এফিলিয়েট মার্কেটিং(Affiliate Marketing) এই নামটি শুনে নে এরকম লোকের সংখ্যা খুবই কম যারা অনলাইন থেকে ইনকাম এর আশা করেন। কারণ এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে বর্তমান সময়ের সর্বাধিক জনপ্রিয় একটি আয় এর উৎস। তবে আমাদের মাঝে অনেকেই আছে এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে জানেন না। তাই আজ আমি এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে ধারনা প্রদান করব।এবং আমি টিউটোরিয়ালটির মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং(Affiliate Marketing) সম্পর্কে আপনাদের বিস্তারিত ধারণা প্রদান করব।
Affiliate Marketing
আমাদের আজকের পোস্টের আলোচ্য বিষয় হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং(Affiliate Marketing) কি অর্থাৎ আমরা এফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে আমরা কি বুঝি!
বর্তমান সময়ে অনলাইন শপিং সাইট(Shopping Site) অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এবং প্রচুর পরিমাণে পণ্য কেনা-বেচা হয়ে থাকে অনলাইনে।এসকল পণ্য কেনা বেচা করার অনেক সাইট রয়েছে। শুধু পণ্য নয় বিভিন্ন ধরনের সেবা ও বিক্রি করা হয় অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে।তবে এ সকল পণ্য বা সেবা বিক্রির কোন একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান নেই বরং হাজার হাজার প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

তবে আপনারা সকলেই সকল পণ্য বা সেবা বিক্রয়কারী সাইট গুলো সম্পর্কে জানেন?
 না জানেন না। ধরুণ আপনি অনলাইনে কোন পন্য কিনবেন যেমন একটি মোবাইল ফোন। আপনি অনলাইনে অর্ডার করবেন এবং তারা আপনার ঠিকানায় কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্যটি পৌঁছে দেবে।এবং ডিজিটাল পেমেন্ট মেথড এর মাধ্যমে আপনি তার অর্থ পরিশোধ করবেন।

⏩ফিসিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

 তবে এক্ষেত্রে আপনার কোন সাইট থেকে পণ্যটি কিনলে বেশি সুযোগ-সুবিধা পেতে পারেন।বা পণ্যটি সম্পর্কে ধারণা অর্জন করার জন্য আপনি খোঁজাখুঁজি করতে পারেন।
হয়তো পন্যটি বাছাই করার জন্য  গুগোল এ যখনই সার্চ করবেস কোন সাইটে এমন একটি আর্টিকেল পেয়ে গেলেন যেখানে আপনার কাঙ্খিত পণ্যটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।কিন্তু আপনি যে সাইট থেকে পণ্যটি সম্পর্কে জানলে সে যেকোন অনলাইন শপিং সাইট নয়। তবে পণ্যটির গুণগত মান এবং সুবিধা ও অসুবিধাগুলো আলোচনা করার পাশাপাশি আপনাকে সেই সাইট একটি লিংক দিল।যেখান থেকে আপনি খুব সহজে এবং সুরক্ষিত ভাবে পণ্যটি ক্রয় কজরতে পারেন।
এবং আপনার সেই সাইটটি পছন্দ হলো যেখান থেকে আপনি পণ্যটি অর্ডার করলেন। এবং পণ্যটির মূল্য পরিশোধ করলেন।

এখন ভাবুন আপনি পণ্যটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানলে একটি সাইটে এবং পন্যটি কিনলেন অন্য একটি সাইট থেকে। তবে আপনি পণ্যটি কেনার জন্য উৎসাহ পেলেন যে সাইটে বা পন্যটির রিভিউ দেখলেন সেই সাইটের মাধ্যমে।কিন্তু তারা নিজেরা পন্যটি বিক্রি করেনা।
তাহলে ভাবুন তো কেন তারা পন্য টি সম্পর্কে এত সুন্দর এবং বিস্তারিত রিভিউ লিখেছে! তাদের লাভ কি হলো তারা তো আর পন্যটি বিক্রি করলো না। তাহলে ঘরের খেয়ে কেন আপনাকে পণ্যটি সম্পর্কে একটু বিস্তারিত জানাবে?তাদের তো আর আপনি কোন টাকা দেন নাই!

মূলত এটিই হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং। যেখানে  একটি পণ্য বা সেবা বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান সাথে এক হয়ে একাধিক বিপননকারী কাজ করে। অর্থাৎ বিপণনকারী তাদের বিপণন দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রয় বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এবং এই কাজের জন্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান তাদের একটি লভ্যাংশ প্রদান করে থাকে। আর এটি হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারের আয়ের প্রধান উৎস।
 অর্থাৎ আপনি তার সাইটের আর্টিকেলটি থেকে পণ্যটির বিভিন্ন গুণগতমান এবং বিস্তারিত জানতে পারার ফলে পণ্যটি ক্রয় এর জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং তাদের দেওয়া লিঙ্ক থেকে পণ্যটি ক্রয় করেছেন যার ফলে আপনার ক্রয় কৃত পণ্যের থেকে  আর্টিকেলটির লেখক অর্থাৎ এফিলিয়েট মার্কেটার একটি কমিশন পেয়েছে।আর এই কমিশনটির জন্যই তার এই আর্টিকেলটি লেখা।

অর্থাৎ এর থেকে আপনি খুব সহজভাবেই বুঝে গেলেন এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবা বিপণনকারী হিসেবে ক্রেতার নিকট পৌঁছে দেওয়া।এবং আপনি যে সাইটে এফিলিয়েট করবেন সেই সাইটের পণ্যকে ক্রেতার নিকট তুলে ধরাই হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটার এর প্রধান কাজ।
আর এটিকে আমরা এফিলিয়েট মার্কেটিং নামে চিনি।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং টিপস
কিভাবে এফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ অংশগ্রহণ করতে হয়?
এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য অনেক সাইট রয়েছে এর মধ্যে সবচাইতে জনপ্রিয় হচ্ছে  অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম(Amazon Affiliate Program) এছাড়াও রয়েছে ফিলিপকার্ট অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম(Flipcart Affiliate Program) ইত্যাদি।আরো বিভিন্ন সাইট রয়েছে এফিলিয়েট করার। তবে অ্যামাজন এবং ফ্লিপকার্টে প্রচুর পরিমাণে পণ্য রয়েছে। এছাড়াও তারা  সর্বাধিক জনপ্রিয় শপিং সাইট সারা পৃথিবীর ভিতরে। এবং অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এর ক্ষেত্রেও এই সাইট দুইটি জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে।  অধিকাংশ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার এই সাইট দুটি নিয়ে কাজ করে।
এছাড়াও আপনি আরো বিভিন্ন বিষয়ের উপর অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন যেমন ডোমেইন হোস্টিং এর জন্য godaddy affiliate program এ  অংশগ্রহণ করতে পারেন।অনলাইনে বিভিন্ন টিউটোরিয়াল বিক্রির জন্য অ্যাফিলিয়েট।

আপনি এই সমস্ত সাইটে এফিলিয়েট করার জন্য এফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে জয়েন করবেন। এর ফলে আপনি বিভিন্ন প্রোডাক্ট এর জন্য আপনার এফিলিয়েট লিংক তৈরী করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি এফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে নিবন্ধন করার পরে আপনি এফিলিয়েট লিংক তৈরি করার সুযোগ পাবেন।
এবং যখন সেই লিংক ক্রেতার নিকট  উপস্থাপন করবেন তখন আপনার প্রদত্ত লিংক থেকে অনেকেই পণ্য কিনবে। অর্থাৎ আপনি যখন এটাকে আপনার এফিলিয়েট লিংক টি দেবেন তখন ওই ক্রেতা আপনার এফিলিয়েট লিঙ্ক এ ক্লিক করার মাধ্যমে মূল শপিং সাইট এ প্রবেশ করবে। এবং পণ্য ক্রয় করবে।
এখানে যেহেতু ক্রেতা আপনার প্রদত্ত লিংকটি হতে শপিং সাইটটিতে প্রবেশ করেছে  সেক্ষেত্রে শপিং সাইটেও এফিলিয়েট সিস্টেমের মাধ্যমে বুঝতে পারবে যে আপনার লিংকের মাধ্যমে এই বিক্রয় টি হয়েছে।এবং তারা অটোমেটিক আপনার এফিলিয়েট একাউন্টে কমিশন জমা করে দিবে। এক্ষেত্রে আপনি যে পন্যের লিংকটি  ক্রেতা কে দিয়েছেন  সে যদি  ওই লিঙ্কের মাধ্যমে সেই নির্দিষ্ট পণ্যটি না কিনে অন্য কোনো পণ্য ক্রয় করে সেক্ষেত্রেও আপনি কমিশন পাবেন তবে সেটা নির্ভর করে সম্পূর্ণই আপনি কোন মার্কেটপ্লেসে কাজ করছেন এবং তাদের শর্তের উপর।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এ আয়ের পরিমাণ কেমন?
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে আয়ের পরিমাণ নির্ভর করে আপনার মার্কেটিং দক্ষতা এবং আপনি কি পরিমান পণ্য বিক্রয় করতে পেরেছেন তার উপর। এছাড়াও আপনার বিক্রিত পণ্যের কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাহলে আমরা এফিলিয়েট মার্কেটিং আয় এর পরিমাণ নির্ণয় করার ক্ষেত্রে(মোট বিক্রয়+কত শতাংশ কমিশন+পন্য কতটা মূল্যবান=আপনার আয়)এই বিয়টি লক্ষ করতে পারি!

তবে অনেক এসএমএস মার্কেটার আছে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে মাসে 1-2 লাখ টাকার উপরে আয় করে। সে ক্ষেত্রে কয়েক হাজার টাকা ইনকাম করা খুব ইজি ব্যাপার। তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই দক্ষ হতে হবে।কারণ দক্ষতা ছাড়া কোন কিছুই সম্ভব নয়। তবে অধিকাংশ এফিলিয়েট মার্কেটিং বেশ ভালো পরিমাণ আয় করে থাকে এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে।
মনে করুন একটি পন্যের মূল্য ১০০০ টাকা।বিক্রয় কমিশন ৫% এবং আপনার বিক্রির পারিমান ১১০ ইউনিট।
তাহলে আপনার আয়-
১০০০ টাকার ৫%=৫০ টাকা।
অর্থাৎ প্রতি  ইউনিটে লাভ ৫০ টাকা।
অতএব,১২০ ইউনিটে আয় =১২০*৫০=৬০০০ টাকা।
কিভাবে এফিলিয়েট করবেন
কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন?
আমরা এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে জানলাম।এবার জানব কিভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হয়। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে আপনার প্রথমেই প্রয়োজন পড়বে একটি ব্লগ বা ওয়েব সাইট,একটি ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেইজ ইত্যাদির।
এবং ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেলে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকতে হবে।কারণ ভিজিটর না থাকলে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং এ সফল হতে পারবেন না। এবং ব্লগ বা ওয়েবসাইটে ভালো মানের কনটেন্ট লিখতে হবে কারণ আপনার কনটেন্ট এর মাধ্যমে ভিজিটর আপনার লিংকের মাধ্যমে পণ্যটি ক্রয় করতে আগ্রহ প্রকাশ করবেন। তাহলে বুঝতেই পারছেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে আর্টিকেলগুলো কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
 ইউটিউব চ্যানেলের ক্ষেত্রেও বিষয়টি একই  আপনার প্রোডাক্ট প্রমোশন এর ভিডিও গুলো অবশ্যই ভালো মানের হতে হবে এবং প্রোডাক্ট সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিস্তারিত তুলে ধরতে হবে। ভিডিও ডেসক্রিপশন বক্সে আপনার এফিলিয়েট লিঙ্ক প্রদানের মাধ্যমে আপনি আপনার এফিলিয়েট প্রোডাক্ট গুলো প্রমোট করতে পারবেন। যখন আপনার ভিডিও দেখে কারো ভালো লাগবে তখন ডেসক্রিপশন বক্স থেকে আপনার এফিলিয়েট লিংক নিয়ে তারা প্রোডাক্ট অর্ডার করবেন।

⏩ব্রেভ ব্রাউজারে অ্যাফিলিয়েট করে আয় করুন।

আপনি ব্লগ বা ওয়েব সাইটের আর্টিকেল এর শেষের দিকে এবং ভিডিও ডেসক্রিপশন বক্সে আপনার প্রোডাক্টের লিংক প্রদান করুন। এর ফলে আপনার আর্টিকেলটি যারা পড়বে এবং ভিডিওগুলো যারা দেখবে তারা আপনার সেখান থেকে পণ্য ক্রয়ের জন্য আগ্রহী হবেন।
সোশ্যাল মিডিয়াতে অর্থাৎ ফেসবুক পেজের ক্ষেত্রেও বিষয়টি আপনার ফেসবুক পেজটি যথেষ্ট অ্যাক্টিভ হতে হবে এবং ভিজিটর গুলো হতে হবে যারা অনলাইন শপিংয়ের জন্য আগ্রহী। এবং আপনার ফেসবুক পেইজে যথেষ্ট পরিমানে লাইক থাকতে হবে। কারণ এর ফলে আপনার প্রোডাক্ট রিভিউ গুলো অনেক লোকের কাছে পৌঁছে যাবে। এবং আপনার এফিলিয়েট করাটা সফল হবে তখনই যখন আপনার আর্টিকেলগুলো পাঠকের ভালো লাগবে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য কোন প্রোডাক্ট গুলো বেছে নিবেন?
 এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।কারণ আপনি যদি জনপ্রিয় পণ্য বেছে নিতে না পারেন তাহলে আপনার এফিলিয়েট মার্কেটিং  থেকে ভালো পরিমাণ আয় করতে পারবেন না।
 বর্তমানে অনলাইন শপিং সাইট গুলো থেকে বেশির ভাগ মোবাইল ফোন, পোশাক, কসমেটিক্স, ইলেকট্রনিক্স এর বিভিন্ন পণ্য ইত্যাদি সর্বাধিক ক্রয় করা হয়ে থাকে। তাই আপনি এই সকল প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে পারেন।
 এর বাহিরেও অনেকগুলো বিষয় আপনাকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যেমন প্রোডাক্ট এর মূল্য,চাহিদা, প্রোডাক্ট বিক্রির ক্ষেত্রে কমিশন কিরূপ ইত্যাদি। কারণ প্রচলিত প্রোডাক্ট এর ক্ষেত্রেও যদি প্রোডাক্ট এর মূল্য কম হয় এবং কমিশন কম হয় সে ক্ষেত্রে আপনি প্রচুর সেল থাকা সত্তে যথেষ্ট পরিমানে আয় করতে পারবেন না।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ যেগুলো ঠিক করা অবশ্যই আপনার প্রথম কাজ!
টার্গেট কাস্টমার খুঁজে বের করা:
আপনি যে সাইটের হয়ে এফেলিয়েট মার্কেটার হিসেবে জয়েন করবেন সেটি কোন দেশের সবচাইতে বেশি জনপ্রিয়।এবং আপনি কোন ধরনের পণ্য নিয়ে মার্কেটিং শুরু করবেন।এবং সে সকল পণ্য কোন দেশে বেশি প্রচলিত সে বিষয়ে আপনাকে অবশ্যই খোজ করতে হবে। কারণ আপনি টার্গেট কাস্টমার খুঁজে বের করতে না পারলে কোনোভাবেই সফল হতে পারবেন না।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন(seo) শিখতে হবে:
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) শেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কারণ আপনার প্রোডাক্ট গুলো সার্চ ইঞ্জিনের ব্যাংক করতে হলে অবশ্যই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও সম্পর্কে জানতে হবে।

কোয়ালিটি কন্টেন্ট রাইটিং:
আপনার যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য সাইট থাকে সে ক্ষেত্রে কোয়ালিটি কন্টেন্ট তন্তু গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা পালন করে। কারণ আপনার কনটেন্ট কোয়ালিটি সম্পন্ন হলে  একদিকে আপনার কনটেন্টগুলো সার্চ ইঞ্জিনের র‍্যাংক করবে এবং পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।

⏩ ICO এয়ারড্রপ থেকে আয় করবেন যেভাবে

কারো কনটেন্ট কপি পেস্ট থেকে বিরত থাকুন:
 আপনি যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে গিয়ে কারো কমেন্ট কপি-পেস্ট করে আপনার সাইটে পোস্ট করেন তাহলে সেটি হবে আপনার চরমপুলক আপনার সমস্ত কষ্ট বৃথা হয়ে যাবে। এ কারণে কনটেন্ট অবশ্যই ইউনিক এবং নিজের লেখা হতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ার  মাধ্যমে আপনার  প্রোডাক্ট গুলো প্রমোট করুন:
 অবশ্যই আপনার এফিলিয়েট লিংক গুলো সোশ্যাল মিডিয়ার প্রমোট করতে হবে।কারণ সোশ্যাল মিডিয়ায় বর্তমান সময়ের সর্বাধিক  মানুষ একটিভ থাকে। তাই এফিলিয়েট মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সফল সোশ্যাল মিডিয়া গুলোর মধ্যে জনপ্রিয় হলো ফেসবুক,টুইটার,লিঙ্কডইন,মিডিয়াম পিন্টারেস্ট ইত্যাদি। সোশ্যাল মিডিয়া সাইট গুলোর মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় হচ্ছে ফেসবুক এবং ফেসবুকের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার এফিলিয়েট প্রোডাক্টগুলো প্রমোট করতে পারবেন। এর জন্য নিজস্ব পেজ এর বাইরে ও আপনি বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট করতে পারেন।

যে সাইটের হয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন সে সাইটের রেটিং সম্পর্কে অবশ্যই জেনে নিন:
 আপনি যে সাইটের এফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে জয়েন করবেন সে সাইটের জনপ্রিয়তা সম্পর্কে আপনাকে অবশ্যই খোঁজ করতে হবে। অর্থাৎ সাইটটি কতটা জনপ্রিয় এবং কতটা বিশ্বস্ত সে বিষয়গুলো অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।

 সর্বোপরি আপনাকে অবশ্যই ধৈর্যশীল হতে হবে:
 অনলাইনে ইনকামের ক্ষেত্রে ধৈর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় আপনি যদি ধৈর্যশীল না হন তাহলে কোন ভাবে সফল হতে পারবেন না। তাই প্রথম দিক দিয়ে ব্যর্থতা থাকলে অবশ্যই ধৈর্য ধরে কাজ চালিয়ে যেতে হবে এবং কাজের মান উন্নয়নের জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হবে। তাহলে অবশ্যই আপনি সফল হতে পারবেন।

টার্গেট কান্ট্রি সিলেক্ট করা:
 অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে টাকা নিয়েছিল চূড়ান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় কারণ আপনি মনে করুন,  আপনি বাংলাদেশকে সিলেক্ট করেছেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য। সে ক্ষেত্রে আপনি কোন ভাবে লাভবান হতে পারবেন না কারণ বাংলাদেশের মানুষ অনলাইন থেকে পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে ততটা আগ্রহী নয়। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন কারণ যেমন পেমেন্ট গেটওয় ডেলিভারি ইত্যাদি কারণে বাংলাদেশের অনলাইন শপিং সাইট গুলো জনপ্রিয় হলেও অ্যাফিলিয়েট করার ক্ষেত্রে এবং সফল হওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়। তাই আপনাকে অবশ্যই আমেরিকার মতো  দেশকে বেছে নিতে হবে এফিলিয়েট করার জন্য কারণ কারণ সেখানে মানুষ অনলাইন শপিং এ অভ্যস্ত। আর এ কারণে খুব সহজেই আপনি আপনার প্রোডাক্ট প্রমোট করতে পারবেন।

 তাহলে এখন রাত আজকের এই আর্টিকেলটি হতে এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে  জ্ঞান অর্জন করতে পারলাম। এবং জানতে পারলাম এফিলিয়েট মার্কেটিং কি। কোন কোন সাইজের থেকে এফিলিয়েট মার্কেটিং করা যায়। কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হয়। এবং অ্যাফিলিয়েট করার ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় মাথায় রাখতে হয় সেগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারলাম। আমাদের পরবর্তী পোষ্ট গুলোতে এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে আরো বিস্তারিত বিষয়বস্তু তুলে ধরা হবে।

যে কেন প্রশ্নের জন্য বা মতামত প্রদানের জন্য মেইল করুন-qustion@gganbitan.com

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন