ক্যান্সার কি এর কারন এবং লক্ষণ সমূহ

ক্যান্সার এই শব্দটি আমাদের বর্তমান বিশ্বে একটি বহুল প্রচলিত এবং ভয়াবহ একটি রোগের নাম। বর্তমানে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর  সংখ্যা এবং হার দিন দিন বেড়েই চলেছে। ক্যান্সারের অপর নাম হচ্ছে কর্কট রোগ। বর্তমান বিশ্বে ক্যান্সার ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও এর কোনও সঠিক এবং সম্পূর্ণ নিরাময় যোগ্য কোন চিকিৎসা আবিষ্কার করা এখনো সম্ভব হয়নি। তবে ক্যান্সার নিরাময় করা দুঃসাধ্য হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে ক্যান্সার শুরুর দিকে ধরা পড়ে না। যখন রোগীর শরীরে ক্যান্সার বিস্তার লাভ করে এরপর এই ক্যান্সার ধরা পড়ে যার কারণে ক্যান্সার থেকে সুস্থতা লাভ করা খুবই কষ্টসাধ্য একটি ব্যাপার। তবে আমাদের  মাঝে অনেকেই আছেন যারা ক্যান্সার সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন না। এবং বিভিন্ন ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে বাস করেন। আমার আজকের পোস্টটি লেখার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে ক্যান্সার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা।
cancer treatment,what is cancer,prostate cancer,hodgkin's disease,lymphoma,leukemia,health care,health articles,gganbitan

আমাদের শরীর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অসংখ্য কোষ দ্বারা গঠিত। এই কোষগুলো এর নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত করার পরে নষ্ট হয়ে যায় এবং নষ্ট হওয়া কোষের স্থানে নতুন  কোষ এর জন্ম ঘটে।
সাধারণ অবস্থায় এই কোষগুলো একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবং নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বিভাজিত হয় এবং নতুন কোষ এর সৃষ্টি হয়। কিন্তু যখন এই কোষ বিভাজনে সমস্যা বা গোলযোগ  দেখা দেয় ঠিক তখনই ক্যান্সার এর উৎপত্তি হয়। কোষ বিভাজনের গোলযোগের কারণে দেহের যে কোন জায়গায় মাংসপেশীগুলো দলা পাকিয়ে যায় প্রথম অবস্থায় একে টিউমার বলা হয়।  এই টিউমার বিনাইন বা ম্যালিগন্যান্ট কে ক্যান্সার বলা হয়। তবে এই অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত কলা বা টিস্যু  যদি আশেপাশের টিস্যু বা কলা কে ভেদ করতে না পারে  কবে তা ক্যান্সার নয় এবং এর নাম দেওয়া হয়েছে বিনাইন টিউমার বা নিরীহ টিউমার এটি মূলত ক্যান্সার নয়।
cancer treatment,what is cancer,prostate cancer,hodgkin's disease,lymphoma,leukemia,health care,health articles,gganbitan

তবে এই কলা বা টিস্যু যদি পার্শ্ববর্তী অন্য টিস্যু ভেদ করতে সক্ষম হয় তখন তা ক্যানসারে রূপান্তরিত হয়। এবং একে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার বা ক্যান্সার বলা হয়। তবে অনেক ম্যালিগন্যান্ট  টিউমার বা ক্যান্সার  প্রথমে নিরীহ টিউমার বা বিনাইন টিউমার হিসেবে দেখা দেয় এবং পরবর্তীতে তার পার্শ্ববর্তী কোষ কে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং ক্যান্সার সৃষ্টি করে।
আমরা এর থেকে ক্যানসার কি তা জানতে পারলাম। আমরা এ বিষয়ে পরিষ্কার বুঝতে পারলাম যে অনিয়ন্ত্রিত  কোষ বিভাজনে হচ্ছে ক্যান্সার। তাহলে ক্যান্সারের কিছু কারণ জেনে নেয়া যাক-
মূলত ক্যান্সারের সঠিক কোন কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে বিজ্ঞানীরা গবেষণার মাধ্যমে জানতে পেরেছে যে ক্যান্সার বেশ কিছু কারণে হয়ে থাকে এর মধ্যে কয়েকটি কারণ হলো, বয়স হচ্ছে ক্যান্সারের অন্যতম একটি কারণ যখন আমাদের বয়স বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং আমরা জানি বয়স বৃদ্ধির ফলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও আস্তে আস্তে কমে যেতে থাকে যার ফলে আমাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগ বাসা বাঁধে। ঠিক ক্যান্সার ও এভাবেই আমাদের শরীরকে আক্রান্ত করে। ক্যান্সার মূলত বেশি দেখা যায় 60 থেকে 70 বছর এর উপরের বয়সের মানুষের ক্ষেত্রে। কারণ এই বয়সের মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সাধারণত কম বয়সী মানুষের তুলনায় অনেক কম। তাই এই বয়সে মানুষ খুব সহজেই ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারে।
 খাদ্যভ্যাস ক্যান্সারের অন্যতম একটি কারণ। এছাড়া মদ্যপান ধূমপান ইত্যাদি নেশা জাতীয় দ্রব্য যারা  সেবন করে তাদের ক্ষেত্রে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। এরা মূলত ফুসফুস ক্যান্সার, কন্ঠনালী এবং লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত বেশি হয়। এছাড়া অতিরিক্ত লবণ এবং চিনির যুক্ত খাবার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া যারা পরিশ্রম করে না তাদেরও ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
সাম্প্রতিক গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা জেনেছে ক্যান্সারের সাথে বংশগতি বা জিনগত সম্পর্ক রয়েছে।
 পূর্ব পুরুষদের মধ্যে যদি কেউ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় তাহলে তার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ও ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়।
ক্যান্সারের লক্ষণ সমূহ হলো, প্রচন্ড পরিমানে ক্লান্তি বোধ করা, খাওয়ার প্রতি রুচি কমে যাওয়া এবং ক্ষুধা না লাগা, মানসিক ভাবে অস্বস্তি বোধ করা, ওজন প্রচন্ড পরিমাণে কমে যাওয়া, জ্বর রাতে ঠান্ডা লাগা বা ঘেমে যাওয়া ইত্যাদি এছাড়াও দীর্ঘস্থায়ী কাশি এবং গলা ভাঙ্গা। এবং শরীরের কোন জায়গায় চাক বা দলা পাকানো দেখা দেয়া ইত্যাদি লক্ষণ হতে পারে।
এই মরণ ব্যাধি ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য বিজ্ঞানীরা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে।কিন্তু এর পরেও এখন পর্যন্ত ক্যান্সার এর কোন সঠিক চিকিৎসা আবিষ্কৃত হয়নি। তাই যদি প্রথম অবস্থায় ক্যান্সার ধরা পড়ে তাহলে এর থেকে মুক্তি পাওয়া অনেকাংশে সম্ভব। তবে ক্যান্সারের ক্ষেত্রে সফলতা চাইতে ব্যর্থতার পরিমাণই বেশি এখন পর্যন্ত।

ব্লগের পোস্টের permalink বদলান খুব সহজেই

 আজ আমরা আলোচনা করব এমন একটি বিষয় নিয়ে  যে বিষয়টি যারা ব্লগ করে তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সেটি  হচ্ছে ব্লগের লিংক পরিবর্তন করা বা ইচ্ছামত পোষ্টের লিংক ঠিক করে দেওয়া। অর্থাৎ ব্লগের premalink কাস্টমাইজ করা।
 how to change my bologger post link

আমরা অনেকেই আছে যারা ব্লগিং করি।ব্লগিং এর কয়েকটি বিষয় রয়েছে যার মাধ্যমে আমাদের ব্লগ মানুষের সামনে তুলে ধরা সম্ভব। এবং আরো কতগুলো বিষয় রয়েছে যার মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনে আমাদের ব্লগ একটি ভাল স্থান করে নিতে পারে। মূলত একটি ব্লগে আপনি যতই ভালো কনটেন্ট পাবলিশ করেন না কেন যদি  তা আপনি মানুষের সামনে তুলে ধরতে না পারেন তাহলে আশানুরূপ ভিজিটর পাওয়া আপনার পক্ষে সম্ভব হবে না। আর মানুষের মধ্যে তুলে ধরার সবচেয়ে একটি ভালো উপায় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও। এর মাধ্যমে আমরা আমাদের  ব্লগ এ মানুষের সামনে উপস্থাপন করতে পারি। এবং আশানুরূপ ভিজিটর পেতে পারি কারণ ব্লক বা একটি ওয়েবসাইটের ভিজিটর হচ্ছে ওই সাইটের প্রাণ।
আর এই এসইও কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ব্লক পোষ্টের লিংকে পোষ্টের কিওয়ার্ড থাকা। আপনার ব্লগের পোস্ট এ যদি আপনার সাইটের পোষ্টের কী ওয়ার্ড থাকে তাহলে আপনার পোষ্টটি খুব সহজেই সার্চ ইঞ্জিন  ভিজিটরের সামনে তুলে ধরবে। তবে  আমরা যারা ব্লগিং করি তাদের পোস্ট গুলো পাবলিশ করলে পরে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লিংক গুলো এরকম হয়ে যায়(www.gganbitan.com/30/04/2019/bolog post-29/?-html)।
এক্ষেত্রে ভিজিটর আপনার লিঙ্ক থেকে কোন ভাবেই বুঝতে পারবে না এই পোস্টটি কি বিষয়ের উপর করা হয়েছে। এবং সার্চ ইঞ্জিন ও আপনার পোস্টটি পড়ে ততটা গুরুত্ব দিবে না।
এ কারণে সার্চ ইঞ্জিনে টপে আপনার ব্লগের পোস্ট নিয়ে আসতে সমস্যা হবে। তাহলে  চলুন আমরা জেনে নেই কিভাবে ব্লগের পোস্ট এর লিঙ্ক ইচ্ছেমতো কাস্টোমাইজ করে দিব-
প্রথমে আপনার ব্লগের কন্ট্রোল প্যানেলে প্রবেশ করুন এবং যে  পোস্টটির লিংক আপনি চেঞ্জ করতে চাচ্ছেন সেটি সিলেক্ট করু। এরপরে পোস্টটির এডিট অপশনে যান।
premalink chang
এডিট অপশনে গেলে আপনার সামনে  পোস্টটির সম্পুর্ণ এডিট অপশন। আপনি প্রথমে পোস্টটি  ড্রাফট সেভ করুন  এর ফলে আপনি পোস্টটি সম্পুর্ণ এডিট করতে পারবেন।
blogger tutorial for change blog post premalink change
আপনি স্ক্রিনশট অনুযায়ী কাজ করুন। এর ফলে আপনার সামনে এরকম একটি ইন্টারফেস চলে আসবে,

এই অপশনটি এলে আপনি automatic premalink এ টিক  দেওয়া দেখতে পাবেন আপনি এটিকে custom premalink করে দিন। এর ফলে একটি বক্স ওপেন হবে যেখানে আপনি আপনার পোস্ট এর   লিংক কি রকম রাখতে চান তা ঠিক করে দিতে পারবেন এবং এর ফলে আপনার দেয়া লিংক অনুসারে পোষ্টের লিংক তৈরি হবে।

আসুন ওয়েব ডিজাইন শিখি বাংলায় এবং সম্পূর্ণ ফ্রিতে

বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং পেশা একটি জনপ্রিয় এবং স্মার্ট পেশা হিসেবে সমাদৃত হয়েছে। বাংলাদেশের অধিকাংশ যুবক যুবতী বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং পেশার উপরে ঝুঁকছে। ফ্রিল্যান্সিং এমন একটি পেশা যা থেকে অর্থ উপার্জন করতে আপনাকে কোন প্রকার প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে হবে না বা কোন ধরাবাধা নিয়ম এর ভিতর কাজ করতে হবে না।

 এটি মুক্ত এবং স্বাধীন পেশা হিসেবে  পরিচিত।  এবং এ পেশায় উপার্জনের পরিমাণটাও  সাধারণত যে কোনো ভালো মানের চাকরিজীবীর থেকে কোন অংশে কম নয় বরং তাদের থেকে অনেক বেশি।  বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের পেক্ষাপটে কোন সরকারি চাকরি বা ভাল কোন বেসরকারি চাকরি পেতে ও  ঘুষের প্রয়োজন  পরে। এক্ষেত্রে আপনি যদি একজন যোগ্য ব্যক্তি হন তার পরেও নিশ্চিত ভাবে বলা যায় না আপনি চাকরিটি পাবেন। যদি না আপনি যথেষ্ট পরিমাণ ঘুষ প্রদান করতে না পারেন। এখানে আপনার যোগ্যতার চাইতে অর্থের প্রাধান্যটাই বেশি। অপরদিকে ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা বা সার্টিফিকেট বিবেচনা করে কাজ করা হয় না। এটা সম্পূর্ণই আপনার মেধা এবং যোগ্যতার পরীক্ষা দেওয়ার একটি ক্ষেত্র। তাই এখানে সফলতা অর্জন করতে হলে আপনাকে অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে নিজেকে। অন্যথায় কোন প্রকার উপার্জন আপনার দ্বারা সম্ভব হবে না।

ফ্রিল্যান্সিং পেশায় বিভিন্ন ধরনের কাজ থাকে এর ভিতরে কয়েকটি কাজ হচ্ছে ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন,এসইও( SEO) ছাড়াও অনেক কাজ যেমন সিপিএ মার্কেটিং,এফিলিয়েট মার্কেটিং ছাড়াও অনেক কাজ। তবে সকল কাজের মধ্যে সবচাইতে জনপ্রিয় এবং অত্যাধিক চাহিদা সম্পন্ন কাজটি হচ্ছে ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভলপমেন্ট।
তবে একজন দক্ষ এবং ভালো মানের ওয়েব ডিজাইনার এবং ডেভেলপার হতে হলে আপনাকে প্রচুর পরিমাণে পরিশ্রম করতে হবে। এবং ধৈর্য্যসহকারে কাজ শিখতে হবে। আপনি যদি মনে করেন দুই থেকে এক মাস প্র্যাকটিস করে একজন ওয়েব ডিজাইনার ও ডেভেলপার হবেন তাহলে এ সেক্টরটি আপনার জন্য নয়।  এবং শেখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত মনোযোগী হতে হবে তা না হলে আপনি পূর্ণাঙ্গভাবে কাজ শিখতে পারবেন না। এটি শিখতে হলে আপনাকে নূন্যতম এর বেসিক জানার জন্য তিন চার মাস কষ্ট করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি একজন দক্ষ ওয়েব ডিজাইনার বা ডেভলপার হতে পারবেন না। আপনার যখন এর বেসিক বিষয় জানা হবে। এরপরে আপনাকে একজন প্রফেশনাল ওয়েব  ডিজাইনার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে সেক্ষেত্রে এক থেকে দুই বছর সময় লেগে যেতে পারে। এবার ধরে নেই আপনি আপনার মন স্থির করেছেন ওয়েব ডিজাইন শেখার জন্য। তাহলে পরের প্রশ্ন হচ্ছে আপনি কাজ শিখবেন কিভাবে?

কাজ শেখার অনেক উপায় রয়েছে যেমন আপনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে কোর্স করতে পারেন। তবে সে ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান বিষয়ে আপনাকে খোঁজ খবর নিয়ে তারপরে তাদের থেকে কাজ শেখা উচিত। কারণ বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা শুধুমাত্র অর্থ উপার্জনের জন্য মানুষের সাথে ধোঁকাবাজি করে। তাই তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে তারপরে তাদের থেকে ট্রেনিং গ্রহণ করুন। এছাড়া আপনি অনলাইনের মাধ্যমেও কাজ শিখতে পারবেন সে ক্ষেত্রে আপনি যদি ইংলিশে পারদর্শী হন তাহলে www.udemy.com হতে অনলাইন কোর্স করতে পারেন। এছাড়া বাংলায় কোর্স করার জন্য রয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যারা অনলাইন ভিত্তিক ওটস এর ডিভিডি সেল করে থাকে।
আপনি চাইলে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে ওয়েব ডিজাইন শিখতে পারেন বা শেখা শুরু করতে পারেন। এর জন্য জনপ্রিয় একটি অ্যাপস হচ্ছে slowlearn এটি  ইংলিশে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে ওয়েব ডিজাইন শেখার একটি জনপ্রিয় অ্যাপস।
আপনি যদি ইংলিশে পারদর্শী না হন তাহলে আপনি বাংলায় ওয়েব ডিজাইন শিখতে পারেন। এক্ষেত্রে প্রথমেই বলেছি আপনি দেশীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অথবা অনলাইন কোর্স  ডিভিডি কিনে করতে পারেন। আপনি চাইলে বাংলাতেও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ওয়েব ডিজাইন শিখতে পারেন এক্ষেত্রে জনপ্রিয় একটি ওয়েবসাইট হচ্ছে www.sattacademy.com এই ওয়েবসাইটটি সম্পূর্ণ বাংলাতে এবং একদম বিনামূল্যে ওয়েব ডিজাইন শিখিয়ে থাকে। তবে আপনি যদি নতুন হন তাহলে আমি আপনাকে এই সাইটটি সাজেস্ট করব। এর প্রধান কারণ হলো প্রথমত এই সাইটটি সম্পূর্ণ বাংলায় তাই আপনাকে বুঝতে কোন অসুবিধা হবে না, সাইটটি ওয়েব ডিজাইন একদম শুরু থেকে বেশি সবকিছু খুব ভালোভাবে এবং বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হয়েছে। এবং আপনি যে টুকু শিখলেন তা এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্র্যাকটিস করতে পারবেন। তাহলে যারা ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট শিখতে চান তারা অবশ্যই সাইটটি ঘুরে আসবেন এবং ভালো লাগলে  এই ওয়েবসাইট থেকে কাজ শিখতে পারেন আশা করি কোথায় ও বুঝতে কোন সমস্যা হবে না। আর আমি আপনাদেরকে পরামর্শ দিব যে, কাজ যেটুকুই শিখবেন তা ভালোভাবে শিখবেন এবং কাজ শেখার করে বার বার প্র্যাকটিস করবেন। এতে করে আপনার কাজ  শেখা ফলপ্রসূ হবে। অন্যথায় আপনি যদি কাজ শিখে প্র্যাকটিস না করেন তাহলে আপনার শেখা কোথায় কাজে আসবে না। কারণ আপনি যে টুকু শিখবেন তা আবার ভুলে যাবেন এবং কর্মক্ষেত্রে আপনার শিক্ষা প্রয়োগ করতে পারবেন না। আর এজন্যই কাজ শেখার পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে প্রাক্টিস করুন।

ব্লাডপ্রেসার কেন হাই হয় এবং প্রেসার হাই হলে আমাদের করণীয়

প্রেসার মূলত উচ্চ রক্তচাপ। যখন আমাদের শরীরে রক্ত চাপের পরিমাণ বেড়ে যায় তখন বোঝা যায় আমাদের প্রেসার বেড়ে গেছে। প্রেসার মূলত একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা এটি আমাদের শরীরের প্রচন্ড পরিমাণে ক্ষতি করে থাকে এবং এর ফলে বিভিন্ন মারাত্মক বিপর্যয় ঘটতে পারে আমাদের শরীরে।তবে প্রেসার হচ্ছে আলাদা কোনো রোগ নয় এটি আমাদের রক্তচাপের একটি মাত্রা যখন এই মাত্রা স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি হয়ে যায় তখন বলা হয় হাই প্রেসার।
আমাদের ব্লাড প্রেসারের স্বাভাবিক মাত্রা হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০। তাহলে আমার যখন দেখবো আমাদের প্রেসার মাত্রার মধ্যে আছে কোন প্রকার চিন্তার কারন নেই।তবে এই মাত্রা বিভিন্ন বয়সেে মানুষের সামান্য তারতম্য হতে পারে।বয়স্কদের ক্ষেত্রে একটু বেশি হয় এই মাত্রা।কিন্তু যখন এই মাত্রা ৯০-১৪০ এর কাছাকাছি চলে যায় তখন বুঝতে হবে প্রেসার হাই হয়ে গিয়েছে।এবং তখন এই মাত্রা স্বাভাবিক করতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তবে এটি বোঝার জন্য একমাত্র উপায় হচ্ছে প্রেসার পরিমাপ করা। কিন্তু প্রেসার মাপার যন্ত্র সচরাচর সবার বাড়িতে বা কাছে থাকে না। তাই আমাদের এর কিছু লক্ষন থেকে বুঝে নিতে হবে যে প্রেসার হাই হয়ে গিয়েছে। চলুন লক্ষণগুলো আমরা জেনে নেই-
ব্লাড  প্রেসার যখন হাই হয়ে যায় তখন মাথা ঘুরে। তবে সবার ক্ষেত্রে ঠিক হয় না। কিন্তু সচরাচর এর লক্ষণ  পরিলক্ষিত হয়। তাই যখন বুঝবেন আপনার মাথা ঘুরছে এবং চোখে  অস্পষ্ট দেখছেন ধরে নিতে হবে আপনার প্রেসার বৃদ্ধি পেয়েছে।
এরপরে প্রেসার এর পরিমাণ বেড়ে গেলে মাথায় যন্ত্রণা হতে পারে।  মাথার পিছন দিকে ব্যথা হতে পারে। মাথায় যন্ত্রণা হতে পারে।
শরীর অত্যধিক পরিমাণে দুর্বল ভাবা। বুক ধড়ফড় করা। হাত পায়ে জোর কমে আসা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
নাক দিয়ে রক্ত পড়া। কোন কারন ছাড়াই যেমন,কেন আঘাত প্রাপ্ত হওয়া।চোট লাগা ইত্যাদি ছাড়াই এমনি এমনি নাক থেকে রক্ত পড়তে পাড়ে।
কোন বিষয়ের প্রতি মনোযোগ নষ্ট হয় যেমন কোন কাজ করা অবস্থায় কাজের মনযোগ নষ্ট হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। এ সকল কিছু ঘটলে বুজতে হবে আপনার প্রেশার হাই হয়েছে।
 প্রেসার হাই হওয়ার কারণসমূহ-
হাইপারটেনশন বা হাই প্রেশার বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে এ সকলের মধ্যে অন্যতম কারণ হচ্ছে,প্রতিদিন খাবারের সাথে অতিরিক্ত পরিমাণ লবন খাওয়া এর একটি অন্যতম কারন।কারন লবন খুব দ্রুত আমার ব্লাড প্রেসার বাড়িয়ে দেয়।আমাদের দেহে প্রতিদিন ছয় গ্রাম লবনই যথেষ্ট। কিন্তু এর থেকে বেশি পরিমাণ লবন খেলে আমাদের ব্লাড প্রেসার বেড়ে যায়।তাছাড়া কাচা লবন অর্থাৎ আমার খাবারে রান্না করার সময় যে লবন দেই তার বাইরে খাবার সময় যে লবন খাই এটা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা হাইপারটেনশনের অন্যতম এবং ভয়াবহ একটি কারন।এর ফলে হটাৎ করে খুব দ্রুত ব্লাডপ্রেসার বৃদ্ধি পায় এবং স্ট্রোক পর্যন্ত হতে পারে এই দুশ্চিন্তা থেকে।

অতিরিক্ত পরিমাণ এ্যালকোহল জাতীয় দ্রব্য গ্রহন সেবনকারীর ব্লাড প্রেসার বাড়িয়ে দেয়।
স্ট্রেসের কারনেও ব্লাড প্রেসার বাড়েে।অতিরিক্ত স্ট্রেসের শিকার হলে হাইপারটেনশন হওয়া একটি স্বাভাবিক বিষয়।
এছাড়াও এটি বংশগত ভাবেও হতে পারে।অনেকেরই বংশগত কারনে এটি হয়ে থাকে।
হাইপারটেনশনের ক্ষতি-
এটিকে বলা হয় নিরব ঘাতক।এটি আমাদের শরিরে দীর্ঘদিন একই অবস্থায় থাকলে এটি একদিকে যেমন স্ট্রোক,হৃদরোগ ইত্যাদি হতে পারে তেমনি হাইপ্রেসারের কারনে আমাদের হৃদযন্ত্র দ্রুত পাম্প করে এবং হার্টের উপর প্রচন্ড পরিমাণ প্রেশার পরে তেমনি আমাদের দেহের ধমনীর দেওয়ালে চাপ দেয় এর ফলে একদিন হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার পাশাপাশি ধমনী ফেটে রক্তক্ষরণ হতে পারে।এটি আমার ব্রেইনে রক্তক্ষরন ঘটে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।এর পাশাপাশি কিডনি বিকল সহ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
উচ্চ রক্তচাপ রোধে আমাদের করনীয়-
উচ্চ রক্তচাপ রোধে আমাদের সচেতনতাই হতে পারে একমাত্র সম্বল।কারন সচেতন জিবনযাপন উচ্চ রক্তচাপ রোধে অত্যন্ত কার্যকরী উপায়।নিয়মিত হাঁটার ফলে আমাদের রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।নিয়মিত আধা ঘন্টা হাটলে আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত থাকবে।এছাড়া অতিরিক্ত তেল চর্বি জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে। কারণ অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার আমাদের শরীরের প্রেসার কে বাড়িয়ে তোলে।এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। হাই প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। বেঙ্গলি ফুল এইচডি তে যখন প্রেসার নিয়ন্ত্রণ থাকে তেমনি শরীরের অন্যান্য রোগের হাত থেকেও সুস্থ থাকা যায়।

সুস্থ সুন্দর জীবন গড়তে আমাদের করণীয়

 সুস্থ ও সুন্দর জীবন আমাদের সকলেরই কাম্য। আর সে কারণেই আমাদের সকলকে স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হওয়া উচিত। কিন্তু এর পরেও আমরা আমাদের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নেই না। এবং বিভিন্ন অবহেলার কারণে আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে থাকি। এছাড়াও বিভিন্ন অজ্ঞতার কারণে আমাদের স্বাস্থ্যের হানি ঘটে থাকে। কারণ আমাদের দেশের অধিকাংশ লোক এই শাস্তির বিষয়ে সচেতন নয়। বিভিন্ন জটিল সমস্যার সম্মুখীন হয়ে পড়ে খুবই সহজে। কিন্তু আমরা কখনো এটা উপলব্ধি করার চেষ্টা করি না যে শুধুমাত্র একটু সামান্য প্রচেষ্টা আমাদের শরীরকে সুস্থ সবল ও সতেজ রাখতে পারে। কারণ কথায় আছে স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। আসুন আমরা সুস্থ থাকার জন্য কয়েকটি বিষয়ে জেনে নেই-

আমাদের স্বাস্থ্য কে ভালো রাখতে ঘুমের কোন বিকল্প নেই।একটি মানুষের উচিত প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমান ঘুমের। কারন ঘুমের ফলে আমাদের শরীরের ক্লান্তি দুর হয় এবং মানুষের শরীরে নতুন কাজ করার সামর্থ্য যোগ হয়। একটি মানুষের কমপক্ষে আট ঘন্টা ঘুমানো উচিত।তবে ঘুমানোর কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।অনিয়মিত নিয়মে ঘুমালে আমাদের উপকারের চাইতে ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি আমাদের সকলের ঘুমাতে যাওয়ার একটা নির্দিষ্ট সময় রয়েছে আমাদের সবার ঘুমানো উচিত রাত দশটার পরেই বেশি রাত জাগা স্বাস্থ্যের জন্য মোটেই ভাল নয়। এবং ঘুম থেকে উঠতে হবে সকাল ৬টার ভিতর। আমাদের মাঝে অনেকেই আছে যারা অনেক রাত অব্দি জেগে থাকে এবং সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠতে অনেক দেরি করে কিন্তু এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য অনেক হানিকারক সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সকালবেলা ঘুম থেকে উঠলে আমাদের স্বাস্থ্য এবং মন দুটোই ভালো থাকে।তাই আমাদের রাত জাগা পরিহার করে আগে আগেই ঘুমিয়ে যেতে হবে এবং ভোর হলে ঘুম থেকে উঠতে হবে। সকাল বেলার রোদ আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এছাড়া সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠলে শারীরিক-মানসিক উপকারিতার বাইরেও অনেক সুফল পাওয়া যায়।
 খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা একটি অন্যতম বিষয়। আমরা মূলত  সাথে যুক্ত খাবার বেশি পছন্দ করি কিন্তু বিবেচনা করি না যে খাবারটি কতটুকু পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যসম্মত এবং এর ক্ষতিকর দিক  নিয়েও কখনো ভাবার চেষ্টা করি না। তবে আমাদের খাবারের স্বাদের কথা বেশি চিন্তা না করে এর পুষ্টি মানের দিক এবং কতটা স্বাস্থ্যকর সে বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিত। এবং বেশি পরিমাণ শাকসবজি খাওয়া উচিত কারণ শাকসবজিতে চর্বি থাকেনা  এবং বেশি পরিমাণ ভিটামিন থাকে যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।এছাড়া তেল চর্বি ও অতিরিক্ত মসলা যুক্ত খাবার পরিহার করা উচিত।
নির্দিষ্ট সময়ে খাবার গ্রহন আমাদের শরিরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।আমাদের সকালের খাবার সকাল ৮ টার ভিতর, দুপুরের খাবার ২ টার ভিতর এবং রাতের খাবার রাত ৮ টার ভিতরে খেতে হবে। এতে আমাদের শরীর সুস্থ থাকবে এছাড়া সকালের খাবার হচ্ছে শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সকালে অনেকেই হালকা না করে কিন্তু এটা ঠিক নয়।   এ সময় আমাদের  পুষ্টিকর এবং একটু ভারী ধরনের খাবার খাওয়া উচিত কারণ সকালের খাবার আমাদের সারাদিনের এনার্জি জোগাড় করে। অপরদিকে দুপুরের খাবার বেশি বেলা করে  গ্রহণ করলে সেটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।  দুপুর তিনটার পরে  খাবার গ্রহণ করলে তা আমাদের শরীরের মেদ আকারে জমা হতে পারে তাই নির্দিষ্ট সময়ে দুপুরের খাবার গ্রহণ করা উচিত। রাতে  চর্বি যুক্ত এবং ভারী খাবার না খাওয়া উত্তম। কারণ আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি তখন আমাদের হজম শক্তি কম থাকবে। আর এর ফলে রাতে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করলে আমাদের বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।
ধুমপান এবং বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য থেকে দূরে থাকতে হবে। কারণ ধূমপান এবং নেশা জাতীয় দ্রব্য আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য প্রচণ্ড  ক্ষতিকর। ধূমপান করলে সিগারেটের নিকোটিন আমাদের ফুসফুসে জমা হয় এবং সারা দেহের ক্ষতি সাধন করে। তাই ধূমপান থেকে বিরত থাকা উচিত। এগুলো আমাদের একদিকে যেমন আর্থিক ক্ষতি করে তেমনি আমাদের দেহের ও প্রচন্ড ক্ষতি করে।
ব্যায়াম করা  স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  ব্যায়াম করলে আমাদের দেহের বেশি সবল হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আমাদের প্রত্যেকের ব্যায়াম করা উচিত। এর ফলে দেহের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়  নতুন কোষ জন্ম নেয় এবং শরীরের মেদ কমে এছাড়াও শরীর সুস্থ রাখতে ব্যায়াম এর কোন বিকল্প মাধ্যম নেই।
উপরোক্ত বিষয়গুলো মেনে চললে খুব সহজেই যে কোন রোগ আমাদের আক্রান্ত করতে পারবে না। তাই আমাদের এসকল বিষয় মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।

আমাদের সাইটটি সম্পর্কে কিছু কথা


সৃষ্টিকর্তার পরম করুণায় আমাদের  সাইটের শুভ যাত্রা শুরু হলো। আমাদের সাইটির সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আপনাদের সকলের সহযোগিতা এবং শুভকামনা আশা করছি।  এই সাইটটি তৈরি করা হয়েছে মূলত  বাংলা ভাষার উপর ভিত্তি করে। এখানে বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ধরনের পোস্ট করা হবে। যার থেকে আপনারা বিভিন্ন ধরনের জ্ঞান আহরণ করতে পারবেন।এবং বিভিন্ন বিষয়ে জানতে পারবেন।

আমাদের  ব্লগটি মূলত বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ধরনের জ্ঞান মূলক তথ্য প্রদান করা হবে। আমাদের সাইটটিতে মূলত যে সব ধরনের পোস্ট করা হবে তা হল- বিভিন্ন শিক্ষনীয় বিষয়, সাধারণ জ্ঞান মূলক, স্বাস্থ্য সম্পর্কিত, আমাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন বিষয়ে, বিভিন্ন জনসচেতনতা মূলক, সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোচনা ছাড়াও আইটি বিষয়ক বিভিন্ন টিউটোরিয়াল এবং টিপস,বর্তমানে  বহুল জনপ্রিয় একটি বিষয় হচ্ছে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করা। আমরা আপনাদের সামনে সামনে তুলে ধরবো কিভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় এবং এর সঠিক উপায় সম্পর্কে। যেখান থেকে আপনারা সঠিক পথনির্দেশনা পাবেন এবং কিছু সত্যিকারে অর্থ উপার্জনের উপায় দেখিয়ে দেওয়া হবে।

আপনাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা বা কোন বিষয়ে জানার আগ্রহ থাকলে আমাদের কমেন্ট সেকশনে কমেন্ট করতে পারেন।এছারা চাইলে আমাদের ইমেইল করতে পারেন info@gganbitan.com আমাদের টিম আপনাদের সমস্যা সমাধানের জন্য পোস্ট আকারে বিবৃতি প্রদান করবে। যার থাকে আপনারা আপনাদের সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

বিভিন্ন সমস্যার সমাধান এবং প্রশ্ন সম্পর্কিত বিভিন্ন সাইট রয়েছে কিন্তু সেগুলো ব্যবহার করা একটু কঠিন। কারণ তাদের কাছে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করতে বা কিছু জানতে চাইলে তাদের সাইটে প্রথমে সাইন আপ করতে হয় এরপরে তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয় কিন্তু আমাদের এখানে বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চাওয়ার জন্য উন্মুক্ত একটি উপায় রাখা হয়েছে যার মাধ্যমে আপনি কোন প্রকার সাইন আপ এর ঝামেলা ছাড়াই আমাদের কাছে বিভিন্ন কিছু জানতে চাইতে পারেন।

আমাদের সাথে থাকুন এবং আমাদের ব্লগটি নিয়মিত ভিজিট করুন। এর ফলে আপনি বিভিন্ন বিষয়ে জানতে পারবেন এবং অন্যকে জানাতে পারবেন।
ধন্যবাদ লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য।