এবার রোগ সনাক্ত করা যাবে ফেসবুকের পোস্ট দেখেই বিশেষজ্ঞদের দাবি

এবার রোগ শনাক্ত করা হবে ফেসবুকের পোস্ট দেখে  হয়ত বা আপনারা সবাই অবাক হচ্ছেন! আর অবাক হওয়ারই তো কথা তাইনা।এটা আবার কেমন কথা যে ফেসবুকের পোস্ট দেখে রোগ শনাক্ত করা হবে।এটা কি আদৌ সম্ভব! একটি মানুষ কি রোগে আক্রান্ত সেটা কি কখনো ফেসবুকে পোস্ট এর মাধ্যমে সনাক্ত করা যায়।তাহলে চলুন বিশেষজ্ঞরা কি বলে জেনে নেয়া যাক-

একটি মানুষের স্বভাব,চরিত্র,মানসিক,অবস্থা ইত্যাদি সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা যায় একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টের মাধ্যমে।কারণ সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টের মাধ্যমে ব্যক্তির মনের ভাব তুলে ধরার চেষ্টা করেন সে।
সম্প্রতি ফেসবুকের পোষ্টের উপর ভিত্তি করে ৯৯৯ জন লোককে নিয়ে একটি গবেষণা চালানো হয়।গবেষণাটিতে এই ৯৯৯ জন লোকের ৯,৪৯,৫৩০ পোস্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্যটি জানায় গবেষকরা।
তারা মূলত ব্যবহারকারীর পোস্ট এর বিভিন্ন শব্দ বিশ্লেষণ করে এটি বুঝতে পেরেছেন।প্রতিটি পোষ্টে ছিল ৫০০ এর অধিক শব্দ এবং এই সকল পোষ্ট বিশ্লেষণ করে ২১ টি শারীরিক এবং মানসিক সমস্যার বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে তারা।
তারা বলেন,
পরিবার প্রার্থনা ঈশ্বর শব্দটি যারা ব্যবহার করেছেন তাদের মধ্যে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত পরিমাণ ১৫ শতাংশের বেশি।
বোতল এবং মাতাল শব্দটি পাওয়া গেছে যারা অতিরিক্ত অ্যালকোহল পানের কারনে সমস্যায় ভুগছেন।
যারা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত আছে তাদের পোস্টে পেট,ব্যথা,মাথা ইত্যাদি শব্দ পাওয়া গিয়েছে।
তবে এই ধরনের শব্দ পাওয়া গেলে যে ব্যক্তি ২১ ধরনের কোন একটি সমস্যায় ভুগছে তা কিন্তু নয়।
মূলত আমরা আমাদের মনের ভাব নিজের অজান্তেই সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন পোষ্টের মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করি।এটা কে কাজে লাগিয়ে ছাড়া এই রোগ শনাক্তকরণ পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে।

ICO বা এয়ারড্রপ কাকে বলে এর থেকে কিভাবে আয় করবেন তার বিস্তারিত

অনলাইন থেকে আয় করার বিভিন্ন ধরনের উপায় রয়েছে এর মধ্যে কতগুলো কাজ সহজ আবার কতগুলো কঠিন।এ সকল কাজের মধ্যে রয়েছে গ্রাফিক্স ডিজাইন,ওয়েব ডেভলপমেন্ট,সিপিএ মার্কেটিং, এফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদি।এগুলো অনলাইন ইনকামের প্রফেশনাল কাজ।আমার অনেকগুলো কাজ আছে যেগুলো প্রোফেশনাল নয় কিন্তু ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আইসিও (ICO) বা এয়ারড্রপের কাজ।


এই কাজটিতে আপনি ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।কোন প্রকার প্রফেশনাল দক্ষতা ছাড়াই।
তাহলে চলুন প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক আইসিও বা এয়ারড্রপ কি?
iCO বা এয়ার ড্রপ হচ্ছে কোন ক্রিপ্টোকারেন্সি যখন মার্কেটে নতুন আসে তখন তারা কিছু পরিমাণ কয়েন সম্পূর্ণ ফ্রিতে দিয়ে থাকে।কিছু ছোট ছোট কাজ এর মাধ্যমে তখন কয়েন আর্ন করা যায়।যেমন,বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় জয়েন করা তাদের পোস্ট শেয়ার করা ইত্যাদির মাধ্যমে।রেফারেলের মাধ্যমে কয়েন আর্ন করা যায়।

Initial Coin Offering (ICO) বা এয়ারড্রপের কাজ করতে প্রথমে আপনার প্রয়োজন পড়বে একটি মাই ইথার ওয়ালেট একাউন্ট।এটি একটি ইথেরিয়াম একাউন্টের মতই কিন্তু ভিন্যতা হচ্ছে এখানে আপনি যে কোন ধরনের টোকেন রিসিভ করতে পারবেন। myEtherwallet একটি ERC20 ইথেরিয়াম ওয়ালেট।এবং এটি জনপ্রিয় একটি ওয়ালেট।মূলত এটির প্রয়োজন পড়বে আপনার কয়েন আর্ন করার পরে কয়েন গুলো রিসিভ করার জন্য।
আপনি যখন বিভিন্ন আইসিও বা এয়ার্ড্রপ এ একাউন্ট খুলবেন তখন আপনাকে এর এড্রেস দিয়ে দিতে হবে।যার ফলে তাদের আইসিও শেষ হলে তারা আপনার এড্রেসে আপনার উপার্জিত কয়েন গুলো সেন্ড করতে পারে।এবং সেই কয়েন গুলো আপনি বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ করতে পারেন।

তাহলে বুঝতে পারলেন যে myEtherwallet কতটা গুরুত্বপূর্ণ আইসিওর কাজ করার জন্য।তবে চাইলে নতুন আরো অনেক ERC20 ওয়ালেট রয়েছে সেগুলো আপনারা ব্যবহার করতে পারেন।ইউটিউবে অনেক ভিডিও পাবেন ERC20 একাউন্ট সম্পর্কে।এবং সেগুলো দেখে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিন।

এরপরে কাজের কথায় আসা যাক -
ERC20 wallet  ছাড়াও আপনার যেগুলো জিনিস থাকতে হবে সেগুলো হচ্ছে,
🔥টেলিগ্রাম অ্যাপস ডাউনলোড করুন এবং এটিকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।
🔥একটি টুইটার একাউন্ট থাকতে হবে।
🔥একটি ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট।
🔥একটি ফেসবুক একাউন্ট।
🔥একটি reddit একাউন্ট। 
ইত্যাদি এসকল একাউন্ট থাকলে পরে আপনি কাজ শুরু করতে পারবেন। এর পরে আপনি খোঁজ করুন কোথায় ভালো মানের এয়ারড্রপের খোঁজ পাওয়া যায়।আপনি যেখান থেকে এয়ার্ড্রপটির খোঁজ নিবেন এখান থেকে দেখে নিন কি কি কাজ করতে হবে। এবং কোন শর্ত আছে কিনা।
এর পরে আপনি সেখানে দেওয়া লিংকের মাধ্যমে জয়েন করুন।এবং টাস্ক গুলো সব কমপ্লিট করুন। (যেমন,তাদের ফেসবুক পেজে লাইক দেওয়া,পেজের পোস্ট শেয়ার করা,টুইটারে রি-টুইট করা,টেলেগ্রাম গ্রুপে জয়েন করা ইত্যাদি)এবং  ERC20 ইথেরিয়াম এড্রেস দিতে বলবে সেটি সেট করুন।
টাস্ক গুলো কমপ্লিট করলে দেখবেন আপনার একাউন্টে কয়েন গুলো জমা হয়েছে।এখন আপনার কাজ হলো আপনার রেফারেল লিংকের মাধ্যমে অন্যকে জয়েন করানো।আপনার লিংকের মাধ্যমে কেউ জয়েন করলেই আপনি নির্দিষ্ট পরিমান কয়েন পাবেন। এবং যে পরিমাণ কয়েন আর্ন করবেন আইসিও চলাকালীন সময় তা ico শেষ হলে আপনার ERC20 একাউন্টে অটোমেটিক তারা কয়েন পাঠিয়ে দেবে।
এর পরে আপনি coinmarketcap এ গিয়ে দেখবেন কয়েনটি কোন কোন  ট্রেডিং সাইটে এড হয়েছে। এবং সেখান থেকে কয়েনটি এক্সচেঞ্জ করে বিটকয়েনে বা আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী অন্য কোন কয়েনে নিন।
এবং সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে সরাসরি টাকা পকেটে নিন। 
দারুন একটি টোকেন যেটি থেকে আপনি আনলিমিটেড আয় করতে পারবেন। এটি প্রতি মাসে পেমেন্ট করে।১০০% রিয়েল কাজ।কাজটি করতে চাইলে এই লিংকে পোস্টটি দেখুন।
  • পরবর্তীতে আইসিও বা এয়ারড্রপ নিয়ে আরো পোস্ট পেতে সাইটটি নিয়মিত ভিজিট করুন।১০০% রিয়েল এয়ারড্রপ অ্যালার্ট দেয়া হবে।

মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল একাউন্ট ব্যালেন্স চেক করার খরচ গ্রাহককে দিতে হবে না

বিটিআরসির নতুন নির্দেশনায় জানানো হয়েছে যে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট গুলো যেমন বিকাশ,রকেট,মাই ক্যাশ,নগদ ইত্যাদির ব্যালেন্স চেক করতেও খরচ হবে ৪০ পয়সা করে।
এ নিয়ে গ্রাহকের ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে।অনেক গ্রাহক এ নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।এবং বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করছে।

বিটিআরসি তাদের এস এফ এস খাতে জারি করা নতুন নির্দেশনায়  জানিয়েছিল,ব্যালেন্স চেক করা,লেনদেন করা,স্টেটমেন্ট নেওয়া ইত্যাদি একটি শর্ট কোড ডায়াল এর মাধ্যমে গ্রাহক দেখতে পারেন।যেটি ইউএসএসডি নামে পরিচিত।এখানে কোড ডায়াল এর মাধ্যমে গ্রাহক একটি এসএমএস পান।জেটিতে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট এর ডিটেলস লেনদেন ইত্যাদি সকল কিছু দেখতে পারেন।এবং লেনদেন সহ সমস্ত কাজ সম্পন্ন করতে পারেন।
এবং এর প্রত্যেকটি কে একটি সেশন ধরা হবে যার সময় সীমা থাকবে ৯০ সেকেন্ড।এবং এই প্রতিটি সেশনের জন্য অপারেটরকে ৮৫ পয়সা করে দিতে হবে।এবং খানের দুটি এসএমএস থাকবে এর মধ্যে ব্যালেন্স চেক এর জন্য প্রদান করতে হবে ৪০ পয়সা করে।
এক্ষেত্রে গ্রাহকগণ ভেবেছিল যে তাদের একাউন্টের ব্যালেন্স জানতেও তাদের থেকে ৪০ পয়সা করে চার্জ করা হবে।যেটি সম্পূর্ণই ভুল একটি নির্দেশনা।এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুক,টুইটার ইত্যাদিতে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল।বিভিন্ন জন বিভিন্ন মন্তব্য করেছে এ বিষয়ে।এবং গ্রাহকগণ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা জানান।এবং ফেসবুকের বিভিন্ন পেজ এবং গ্রুপে বিভিন্ন ধরনের লেখালেখি ও হয়েছে এ নিয়ে।

তবে বিটিআরসি এ নিয়ে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়,এই খরচ বহন করতে হবে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল কোম্পানিগুলোকে।এই চার্জ ফাইন্যান্সিয়াল কোম্পানিগুলো মোবাইল অপারেটরকে প্রদান করবে।গ্রাহকের এর জন্য অতিরিক্ত কোন প্রকার চার্জ দিতে হবে না।এবং গ্রাহকের এ বিষয়টি নিয়ে কোন প্রকার দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই।
এর আগেও বিটিআরসি এম এফ এস গুলোকে  গত ২০১৮ সালের ১৪ আগস্ট নির্দেশনা প্রদান করেছিল।এবং সেই অনুযায়ী তারা গত দশ মাস যাবত নির্দিষ্ট হারে চার্জ প্রদান করে আসছে।
মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল কোম্পানিগুলো ক্যাশ আউট, ক্যাশ ইন এবং সেন্ড মানির ক্ষেত্রে আয় করে।অপরদিকে ব্যালেন্স চেক,পিন পরিবর্তন ইত্যাদির ক্ষেত্রে কোন প্রকার আয় করে না।কিন্তু এর সকল ক্ষেত্রেই কোম্পানিগুলো অপারেটরগুলো নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে থাকে।তাই সকল ক্ষেত্রেই কম্পানি গুলোকে চার্জ প্রদান করতে হবে।

কিভাবে এসএসসি রেজাল্ট দেখবেন-How to see the SSC result

পিএসসি,এসএসসি,এইচএসসি ইত্যাদি রেজাল্ট প্রকাশের সময় রেজাল্ট দেখতে আমাদের খুবই অসুবিধা হয়।কারণ আমরা নিজেরা রেজাল্ট না দেখে অন্য কারো সাহায্য নেই রেজাল্ট দেখতে।এবং এর জন্য আমাদের তাদের কাছে ধর্না দিতে হয়।কারণ তারা আরো অনেকের রেজাল্ট দেখে থাকে তার জন্য আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত রেজাল্টটি দেখতে অনেক দেরি করে থাকি।এখন থেকে আমরা নিজেরাই নিজেদের ফলাফল বা পরিচিত কারো ফলাফল বের করে দিতে পারব।

এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল দেখবেন যেভাবে-
প্রথমে  এই লিংকে যান- SSC Result
এরকম একটা ফর্ম আসবে-
Examination-এর ঘরে আপনি কোন পরিক্ষার রেজাল্ট দেখতে চান তা সিলেক্ট করে দিন।
Year-এর ঘরে কোন বছরের পরীক্ষার ফলাফল দেখতে চান সেটি দিন।
Bord-এর ঘরে আপনি কোন বোর্ড হতে পরীক্ষা দিয়েছেন সেটি দিন।
Roll- রোল এর ঘরে আপনার রোল নম্বর টি দিন।
Reg No-এই ঘরটিতে আপনার রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি দিন।
8+3 এখানে এক এক সময় এক এক ধরনের সংখ্যা দেখা যাবে।এটিকে মূলত বলা হয় ক্যাপচা।এখানে যোগ বিয়োগ যেটি থাকে তার সমাধান করে ঘরটিতে বসিয়ে দিন।
এরপরে আপনার সকল তথ্য ঠিকঠাক থাকলে সাবমিট(Submit) বাটনে ক্লিক করুন।তাহলে আপনার কাঙ্খিত ফলাফল টি চলে আসবে।
আপনার কোন তথ্য ভুল থাকলে আপনি রিসেট(reset) বাটনে ক্লিক করে আবার পুনরায় তথ্য দিতে পারেন।
N:B:ফলাফল প্রকাশের পরবর্তী সময়ে অনেকে একসাথে ট্রাই করার জন্য সাইট অনেক সময় স্লো কাজ করে।কেউ এ ঘটনার জন্য ঘাবরাবেন না।ট্রাই করবেন তাহলেই কাজ হবে।
এছাড়াও জেএসসি,পিএসসি,এইচএসসি পরীক্ষা সহ ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সকল রেজাল্ট পেতে আমাদের সাইটে চোখ রাখুন।

বিস্ময়কর কোডেক্স গিগাস বা ডেভিল'স বাইবেল


পৃথিবী এমন সব অজানা রহস্যময় জিনিস রয়েছে যা
আমরা জানতে পেরে বিস্মিত হই।এবং আমাদের অজানা এবং রহস্যময় বিষয় বস্তু জানার উপর আগ্রহ সেই প্রাচীনকাল থেকেই।তাই মানুষ এই সকল অজানা এবং রহস্যময় জিনিস গুলো উদঘাটন করতে কত প্রচেষ্টাই না চালায়।আজ আমি আপনাদের এমন একটি রহস্যময় জিনিস তুলে ধরতে চলছি!
কোডেক্স গিগাসঃ কোডেক্স গিগাস এটি একটি ল্যাটিন শব্দ এর বাংলা অর্থ হচ্ছে বিশাল বড় বই।এটিকে শয়তানের বাইবেল  (devils Bible) ও বলা হয়।এটি রচনা করা হয় আনুমানিক ১৩০০ শতাব্দীর প্রথম থেকে তৃতীয় শতাব্দীর মধ্যকার সময়কালে।বেনেডিক্ট পোডলাজাইসের আশ্রমে  এটি লেখা হয়।যেটি বর্তমানে চেক প্রজাতন্ত্র নামে পরিচিত।এটি রচনা করা হয় সম্পূর্ণ ল্যাটিন ভাষায়।
এবং এটিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ভালগেট বাইবেল এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক গ্রন্থ।এটি সুইডিশ সৈন্য বাহিনী  কর্তৃক ১৬৪৮ সালে (৩০ বছরের যুদ্ধে) যুদ্ধে অর্জিত লুন্ঠিত মাল হিসেবে নিয়ে যায়।বর্তমানে এটি সুইডেনের জাতীয় গ্রন্থাগার স্টকহোমে রয়েছে যদিও এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়।
এটির লেখক ছিলেন একজন মোনাকো যে তার আশ্রম কে চির স্মরণীয় করে রাখার জন্য এক রাতে এটি লিখতে শুরু করেন। এ টি তে রয়েছে অশুভ শক্তির বর্ণনা এবং শয়তানের ছবি।এবং এটি লিখতে সময় লেগেছিল মাত্র এক রাত।লেখক এটি লিখতে শয়তানের সহযোগিতা গ্রহণ করেছিল।আর এই কারণেই এটিকে বলা হয় ডেভিল'স বাইবেল।
বইটি লম্বা ৩৬.২ ইঞ্চি লম্বা এবং চওড়া ১৯.৭ ইঞ্চি।উচ্চাতা ৮.৬ ইঞ্চি।  বইটি আনুমানিক গাধার অথবা বাছুরের চামড়া দিয়ে তৈরি এবং এর কভারটি কাঠের তৈরি।এবং বিভিন্ন ধাতু দ্বারা অলংকৃত।এটি তৈরিতে আনুমানিক ১৬০ টি চামড়া লেগেছে।এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ছিল ৩২০ টি পরবর্তীতে ৮ টি পৃষ্ঠা সরানো হয় এর থেকে। তবে পৃষ্ঠা সরানোর আসল কারণ জানা যায়নি।তবে ধারণা করা হয় এই পৃষ্ঠা  গুলোতে বেনেডিক্ট সন্ন্যাসীদের নিয়ম ছিল।কোডেক্স জিগাস মধ্যযুগের সবচেয়ে পান্ডুলিপি।

এর সাথে জড়িত  রয়েছে অনেক প্রাচীন কল্পকাহিনীও আসুন সে বিষয়ে কিছু জেনে নেয়া যাক,

কোডেক্স জিগাস লেখেছিলেন একজন মোনাকো।তিনি মোনাকো প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করার জন্য তাকে শাস্তি প্রদান করা হয়। তার শাস্তির বিধান হয় তাকে একটি দেওয়াল এর সাথে জীবিত অবস্থায় গেঁথে রাখা হবে।এই কঠোর শাস্তি থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয় যে তিনি এক রাতের মধ্যে এমন একটি বই লিখবেন যেটাতে সারা বিশ্বের জ্ঞান  থাকবে।এবং তার এই লেখার মাধ্যমে সারা বিশ্বে তার আশ্রমের সুক্ষ্যাতি বজায় থাকবে।এবং সেই মতো পরিস্থিতি নেই বই লেখা শুরু করেন এবং মধ্যরাতের কাছাকাছি সময়ে এসে তিনি বুঝতে পারলেন যে আদৌ এটা সম্ভব নয়।
তাই তিনি উপাসনা শুরু করলেন।তবে সে উপাসনা ছিল ঈশ্বরের বা সৃষ্টিকর্তার নয়।তিনি শয়তানের উপাসনা শুধু করলেন।এবং তিনি শয়তানের কাছে এই প্রার্থনা  করলেন যে,তার আত্নার বিনিময় শয়তান যেন তার বইটি লেখা শেষ করতে সহযোগিতা করে।এবং শয়তানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে শয়তানের একটি ছবি আঁকেন বইটিতে।এতে দেখাযায় শয়তানের হাত এবং পায়ে চারটি করে নখ যুক্ত আঙ্গুল,দুটি জিহ্বা যুক্ত বিভৎস চেহারা।


ছবিটি উইকিপিডিয়া হতে সংগৃহীত।

মৃত্যু কি এবং বিভিন্ন ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে মৃত্যু ও মৃত্যু পরবর্তী জীবন সম্পর্কে যা বলা হয়েছে

মৃত্যু শব্দটি হচ্ছে চিরন্তন সত্য কারণ এই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করলে অবশ্যই তাকে মৃত্যুবরণ করতে হবে।এই সত্যকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না।বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে হয়তো আমাদের আয়ু দীর্ঘায়িত হয়েছে আমরা বিভিন্ন প্রকার  জটিল রোগ থেকে মুক্তি পাচ্ছি।তবে আমরা কেউই বলতে পারি না কে কখন মৃত্যুবরণ করবে।আমাদের সকলেরই একদিন না একদিন মৃত্যু বরণ করতে হবে এটাই সত্য।
বিজ্ঞানের ভাষায় মৃত্যু হচ্ছে প্রান আছে এমন জৈব বস্তু অর্থাৎ   জীবের জীবনের পরিসমাপ্তি কি মৃত্যু বলা হয়।অন্য দিক দিয়ে বলা যায়,মৃত্যু হচ্ছে এমন অবস্থা যখন জিবের শ্বসন,কাজ-কর্ম,খাদ্য গ্রহন অর্থাৎ যাবতীয় জাগতিক কাজ বন্ধ হয়ে যায়। 
মৃত্যু হওয়ার পরেও আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ জীবিত থাকে যেমন,মারা যাওয়ার ৫ মিনিট পরে মাথার কোষগুলোর মৃত্যু ঘটে।আবার হৃৎপিন্ডের কোষগুলো থাকে ১৫ মিনিট জিবিত।বৃক্কের গুলো প্রায় ৩০ মিনিট পর্যন্ত কার্যক্ষম থাকে।আর এর জন্যই মৃত্যুর পরে দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অন্যের শরীরে প্রতি- স্থাপন করা যায়।
আসুন তাহলে আমরা জেনে নেই বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন্ধে মৃত্যু সম্পর্কে কি বলা হয়েছে।
মৃত্যু সম্পর্কে হিন্দুদের ধর্মীয় গ্রন্থ শিব পুরানে বলা হয়েছে,
যদি কোন ব্যক্তি আকাশের ধ্রুবতারা  দেখতে না পান তাহলে সে  জানবে তার আয়ু অস্তাচলে।
মৃত্যুর সব থেকে বড় ট্রাক লক্ষণ টের পাওয়া যাবে দেহের ভিতর পুরান মতে, কোন ব্যক্তির দেহে  হলদেটে ভাব,এবং তাতে রক্ত বর্ন  আভা থাকে তবে বুঝতে হবে তার মৃত্যুর সন্নিকটে রয়েছে।
মৃত্যুর আগে সবকিছুই কৃষ্ণবর্ণ হয়ে যাবে।এবং মৃত্যুপথযাত্রীর কান, চোখ, নাক, জিভ পাথরের মত হয়ে যাবে।
যদি কেউ নিজের ছায়া দেখতে না পান তিনি জানবেন তার ঘাড়ের কাছে মৃত্যু নিশ্বাস ফেলছে।
তবে মৃত্যু সম্পর্কিত সকল ব্যাখ্যা থাকলেও হিন্দুরা কি বিশ্বাস করে যে মৃত্যু হয় শুধুমাত্র দেহের আত্মার মৃত্যু হয় না।এবং আত্মার পুনরায় নতুন দেহ ধারণ করে।এবং পুনর্জন্ম হয়।এবং আত্মা যখন এভাবে পুনর্জন্ম গ্রহণ করতে করতে সম্পূর্ণ পাপমুক্ত হয়ে তখন ঈশ্বর প্রাপ্তি হয় এবং পুনরায় আর জন্মগ্রহণ করেনা।তবে সৎ কাজ করলে মানুষ স্বর্গে যায়।কিন্তু স্বর্গসুখ চিরস্থায়ী না একটা সময় স্বর্গসুখ শেষ হয়ে যায়।পূণ্যফলের উপর ভিত্তি করে  স্বর্গ সুখ প্রদান করা হয়।এবং আরো সভ্য শেষ হলে পুনরায় আবার জন্ম গ্রহণ করতে হয়।
এবার জেনে নেয়া যাক ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে মৃত্যু নিয়ে কি বলা হয়েছে,
মৃত্যু হচ্ছে আখিরাতের প্রবেশদ্বার।
মৃত্যুর মাধ্যমে মানুষের ইহজাগতিক সকল কিছুর পরিসমাপ্তি ঘটে।
মালাক উল মউত, যাকে আজরাইলও বলা হয় মৃত্যুকালে সে এসে মানব দেহ থেকে আত্মা বের করে নিয়ে যায়।এবং এটি পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা আছে যে ব্যক্তি সৎ এবং ধার্মিক তার মৃত্যু হয় কম যন্ত্রণাদায়ক। পক্ষান্তরে অসৎ এবং খারাপ লোক জনের মৃত্যু হয় বেদনাদায়ক।
মৃত ব্যক্তির শেষকৃত্য সম্পাদনার পর তার নিকট মুনকার-নকীর নামক নীল চোখ এবং কালো গাত্রবর্ন বিশিষ্ট দুইজন প্রশ্নকারী ফেরেশতার আসে তাঁরা মৃত ব্যক্তির ঈমান তথা বিশ্বাস পরীক্ষার জন্য তাকে প্রশ্ন করে থাকেন। সৎ বিশ্বাসী ব্যক্তি তাদের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারবে এবং তারা মৃত্যু পরবর্তী জীবনে শান্তিতে বসবাস করবে। কিন্ত অসৎ অবিশ্বাসী ব্যক্তিরা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে না যার ফলে ফেরেশতারা তাদের জন্য কঠিন শাস্তি প্রদান করবেন। 

খ্রিস্ট ধর্ম মতে মৃত্যু পরবর্তী সময় হচ্ছে এমন একটি সময় যে সময় দেহের মৃত্যু ঘটলেও তার ইহজাগতিক আত্মপরিচয় এবং অস্তিত্বের রেশ বা চেতনা থেকে যায়।তবে কৃষ্টি ও চিন্তাধারার মধ্যে বিভিন্ন মতভেদ পার্থক্য দেখা যায়। কেউ মনে করেন, মৃত্যুর পর শেষ বিচারের আগে পর্যন্ত সকলেই ঘুমিয়ে থাকে এবং তারপর, সকলকেই স্বর্গে অথবা নরকে পাঠানো হবে। আবার অনেকে মনে করেন, মৃত্যুর মুহূর্তেই লোকদের বিচার শুরু হয়ে যায় এবং অনন্তকালীন চূড়ান্ত গন্তব্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।এবং তাদের মধ্যে অনেকে এটা বিশ্বাস করে যে মৃত্যুর পরে তাদের একটি অস্থায়ী স্বর্গ বা নরকে পাঠানো হয় যেখানে বসে তারা অনন্তকালের গন্তব্যের জন্য অপেক্ষা করবে।
তবে তারা এটা বিশ্বাস করে পুনরুত্থানের সময় যীশু তাদের সবাইকে পাপমুক্ত করবেন।
উপরোক্ত ধর্ম ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মের বিভিন্ন ধরনের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে মৃত্যু সম্পর্কে।সেগুলো তুলে ধরা একটি পোস্টের  মাধ্যমে সম্ভব নয়।এবং প্রতিটি ধর্মের মৃত্যু সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা দেওয়া রয়েছে। 
এ হচ্ছে শুধুমাত্র একটি ধারণা ব্যতীত আর কিছুই না।তারান বিস্তারিত বলতে গেলে কয়েকটি পোষ্টেও শেষকরা সম্ভব নয়।তবে এর ভিতরে কোন ভুল করে থাকলে ক্ষমা করবেন।যদি ভুল হয়ে থাকে সেটা অনিচ্ছাকৃত।

বাংলা ভাষা নির্ভর কয়েকটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট

বর্তমানে ওয়েবসাইট হচ্ছে জ্ঞানের একটি অন্যতম উৎস!কারণ এসব ওয়েবসাইটের বিভিন্ন ধরনের জ্ঞানমূলকএবং শিক্ষনীয় বিষয় সম্পর্কে তুলে ধরা হয়।ওয়েবসাইট  বিভিন্ন ধরনের হয় যেমন, প্রশ্ন উত্তর, ফোরাম, ব্লগ, পার্সোনাল, বিজনেস ইত্যাদি।

বর্তমান সময়ে হচ্ছে প্রযুক্তি নির্ভর যুগ।আমাদের সব ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ছোঁয়া লক্ষণীয়।জ্ঞানের ক্ষেত্রেও বা শিক্ষার্জনের ক্ষেত্রেও বিষয়টি  একই।শিক্ষার জন্য উপকরণ বই,খাতা,পেন্সিল ইত্যাদি।বর্তমান সময়ে শিক্ষা উপকরণ গুলো একই থাকলেও।শিক্ষা গ্রহণের ধরনের আমূল পরিবর্তন এসেছে।আগে কোন শব্দ বা ওয়ার্ড খুঁজতে হলে আমাদের ডিকশনারিতে অনেক সময় ব্যয় করে খোজা  লাগতো।কিন্তু প্রযুক্তির বদৌলতে এখন আর অতটা সময় ব্যয় করে কিছু খোঁজ করা  লাগে না।এখন ইন্টারনেটে সার্চ করলেই কাঙ্খিত ফলাফল পাওয়া যায় এক মুহূর্তের মধ্যে। আজ আমি আপনাদের এমন কয়েকটি  ওয়েবসাইট এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো যেগুলোর মাধ্যমে আপনারা বিভিন্ন কিছু শিখতে এবং জানতে পারবেন-
জ্ঞানবিতান. কম

জ্ঞানবিতান.কম সাইটটি তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের জ্ঞানমূলক,স্বাস্থ্য,অনলাই আর্নিং,ফ্রিল্যান্সিং গাইডলাইন ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে।
 bdtip.com
এটি স্বাস্থ সেবা টিপস,অনলাইন আর্নিং টিপ্স,সহ বিভিন্ন প্রযুক্তি সম্পর্কিত খবরা-খবর সম্পর্কিত অসাধারণ একটি সাইট। এছাড়া ওয়েব সাইটটির একটি অন্যতম বিশেষত্ব হচ্ছে এখানে যদি কেউ আর্টিকেল লিখে আয় করতে চান। সে সুবিধা পাওয়া যাবে bdtip.com থেকে। এবং সাইটটি 100 ভাগ পেমেন্ট করে। তাই আপনি যদি আর্টিকেল লেখায় পারদর্শী হন তাহলে অবশ্যই এই সাইটি হতে পারে আপনার আয়ের আরেকটি অন্যতম উৎস।কারন অন্যান্য সাইট রয়েছে যেগুলোতে আয়ের পরিমান যেমন কম তেমনি নিশ্চয়তাও নেই পেমেন্ট করবে কি না কিন্তু bdtip.com আপনাকে পেমেন্ট করবে ১০০% নিশ্চিত।এবং সাইটটি প্রতি পোস্টে ২৫ টাকা করে প্রদান করে।যা অন্য সাইটে কখনোই করে না।এবং সাপ্তাহিক পেমেন্ট সুবিধা তো আছেই।

বিস্ময়.কম


বিস্ময়.কম সাইটটি তৈরী করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন এবং উত্তর সম্পর্কে।এখানে আপনি যে কোন বিষয় প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করতে পারবেন।তবে প্রশ্ন করতে বা উত্তর প্রদান করতে আপনাকে সার্কিট একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।তবে এখানে অ্যাকাউন্ট তৈরি করা ছাড়াই  আপনি বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবেন সাইটটিতে।
টেকটিউন্স.কম

এখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি সম্পর্কিত টিপস পাবেন।এটি একটি জনপ্রিয় প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট।
ট্রিকবিডি.কম

এটি একটি প্রযুক্তি বিষয়ক ফোরাম সাইট।বিভিন্ন প্রযুক্তি বিষয়ক টিপস ছাড়াও অনলাইন আর্নিং এবং বিভিন্ন ধরনের টিউটোরিয়াল শেয়ার করা হয়।
টেকশহর.কম
এই সাইটের বিভিন্ন ধরনের আন্তর্জাতিক টেকনোলজির খবর।নতুন পণ্যের রিভিউ।
সমসাময়িক আলোচিত বিষয় এর উপর প্রতিবেদন ইত্যাদি করে থাকে।
এটা একটি জনপ্রিয় বাংলা ফোরাম সাইট।এবং এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় ঊষা সম্পর্কে জানতে পারবেন। 
প্রিয়.কম এটি একটি  বাংলাদেশের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট।বিভিন্ন ধরনের টিপস এবং খবরা-খবর এখানে শেয়ার করা হয়।
উল্লেখিত  সাইট গুলো ছাড়াও বাংলা ভাষা নির্ভর আরো অনেক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে।যেগুলো একটি পোষ্টের মাধ্যমে শেয়ার করা সম্ভব নয়। পরবর্তীতে আপনাদের জন্য আরো অনেক জনপ্রিয় এবং বিস্ময়কর ওয়েবসাইট নিয়ে হাজির হবো।