনভাইটে পাবেন ১২ oxy2 যার মুল্য ২+ ডলার!
এটি sistemkoin লিস্টেট তাই পেমন্ট নিশ্চয়তা ১০০%

পানি পানের সঠিক নিয়মাবলী (top 10)

পানি আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান।তাই আমাদের পানি পানের প্রয়োজনীয়তা জেনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরী।শুধুমাত্র পানি পান করলে যে উপকারিতা পাওয়া যায় তা কিন্তু নয়।পানি পানের জন্য রয়েছে সঠিক কিছু নিয়ম কানুন।আসুন তাহলে জেনে নেই পানি পানের কয়েকটি সঠিক নিয়ম।
কথায় আছে পানির অপর নাম জীবন। কারণ পানি ছাড়া জীব বাঁচতে পারে না।কোন রকম খাদ্য ছাড়া জীব কয়েক দিন বেঁচে থাকতে পারে কিন্তু পানি ছাড়া কোনভাবেই বেঁচে থাকা সম্ভব নয় সেটি আমরা সকলেই জানি।তাই আমাদের প্রত্যেককে প্রতিদিন পানি পান করতে হয়।পানের প্রয়োজন যে শুধুমাত্র জীবন ধারণ করতে তা কিন্তু নয় পানি পানের ফলে আমাদের শরীরের বিভিন্ন রোগ জীবাণু,রক্তের দূষিত পদার্থ দূর হওয়া ছাড়াও দেহের প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কে সচল রাখতে সাহায্য করে।পানি পানের রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম কানুন সেগুলো মেনে পানি পান না করলে শরীরের উপকারিতার চেয়ে ক্ষতিকর দিকটি বেশি হবে।
১-আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা একবারে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করেন। যেগুলো আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। একবারে অধিক পরিমাণে  পানি পানের ফলে আমাদের শরীরের ভিতর হঠাৎ করে চাপের সৃষ্টি হয়। যার ফলে আমাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতিসাধন হতে পারে।তাই আমাদের সকলের উচিত অল্প অল্প করে পানি পান করা।
২-কখনোই দাঁড়িয়ে পানি পান করা উচিত নয়। কারণ দাঁড়িয়ে পানি পান করলে আমাদের শরীরে পানির ভারসাম্য নষ্ট হয়।এর ফলে আমাদের জয়েন্টে পানি জমে আর্থাইটিস রোগের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায় কয়েক গুন।তাই আমাদের উচিত সবসময় বসে তারপর পানি পান করা।
৩-ঘুম থেকে উঠে পানি পানের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কারণ ঘুম থেকে উঠে পানি পান করলে আমাদের শরীরের রোগ জীবাণু  গুলো বের হয়ে যায়। এবং অধিকাংশ রোগ হতে মুক্ত থাকা যায়।
৪-খাদ্য গ্রহণের অন্তত এক থেকে দুই ঘন্টা পরে পানি পান করা উচিত। তা না হলে আমাদের হজম প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
৫-আমাদের শরীরে পানির পরিমাণ কমতে থাকলে বিভিন্ন ধরনের লক্ষণ দেখা দিতে থাকে যেমন প্রস্রাব হলুদ হয়ে যাওয়া। গলা শুকিয়ে যাওয়া ইত্যাদি সোহেল লক্ষণ দেখা দিলে অতি শিঘ্রই পানি পান করতে হবে।
৬-ভারী খাবার গ্রহণের পূর্বে পানি পান করুন। কিন্তু খাদ্য গ্রহণের পরে কখনোই পানি পান করবেন না। কারণ এতে আপনার হজম প্রক্রিয়া ব্যহত করবে এবং শরীরের নানান সমস্যার সম্মুখীন হবে। 
৭-পানি স্বল্পতার কারণে প্রস্রাব হলুদ হলে বারবার পানি পান করুন বেশি পরিমাণে।কিন্তু প্রস্রাব স্বাভাবিক হয়ে গেলে হবে না অতিরিক্ত পরিমাণে পানি পান করবেন না।
৮-ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম  করার সাথে সাথে কখনো পানি পান করবেন না।কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে তারপর পানি পান করুন।
৯-পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে ভাইরাসজনিত রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তাই আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিত।
১০-ঘুম থেকে উঠার অবশ্যই কমপক্ষে এক থেকে দুই গ্লাস পানি পান করতে হবে।এর অভ্যাস না থাকলে অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।এবং উপকারিতা আপনি নিজেই টের পাবেন।