ইউটিউব থেকে টাকা উপার্জন করা হয় যেভাবে - how to make money from Youtube

বর্তমানে অনলাইন থেকে ইনকাম করা অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে তার মধ্যে অন্যতম বিষয় হচ্ছে ইউটিউবিং এবং ব্লগিং। এছাড়া অনেক ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস আছে  যেখানে কাজ করার বিনিময়ে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। তবে ফ্রিল্যান্সিং থেকে ইউটিউবিং বা ব্লগিং   এরমধ্যে ভিন্নতা রয়েছে। কারণ এখানে আয়ের উৎস এবং ধরন আলাদা যদিও এখান থেকে উভয় ক্ষেত্রেই অনলাইনের মাধ্যমে ইনকাম করা সম্ভব। তবে ইউটিউবিং বা ব্লগিং এর ক্ষেত্রে আপনার ইনকাম হবে আপনার ব্লগের  ভিজিটর এর উপর নির্ভর করে বা আপনার ইউটিউব এর ভিডিও কত ভিউ হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে ইনকাম করতে হবে আপনাকে কোন ক্লায়েন্টের কাজ করে। তবে আমাদের মধ্যে এখনো অনলাইনে সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের ভুল ধারণা রয়ে গিয়েছে। আমরা অনেকেই মনে করি অনলাইন মানে টাকা আর টাকা। কিন্তু বাস্তবতা তা নয়।আপনাকে টাকা পেতে হলে অবশ্যই কাজ জানতে হবে তাহলেই সফলতা আসবে!

আমার অনেকেই ইউটিউব থেকে আয় করার কথা শুনেছি তাদের মনে একটা প্রশ্ন বাসা বাধে যে কেমন করে আয় করা যায় উউটিউব থেকে!যারা  ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে তাদের আয়ের উৎস কি! আসুন আজ তাহলে জানা যাক কিভাবে আয় আসে ইউটিউব থেকে!

 ইউটিউবারদের প্রধান আয়ের এর উৎস হচ্ছে ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন। ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজ করার ফলে গুগোল ইউটিউব চ্যানেল থাকা ভিডিওর  উপর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে থাকে। এবং এই প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনের থেকে তারা অর্থ প্রদান করে থাকেন। তবে চ্যানেল খুলে ভিডিও আপলোড করলেই তারা চ্যানেলের মনিটাইজেশন চালু করে দেয় না। মনিটাইজেশন চালু করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্ত রয়েছে সকল শর্ত পূরণ হওয়ার পরেই তারা আপনার ইউটিউব চ্যানেলে তাদের বিজ্ঞাপন দেখানো শুরু করবে। ইউটিউব চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেখাতে হলে আপনাকে মনিটাইজেশন এর জন্য আবেদন করতে হবে। গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে তারা মূলত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে থাকে অ্যাডসেন্স হচ্ছে গুগলের একটি বিজ্ঞাপন প্রদর্শনকারী সেবা এখানে তারা বিভিন্ন কোম্পানির থেকে তাদের বিজ্ঞাপন গ্রহণ করে এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইট এবং অ্যাপস ও ইউটিউব চ্যানেলে তাদের বিজ্ঞাপন গুলো প্রদর্শন করতে থাকে। এর ফলে তারা বিজ্ঞাপন প্রদানকারি  প্রতিষ্ঠান থেকে তারা যে পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করে তার একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শতকরা হারে আপনাকে তাড়া অর্থ দিয়ে থাকবে।

 আপনি চাইলে এর বাইরে আরও বিভিন্ন উপায়ে আপনার ইউটিউব চ্যানেল থেকে ইনকাম করতে পারেন যেমন  বিভিন্ন সাইটের এফিলিয়েট লিংক শেয়ার মাধ্যমে। এমন অনেক সাইট আছে যারা তাদের  এফিলিয়েট লিংক শেয়ার করার ফলে আপনাকে   অর্থ প্রদান করবে। তবে ইউটিউব থেকে আয় করার প্রধান এবং সবচেয়ে বড় ভাইয়ের উৎস হচ্ছে ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন করা। আপনি এত লেট লিংক শেয়ার বা অন্যান্য পায়ের মাধ্যমে সামান্য কিছু অর্থ  আয় করতে পারলেও  আপনাকে সেটি দীর্ঘমেয়াদি আয় আনতে পারবে না।

  তবে ইউটিউব কখনোই  ভিডিওর ভিউ উপর নির্ভর করে আপনাকে অর্থ প্রদান করে না। আপনার সাথে যদি মনিটাইজেশন না থাকে তাহলে আপনার ভিডিও যতই ভিউ হোক না কেন ইউটিউব আপনাকে কোনরূপ অর্থ প্রদান করবে না। আপনার ইউটিউব ভিডিওর মাধ্যমে কতগুলো বিজ্ঞাপন শুরু হলো এবং কতগুলো মানুষ এই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলো তার উপর নির্ভর করে তারা আপনাকে টাকা দিয়ে থাকে।

Facebook এর স্বপ্নদ্রষ্টা মার্ক জাকারবার্গের সফলতার গল্প

সফলতা কারো একদিনের  কাজের ফল না। সফলতা অর্জন করতে হলে আমাদের প্রচুর পরিমাণে পরিশ্রম করতে হয়।এবং অনেক কিছু ত্যাগ করতে হয়। পৃথিবীতে যারা আজ পর্যন্ত সফল হয়েছে তাদের সফলতার পেছনে রয়েছে  অক্লান্ত পরিশ্রম কষ্ট দুঃখ এবং দুঃসহ জীবন যাপন। আমরা যদি বিভিন্ন মনীষীদের বিভিন্ন সফল ব্যক্তিদের জীবন বৃত্তান্ত খুঁজে দেখি তাহলে আমরা বুঝতে পারবো যে তারা কেউই তাদের সফলতার জন্য আলাদাভাবে কোন সুযোগ গ্রহণ করেনি। এবং যারা সফল হয়েছেন তারা তাদের পূর্বপুরুষের কোন   সুনাম বা ক্ষাতিকে  তারা তাদের পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করেনি। তারা তাদের বুদ্ধিমত্তা  এবং তাদের সৃজনশীলতা দিয়ে সফল হয়েছেন আমরা আজ এরকম একটি সফল ব্যক্তির জীবনের সম্পর্কে জানবো যিনি আমাদের সকলের পরিচিত। আমরা যারা ইন্টারনেট এবং বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কে জানি তাদের ভেতরে অনেক  কম মানুষই আছে যারা তাকে চেনে না।
Mark Zuckerberg 


আমদের মাঝে সকলেই মার্ক জাকারবার্গকের সম্পর্কে জানি এবং তাকে চিনি।তিনি ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা।ফেসবুক হচ্ছে বর্তমান সময়ের সর্বাধিক জনপ্রিয় একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে থাকে। লক্ষ লক্ষ মানুষ বললে ভুল হবে কোটি কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করেন প্রতিদিন। মার্ক জাকারবার্গের এই ফেসবুক তৈরি করতে কিন্তু প্রচুর পরিমাণে সময় লেগেছে। তার এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য তাকে কাজ করতে হয়েছে দিনরাত। এবং তার সফলতা পেতে কম কষ্ট করতে হয়নি। ফেসবুক আবিষ্কারের প্রথমে কিন্তু তিনি সফলতার মুখ দেখেননি।আসুন জেনে নেই ফেসবুক আবিষ্কার করতে জাকারবার্গকে তার স্বপ্নের জন্য কি কি ত্যাগ করতে হয়েছিলো।

২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে মার্ক জাকারবার্গ  হার্ভার্ড ইউনিভারর্সিটির এক হল থেকে তিনি ফেসবুক তৈরি করেন।ফেসবুক হচ্ছে এমন একটি ওয়েব সাইট যেখানে একে অপরের সাথে যোগাযোগ সম্ভব। বর্তমান সময়ে ফেসবুক হচ্ছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করা একটি সোশ্যাল মিডিয়া।

এরপর তিনি জীবনের সবচেয়ে কঠিনতম সিদ্ধান্তের সম্মুখীন হন। তখন তাকে হার্ভার্ড ইউনিভাসির্টি ত্যাগ করতে হত অথবা সেখানে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হতো।মার্ক জাকারবার্গ বলেন- "অামার মাত্র ৫ মিনিট সময় লেগেছিলো সিদ্ধান্ত নিতে যে অামি ড্রপঅাউট করতে যাচ্ছি"।
.
কিন্তু এটাই তার জীবনের একমাত্র চ্যালেঞ্জ ছিল না। কিছুদিন পর ইয়াহু তাকে এক বিলিয়ন ডলার মুল্যে ফেসবুক বিক্রি করে দেওয়ার অফার দেয়। কিন্তু জাকারর্বাগের তার নিজের স্বপ্নের উপর অাস্থা ছিলো।এবং তিনি জানতেন একদিন ফেসবুকের ভ্যালু অারো বেশি হবে। তাই তখন তিনি ফেসবুককে বিক্রি করতে রাজী হয়েছিলেন না। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই  টিমের অধিকাংশ মেম্বারই জাকারবার্গের এই বিশ্বাসের ওপর আস্থা রাখতে পেরেছিলেন না। তাই এক বছরের মধ্যেই ফেসবুকের পুরো ম্যানেজমেন্ট টিম কোম্পানি ছেড়ে চলে যান। কিন্তু এর পরেও তিনি হতাশ হয়ে যাননি এবং তার স্বপ্নের ওপর আস্থা হারিয়েছিলেন না। তিনি নতুন টিম গঠন করলেন এবং কাজ শুরু করলেন।


আজ ফেসবুক বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্ক এবং মার্ক জাকারবার্গ বিশ্বের ৫ম শীর্ষ ধনীদের একজন। তাহলে জাকারবার্গের এই অধ্যবসায় এবং সফলতা অর্জনের জন্য যে পরিশ্রম করেছে তার থেকে আমরা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারি। আমাদের কোনো কাজেই ধৈর্য হারালে চলবে না। ধৈর্যই হল সফলতার অন্যতম চাবিকাঠি তাই আমাদের প্রতিটি কাজ ধৈর্য এবং সততার সাথে করে যাওয়া উচিত তাহলে আমরা জীবনে সফল হতে পারব।

কানের সংক্রমন কেন হয় এবং মুক্ত থাকার উপায়

আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল অংশ হলো কান।আমরা কানের থাকি। এসকল সমস্যার মধ্যে  একটি অন্যতম সমস্যা হলো কানে ব্যথা।আমরা বিভিন্ন কারনে কানে ব্যাথা হয়ে থাকে তবে
  আর তাই ব্যথার কারণ জেনে নিলে তবেই আমরা কানে ব্যাথার জন্য পদক্ষেপ গ্রহন  করতে পারব।আমাদের বিভিন্ন কারনে কানে ব্যাথা হয় এবং অনেকেই এই সমস্যায় অনেক যন্ত্রনা ভোগ করতে হয়!আসুন তাহলে কানে ব্যাথার কারন,চিকিৎসা এবং সতর্কতা সম্পর্কে জানবো।

কানে ব্যথার প্রধান কারণ-

কানে ব্যাথার অনেক কারন থাকতে পারে তবে কানে ব্যথা, কান ভারি লাগা বা কানের সমস্যার পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে সংক্রমণ।আমরা অনেকেই মনে করি শুধু শীতকালে ঠাণ্ডা লেগেই কিন্তু কানে ইনফেকশন হয় না। সারা বছরেই কানে ইনফেকশন হতে পারে।কিন্তু কানে কেন এই সংক্রমণ হয় এবং কীভাবে সংক্রামন রোধ করতে পারি তা আগে থেকে যেনে রাখা ভাল

কানে যন্ত্রনা কেন হয়?

সাধারণ ভাবে কানের বাইরের দিকে বা মিড্ল ইয়ারেই সংক্রমণ হয় ও ঠাণ্ডা লাগলে নাকের সর্দিটা কানের দিকে চলে গিয়ে সংক্রমণ হয়। বড় বা ছোট সবার কানের সংক্রমণ হতে পারে।কান পরিষ্কার করতে ইয়ার বাড ব্যবহার করে এতে খুব সহজেই কানে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে এবং ইনফেকশন হতে পারে। এক্সটার্নাল ইয়ারে তখন ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। এ ছাড়া অনেকেরই স্বভাব থাকে কটন বাড দিয়ে সারাক্ষণ কান পরিষ্কার করার। সেটাও বিপজ্জনক।শরীর সুস্থ রাখতে অনেকেই সাঁতার কেটে থাকে।সাতার কাটার সময় কানে পানি গিয়েও যন্ত্রনা তৈরি করতে পারে।আমাদের মনে রাখতে হবে, প্রত্যেকের কানেই একটা ওয়্যাক্সের স্তর থাকে, যা কানের অন্দরমহলকে বাইরের ধুলোবালি থেকে রক্ষা করে। কিন্তু ঘনঘন কটন বাড দিয়ে কান খোঁচালে সেই স্তর নষ্ট হয়ে যায়। এ ছাড়া খুব ঠাণ্ডা লেগে আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাকে সংক্রমণ হলে তা পৌঁছে যেতে পারে কানে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।


কানে ব্যথা হলে কী করবেন?

শিশুদের কানে সংক্রমণ খুব স্বাভাবিক একটি বিষয়। বাচ্চারা কানে কিছু দিয়ে খোঁচাখুচি না করে সে দিকে খেয়াল রাখা আমাদের অত্যন্ত জরুরি। বাচ্চাদের কানে ব্যথা হলে তাদের কানে বেশি হাত না দেওয়াই ভালো।আমরা টর্চ দিয়ে ভেতরে কী সমস্যা হয়েছে তা কান টেনে দেখার চেষ্টা করি এতে শিশুর কানে আরো ব্যথা বাড়তে পারে। বরংচ অল্প অল্প করে হালকা গরম স্যাঁক দেওয়া উচিত।গ্রামের অনেকে কানে যন্ত্রনার কারনে কানে গরম তেল দিয়ে থাকেন কিন্তু  গরম তেল জাতীয় কোনো কিছু কানের ভেতরে দেওয়া উচিত না। শিশুর বারবার কানের সংক্রমণ হতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

যে সকল বিষয়ে খেয়াল রাখবেন-

অনেক সময়ে গরম পানির সেক নিলেও কানের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
আমরা কানের যন্ত্রনার জন্য কানের ড্রপ ব্যবহার করি প্রত্যেকটি কানের ড্রপ ব্যবহারের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে। কখনোই পুরোনো কানের ড্রপ ব্যবহার করবেন না।কানে আঙুল দিয়ে কখনোই  খোঁচাবেন না।কানে খোচালে কানের সংক্রমন হতে পারে এছাড়া নখ বড় থাকলে তা থেকে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।কানে ব্যথা হলে পরিষ্কার কাপড় হালকা গরম স্যাঁক দেওয়া যেতে পারে।সাতার কাটতে গিয়ে কানে পানি ঢুকে গেলে আমাদের মাঝে অনেকেই আবার কানে পানি ঢুকিয়ে সেই কান পরিষ্কার করার চেষ্টা করেন।এটি একেবারেই উচিত নয়।নরম তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে যতটা সম্ভব পানি মুছে নেওয়া যায় মুছে নিন। বাকিটা ঠিক সময় মতো বেরিয়ে যাবে।

কান পরিষ্কার রাখতে কী করতে হবে?

কান পরিষ্কার রাখার জন্য বাইরে থেকে আমাদের কিছু করার প্রয়োজন নেই। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে কানকে নিজের মতো থাকতে দিন। কান নিজেই নিজেকে পরিষ্কার রাখতে সক্ষম। কান পরিষ্কার করতে বারবার কটন বাড ব্যবহার করা, পানি দেওয়ার স্বভাব থাকলেই বরং কানে ইনফেকশনের আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে। তার চেয়ে বরং প্রতিদিন গোসলের পরে নরম তোয়ালে দিয়ে কানের যতটা অংশ পারবেন মুছে নিন।কখনোই জোর করে কানের ভেতরে খোঁচাখোঁচি করবেন না।

কানের সংক্রমন থেকে সতর্ক থাকুন-

 ছোট শিশুকে কোলে শুইয়ে দুধ খাওয়ানোর সময়ে খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চার কানে যেন দুধ চলে না যায়। অনেক সময়ই বাচ্চাদের কানে দুধ ঢুকে সংক্রমণ হয়ে থাকে।সেফটিপিন বা কোনো কাঠি দিয়ে কখনোই কান পরিষ্কার করবেন না এবং খোচাবেন না।
অনেকেই মোবাইলের ইয়ারফোন ব্যবহার করে থাকে এবং একে অপরের সাথে ইয়ারফোন শেয়ার করি কিন্তু কারো সঙ্গে ইয়ারফোন শেয়ার না করা উচিত নয়। ইয়ারফোন ব্যাগের মধ্যে ফেলে রেখে দিলে তাতে ধুলোবালি ও ব্যাকটেরিয়া বাসা জমতে পারে। তখন সেটি কানে গোঁজার সময়ে তা সহজেই কানের ভেতরে প্রবেশ করে থাকে। এতে সংক্রমণ খুব সহজেই ছড়ায় এবং দ্রুত।
কোন কারনে কান ভারি লাগলে বা কানে শুনতে অসুবিধা হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।এবং কান ধরে বেশি টানাটানি করবেন না।তাহলে কান সুস্থ থাকবে।

পোল্ট্রি মুরগির কলিজা বাচ্চাকে খাওয়াচ্ছেন?দেখুন এর ক্ষতিকর দিক গুলো

বর্তমান সময়ের আমাদের দেশে ৯০% এর বেশি মাংসের চাহিদা পুরন করে থাকে পোল্ট্রি মুরগি ও কক জাতিয় ফার্মের পোষা মুরগি।এ সকল মুরগিকে খাওয়ানো হয় বিভিন্ন খাবার যা মুরগি কে দ্রুত বড় করে তুলে।এক মাসের ভিতর একটি ফার্মের মুরগি ১-২ কেজি পর্যন্ত বড় হয়ে যায়।এসকল মুরগির খাবারে থাকে অনেক বিশাক্ত পদার্থ যা মুরগির মাধ্যমে আমাদের শরিরে প্রবেশ করে।
চিত্র:মুরগির কলিজা

কলিজা বাচ্চার জন্য উপকারী বিধায় বেশিরভাগ মায়েরাই বাচ্চাকে কলিজা খাইয়ে থাকেন। কিন্তু বর্তমানে কলিজা খাওয়ানো আর নিজের হাতেরবাচ্চাকে বিষ খাওয়ানো সমান হয়ে গিয়েছে।
বাজার থেকে কিনে আনা কক আর ফার্মের পোল্টি মুরিগীকে যে ট্যানারির বর্জ্য থেকে তৈরীকৃত খাদ্য খাওয়ানো হয় তা আমরা বিভিন্ন খবরের কাগজ,সোশ্যাল মিডিয়া,টিভিতে দেখে থাকি।চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার জন্য ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন বিষাক্ত ক্যামিকেল।আর এসকল বিশাক্ত বর্জ্য দিয়ে তৈরি হয় পোল্ট্রি মুরগির খাবার।  ট্যানারির চামড়া থেকে যে বর্জ্য পদার্থ হয় তাতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বিষাক্ত ক্রোমিয়াম থাকে।আর এই বিষাক্ত ক্রোমিয়াম হতে পারে আমাদের মৃত্যুর কারণ। 
কলিজা হলো প্রতিটি জীবের দেহের শোধনাগার। তাই মুরগির কলিজা মুরগীকে বাচানোর জন্য বেশিরভাগ ক্রোমিয়াম সংগ্রহ করে নিজের মধ্যে জমিয়ে রাখে।সাম্প্রতিক কালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ডঃ আবুল হোসেনের গবেষনায় দেখা গিয়েছে মুরগীর দেহের মধ্যে কলিজাতে ৬১২ মাইক্রোগাম ক্রোমিয়াম জমে।যেখানে ক্রোমিয়াম খাওয়ার নিরাপদ মাত্রা হলো ৩৫ মাইক্রোগাম।
চিত্র:পোল্ট্রি মুরগি


তবে প্রথম ও দ্বীতিয় স্থানে আছে মগজ (৪৫২০ মাইক্রোগ্রাম) ও হাড় (২০০০ মাইক্রোগ্রাম)। আর সবচেয়ে কম আছে মাংসে। তবে সেটাও নিরাপদ মাত্রায় না। তাই কলিজা,মগজ আর হাড়ের সুপ খাওয়ানোর সময় অবশ্যই আরেকবার ভাবা উচিত।
খাওয়াতে চাইলে একদম ঘরে পালা মুরগী অথবা গরু/খাসীর কলিজা খাওয়ানো উচিত।কারন এসকল মুরগির খাবারে ক্রোমিয়াম থাকে না।
আর স্যুপ খাওয়াতে চাইলে, বাচ্চা মুরগীর খাওয়ানো উচিত, কারণ তাতে ক্রোমিয়াম কম জমা থাকে কারন বয়সের সাথে সাথে জমার পরিমাণ বাড়ে।
ক্রোমিয়াম এর ধারণাটি নতুন তাই এটা নিয়ে কেউ ভাবেনা।
আপনাকে যদি ১ গ্লাস পানি দিয়ে বলা হয় এতে আর্সেনিক আছে, অথবা ফল দিয়ে বলা হয় এটা এই মাত্র ফরমালিন এ চুবিয়ে আনা হয়েছে, আপনি কি বাচ্চাকে খাওয়াবেন?

কারণ ফরমালিন আর আর্সেনিক সম্পর্কে আমরা ছোটবেলা থেকে শুনে এসেছি এবং জানি।তাই আমরা ফরমালিন এবং আর্সেনিক  থেকে ব্যাপক সচেতনতা গ্রহণ করি। কিন্তু আমরা ক্রোমিয়াম সম্পর্কে ততটা সচেতন নয় বলে আমরা কোন গুরুত্ব দেই না।কিন্তু এটি কতটা মহামরি আকার ধারন করতে পারে তা আমরা কল্পনা করেও দেখছি না।এর ফলে ক্যান্সের মত ব্যাধি আমাদের খুব সহজেই আক্রান্ত করতে পারে।
তাই ঘরে ঘরে রোগাক্রান্ত মানুষ দেখার আগেই আমাদের ক্রোমিয়াম সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত।
আমাদের সকলে সচেতনতা পারে আমাদের সুস্থ ও সুন্দর শরির নিশ্চিত  করতে পারে।আমাদের উচিত এসকল কিছু বর্জন করে চলা।

রবি সিমে নিয়ে নিন ১৫০০ এসএমএস মাত্র ২০ টাকায় মেয়াদ ১ মাস

আমরা অনেকেই  এসএমএস করে থাকি কিন্তু এসএমএস বান্ডেলের দাম অনেক বেশি এবং মেয়াদ কম হওয়ার কারনে সমস্যার ভিতরে পরি।তাই আপনাদের জন্য নিয়ে মাত্র ২০ টাকায়  ১৫০০ এসএমএস প্যাক।এটি খুব সুন্দর একটি অফার।এবং আপনি এই এসএমএস ব্যবহার করতে পারবেন পুরো মাস জুরে।
প্যাকটি আপনি খুব সহজেই এক্টিভ করতে পারবেন।এর জন্য আপনাকে কোন প্রকার এপ্স বা লিংকে প্রবেশ করতে হবে না।
আপনি খুব সহজেই অফারটি চালু করতে শুধু মাত্র একটি কোড ডায়াল করতে হবে।
অফারটি চালু করতে প্রথমে আপনার ফোনে ২০+ টাকা থাকতে হবে কারন প্যাকেজটিতে আপনার থেকে ২০ টাকা কেটে নিবে।আপনার ফোনে ২০+ টাকা থাকলে এবং আপনি অফারটি চালু করতে ডায়াল করুন-
*123*2*7*3#
কোডটি ডায়াল করলে নিচের ছবির মত দেখাবে-
এখন আপনি যদি প্যাকটি ক্রয় করতে ইচ্ছুক হন তাহলে 1 লিখে Send বাটনে প্রেস করুন।আপনার ২০ টাকায় ১৫০০ এসএমএস ৩০ দিন মেয়াদের প্যাকটি চালু হয়ে যাবে।এবং এই এসএমএস সকল সিমে ব্যবহার করতে পারবে।
ফিরতি একটি এসএমএসের মাধ্যমে আপনাকে কনফার্ম করে দেওয়া হবে।এসএমএস ব্যালেন্স জানতে ডায়াল করুন *222*12#
পরবর্তী বিভিন্ন অফার পেতে আমাদের সাইটটি নিয়মিত ভিজিট করুন।

Skitto সিমে Bikash থেকে রিচার্জ করবেন যেভাবে


skitto হচ্ছে গ্রামীনফোনের একটি সাব-ব্রান্ড।সিমটি মুলত ব্যবহার করা হয় ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য।কারন স্কিটো সিম দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করা সহজ এবং সাশ্রয়ী।skitto সিম থেকে আপনি অল্প মুল্য ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছেন।যারা নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহার করেন কিন্তু ব্রডব্যান্ড কানেকশন নেই।তাদের জন্য বেস্ট সলুশন হচ্ছে  স্কিটো সিমটি।কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা স্কিটো সিমের রিচার্জ পদ্ধতি।তাই আজ আমার জানব skitto সিমে Bikash থেকে কিভাবে রিচার্জ করতে হয়।
বিকাশ দিয়ে স্কিটো রিচার্জ করুন খুব সহজে
আপনি খুব সহজেই এখন গ্রামীনফোনের Skitto সিম টি বিকাশ থেকে রিচার্জ করতে পারবেন।এর জন্য আপনাকে যে সকল বিষয় অনুসরণ করতে হবে তা দেখাবো।
প্রথমে আপনি আপনার ফোনের ডায়াল প্যাডে *247# (বিকাশের কোড)ডায়াল করুন।কোডটি ডায়ল করলে আপনার সামনে বিকাশের মেনু ওপেন হবে।
এখান থেকে মোবাইল রিচার্জ অপশনটি সিলেক্ট করতে ২ লিখে সেন্ট বাটনে ক্লিক করুন।তাহলে আপনি কোন সিমে রিচার্জ করবেন তার অপশন গুলো আসবে।


সেখান থেকে ৪ নম্বর অপশন অর্থাৎ গ্রামীনফোন সিলেক্ট করুন।তাহলে প্রিপেইড,পোস্টপেইড,স্কিটো অপশন আসবে।

সেখান থেকে ৩ নম্বর অপশন Skitto সিলেক্ট করুন।এবার আপনার স্কিটো সিমের নম্বর চাইবে।
 
আপনার স্কিটো সিমের নম্বরটি দিন এবং সেন্ট বাটনে ক্লিক করুন।এবার আপনার কাছে রিচার্জের এমাউন্ট জানতে চাইবে।
 
আপনি যত টাকা রিচার্জ করতে চান তার পরিমান দিন।তারপরে সেন্ট বাটনে প্রেস করলে আপনার নিকট বিকাশের পিন চাইবে।আপনার বিকাশের সঠিক পিন কোড প্রদানের মাধ্যমে আপনার skitto রিচার্জ কনফার্ম করুন।রিচার্জ সম্পন্ন হলে এমন একটি কনফার্মেশন মেসেজ দেখাবে।
 
এবং আপনার skitto একাউন্টে ব্যালেন্স যোগ হয়ে যাবে।খুব সিম্পল ও স্বল্প সময়ের মধ্যে রিচার্জ হয়ে গেল আপনার স্কিটো সিমে।

এই সিমটি দিয়ে আপনি  খুব অল্প খরচে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।এবং কোন প্রকার হিডেন চার্জ করবেনা সিমটি।নেট স্পিডও অনেক ভালো।এখানে আপনি আপনার ইচ্ছামত ডাটা বান্ডেল তৈরি করে নিতে পারবেন।


How To Fix Block Website Addresses From Facebook

Today's post will know how to fix block website address from facebook.Sometimes the link to our website gets blocked due to additional shares or additional posts.Then we failed to share the link to our website on Facebook.Facebook may block links to our website for various reasons.The reasons that Facebook blocks the links on our website.



We can learn from Facebook's policy on why Facebook blocks links.
I'm blocked from doing something on Facebook, like posting, sharing or commenting.
We may block people from doing something on Facebook when:
  • Something you posted or shared seems suspicious or abusive to our security systems. This can last up to a few days.
  • Messages or friend requests you sent were marked unwelcome. This can last up to a few days.
  • You've done something that doesn't follow our Community Standards. This can last up to 30 days

To avoid blocks like this in the future, you can:
  • Review our Community Standards to understand what kind of sharing is allowed on Facebook.
  • Only message people you already know.
  • Only send friend requests to people you know.

We understand that you may have had good intentions or may have not known about ourpolicies on acceptable behavior, and we also understand that this block can be frustrating.

To help keep Facebook open and welcoming, we try to prevent people from unintentionally misusing Facebook, even if you felt

 how to fix block website address from facebook-
If you would like to resolve the problem, you must first enter this link LINK HARE👍
Upon entering here, you will find an application box in front of you. Copy and paste the following text into it. Of course you will need to enter your site address instead of our site address.
Hi facebook authority,
I am a user of https://gganbitan.com . It is very useful website. They share some valuable articles on their site. Many other people learn many thing from it. But i can’t share their website link on facebook. Facebook says it is a spam link. But it is not.

They use https secure browsing for user. So the users are safe and also their data. They also provide their privacy policy on the site. 

Please take a time to review the website. I think, you have to change your mind after review. I am waiting for your update.
They will review your application within a few days of submitting it. And if your site is really harmful and there is nothing against their policies. Then your link will be fixed. And you can share the link to your website again on Facebook.

ওজন কমাতে না খেয়ে থাকছেন? দেখুন এর ক্ষতিকর দিকগুলো

অতিরিক্ত ওজন আমাদের সকলেরই সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ আমাদের অতিরিক্ত ওজনের ফলে শরীরের ফিটনেস নষ্ট হয় এবং কেউই চায় না অতিরিক্ত ওজন নিয়ে চলাফেরা করতে।সবাই চায় ফুর ফুরে এবং  হালকা পাতলা স্লিম বডি। ওজন কমানোর জন্য আমরা কত কিছুই না করি। তার মধ্যে আমাদের অনেকেরই দেখা যায় ওজন কমানোর জন্য আমরা না খেয়ে থাকি।এবং খুব কম পরিমাণে খাবার খাই এটি আসলে একদমই ঠিক নয়।কারণ কম খাওয়া এবং না খেয়ে থাকার  কারণে আমাদের শরীরের বিভিন্ন জটিল সমস্যা এবং পুষ্টিহীনতা দেখা দিতে পারে।


 তাহলে চলুন আজ আমরা জেনে নেই ওজন কমানোর জন্য না খেয়ে থাকার  ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে-

 পুষ্টিহীনতা-
 অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য না খেয়ে থাকার ফল হতে পারে পুষ্টিহীনতা।কারণ আমাদের প্রত্যেকের শরীরের নির্দিষ্ট পরিমাণ পুষ্টি উপাদান এবং ক্যালরির প্রয়োজন রয়েছে। যদি আমরা ওজন কমানোর জন্য না খেয়ে থাকি তাহলে আমাদের শরীরে পুষ্টির  অভাব দেখা দিতে পারে। কারণ  আমাদের দেহ প্রয়োজনীয়তার  অনুপাতে খাদ্য উপাদান কম পেলে পুষ্টি হীনতা দেখা দেবে এটাই স্বাভাবিক।
চুলের সমস্যা-
 আমাদের দেহের প্রতিটা অঙ্গের  সুস্থতা এবং সঠিক বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন পুষ্টির। এবং সে পুষ্টি আসে আমাদের প্রত্যেক দিনের খাদ্য থেকে। আমরা যদি ওজন কমানোর জন্য না খেয়ে থাকি তাহলে আমাদের পুষ্টির অভাব পূরণ হবে না। আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের যেমন পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তেমনি আমাদের চুলের ও পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। যদি আপনি অতিরিক্ত ওজন কমাতে গিয়ে  খাবার খাওয়া কমিয়ে দেন তাহলে আপনার শরীরের সকল পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি দেখা দেবে।এবং ফলশ্রুতিতে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যাবে। এবং চুল তার স্বাভাবিক ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবে।ফলে আপনার অন্যতম সৌন্দর্য বৃদ্ধির  উপাদান চুল হারিয়ে আপনি টাক হয়ে যাবেন!

 স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যাওয়া-

 আমরা সকলেই জানি যদি সত্যি সফল রাখবে পুষ্টি উপাদানের কোন বিকল্প নেই। নিয়মিত পুষ্টি গুন সমৃদ্ধ খাবারই  পারে আমাদের ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করতে। আপনি যখন  ওজন কমানোর জন্য খাদ্য গ্রহণ কমিয়ে দেবেন তখনই আপনার শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি দেখা দেবে।এবং ফলশ্রুতিতে আপনি খুব দ্রুত একটা জিনিস  ভুলে যাবেন। এবং শক্তি ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়বে।

ওজন কমানোর বীপরিতে অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি করা-

 আপনি যখন ওজন কমানোর জন্য না খেয়ে থাকবেন এবং আপনার অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগার পরে  আপনি খাদ্য গ্রহণ করবেন। তখন আপনার দেহ অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ করতে চাইবে।এবং যার ফলশ্রুতিতে একবারে আপনার অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ করা হয়ে যাবে। একবারে অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ  করার কারণে আপনার ওজন কমার বীপরিতে আরো বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে।

 শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া-
 শরীরের শক্তি  আসে খাদ্য থেকে। যখন একটি খাদ্য গ্রহণ কমিয়ে দেবে তখন আপনার শরীরের ক্যালরি গ্রহণ কমে যাবে। যার ফলে আপনার শরীর ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়বে।

 ওজন কমাতে আমাদের  না খেয়ে থাকা মোটেই উচিত নয়।বরঞ্চ পুষ্টিকর এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা উচিত।তেল চর্বি জাতীয় খাবার  অতিরিক্ত ফ্যাট জাতীয় খাবার পরিহার করুন এতে দ্রুত ওজন কমানো সম্ভব। পরিশ্রমের কাজ এবং ব্যায়াম আমাদের ওজন দ্রুত কমিয়ে আনতে সহায়তা করবে। এর ফলে আমাদের  শরীরের ওজন ঠিক থাকবে তেমনি আমাদের শরীরের সকল কিছু নিয়ন্ত্রনে থাকবে  তেমনি আমাদের ফিটনেস বজায় থাকবে।

অনার্স এবং ডিগ্রির মধ্যে যেসকল পার্থক্য

আমরা অনেকেই আছি যারা অনার্স এবং ডিগ্রির মধ্যে পার্থক্য সঠিকভাবে জানিনা। অনেকেই আছে এটি শুধু নাম এর পার্থক্য। এবং অনার্সের কোর্স চার বছর এবং ডিগ্রীর কোর্স তিন বছরের এইটুকুই জানি।যারা মূলত অনার্স এবং ডিগ্রির মধ্যে পার্থক্য ভালোভাবে জানেন  হয়তো আপনারা ভাবতে পারেন এটা কি রকম পোস্ট।
কিন্তু আসলে এমন অনেকেই আছেন যারা অনার্স এবং ডিগ্রির ভেতরের সত্যিকার অর্থে পার্থক্যটা ভালোভাবে এবং সুস্পষ্ট ভাবে জানেন না। তাই তাদের জন্য আজ আমাদের এই পোস্টটি।

মূলত যারা ইন্টার শেষ করেছেন এখন অনার্স অথবা ডিগ্রিতে ভর্তির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাদের জন্য এই পোস্টটি দারুন ভাবে কার্যকর হবে। কারণ পোস্ট টি থেকে আপনি জানতে পারবেন অনার্স এবং ডিগ্রির মধ্যকার পার্থক্য। 
 অনার্স  শব্দের অর্থ হচ্ছে সম্মান। যদি আপনি অনার্সে অধ্যায়নরত অবস্থা থাকেন তাহলে  আপনি একজন সম্মান শ্রেণীর ছাত্র।  অনার্স হচ্ছে স্নাতক সম্মান।এবং ডিগ্রী হচ্ছে শুধুমাত্র স্নাতক।
 অনার্সে মূলত কোন বিষয়ের উপর খুঁটিনাটির সম্পূর্ণ ভাবে পড়ানো হয়।কিন্তু ডিগ্রীর ক্ষেত্রে তা নয়।ডিগ্রির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কোন বিষয়ের উপর কিছু কিছু অধ্যায় অাংশিক ভাবে পড়ানো হয়। আর এ কারণেই অনার্সে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা ডিগ্রী শিক্ষার্থীদের তুলনায় অধিক জ্ঞান সম্পন্ন হয়।
চাকরির ক্ষেত্রেও অনার্স এবং ডিগ্রির মধ্যে রয়েছে বিশাল ব্যবধান। চাকরি নিয়োগ  এর ক্ষেত্রে প্রতিটি ক্ষেত্রে ডিগ্রি শিক্ষার্থীদের তুলনায় অনার্সের শিক্ষার্থীরা অধিক মূল্যায়ন পেয়ে থাকে।
 অনার্স এর পরে মাস্টার্স এর কোর্স করতে সময় নেয় এক বছর।কিন্তু ডিগ্রির পর মাস্টার্স করতে সময় লাগে দুই বছর।এছাড়া বিভিন্ন সরকারি চাকরির বিয়োগের  ক্ষেত্রে ডিগ্রি এর পরে মাস্টার্স কমপ্লিট না করলে কোন সুফল পাওয়া যায় না। পক্ষান্তরে অনার্সের শিক্ষার্থীরা অনার্স কমপ্লিট করেই যে কোন চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে।
একজন অনার্সের ছাত্র অনার্স শেষ করে বিসিএস এ অংশগ্রহণ করতে পারে। কিন্তু একজন ছাত্র ডিগ্রি শেষ করে বিসিএস এ অংশগ্রহণ করতে পারবে না।একজন ডিগ্রি থেকে বিসিএস অংশগ্রহণ করতে হলে অবশ্যই তাকে মাস্টার্স কমপ্লিট করতে হবে। তবে ডিগ্রি ছাত্ররা মাস্টার্স কমপ্লিট করার পরে তা অনার্স এবং ছাত্রদের  সার্টিফিকেটের মান সমান হয়। 
তবে তাই বলে ডিগ্রি ছাত্র দের কখনো ছোট করে দেখা উচিত নয়।কারণ অনেক ডিগ্রির ছাত্র আছে। যারা ডিগ্রি করে মাস্টার্স কমপ্লিট করে অনেক বড় বড় জব করছে। পক্ষান্তরে অনার্সের ছাত্ররা বেকার হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

আমরা অনার্স এর সুবিধা গুলো তো জানলাম কিন্তু ডিগ্রিরও কিছু কিছু সুবিধা রয়েছে যেগুলো আমরা জেনে নেব।
অনার্সে পড়তে হলে অবশ্যই একজন নিয়মিত ছাত্র হতে হয়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে আমাদের দেশে অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা ইন্টার পাশের পরে বিভিন্ন চাকরিতে যোগ দেয় এবং তার  পাশাপাশি লেখাপড়া করে থাকে। তাদের জন্য ডিগ্রী বেস্ট সলিউশন। কারণ ডিগ্রী শিক্ষার্থীদের অনার্স এর ছাত্রদের তুলনায় একটু কম পড়লেও চলে।
মাস্টার্স এর ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আপনাকে অনার্স এর ক্ষেত্রে যে সাবজেক্ট দিবে তাই নিয়ে মাস্টার্স করতে হবে। কিন্তু ডিগ্রী শিক্ষার্থীদের এখানে পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়া হয় তারা তাদের পাঠিত 3 সাবজেক্ট থেকে যে কোন একটির উপর মাস্টার্স কমপ্লিট করতে পারবে। 

ডিগ্রির শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারিভাবে উপবৃত্তির ব্যবস্থা থাকলেও অনার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য কোন উপবৃত্তির ব্যবস্থা নেই। 
সিজিপিএ এবং ক্রেডিট সিস্টেম চালু হওয়ার কারণে ডিগ্রির মান আগের তুলনায় অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। 
তবে সর্বোপরি কথা হচ্ছে এই যে, আপনি অনার্স করুন বা ডিগ্রী করুন প্রত্যেক ক্ষেত্রে আপনাকে পড়ালেখা করতে হবে। এবং পড়ালেখা করে ভালো স্থান অর্জন করতে পারলে কোনটার এই মান খারাপ নয়। দৃঢ় মনোবল নিয়ে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে হবে তাহলে সফলতা অর্জন করা সম্ভব হবে। ২০১২ সালে ডিগ্রী শেষে মাস্টার্স কমপ্লিট করে বিসিএস অংশগ্রহণ করে প্রথম স্থান অধিকার করেছিল একজন ডিগ্রী পড়ুয়া ছাত্র। 

beautiful love SMS and love photos

⏩I don't know why,  Why am I tied to love .... I can't and can't, To forget you alone ...... I do not know what is love?
⏩The happiness of hearing you come when you come The eyelids stopped, he saw the face My gloom in the cloud of clouds, my mind You will hear the tremors of the chest to get the ears.

⏩I translated you into a dream Translated you thirsty ?? I translated you in indifference ..

⏩If I don't forget, I smile in your face I love you in my singing !! Come back and close your hand Take you to my world !!


⏩If it was raining ... I would have touched your eyes. I washed the gloom in the eyes for a moment. You have embraced me throughout the clouds, He couldn't hurt you unnecessarily ..!


⏩Love is just you And surround you Familiar madness!


⏩The road is heavily crooked Very scared to go the way, You come and tell me I'm here Don't fear anything...


যে কোন ব্যক্তির কাছে জরিপের নামে আপনার আঙ্গুলের ছাপ প্রদান করা থেকে বিরত থাকুন

একদল প্রতারক চক্র জরিপের নামে আপনার আঙ্গুলের ছাপ গ্রহণ করছে।তাই যে কোন ব্যক্তির নিকট জরিপের নামে আঙ্গুলের ছাপ প্রদান থেকে বিরত থাকুন।

বর্তমান সময়ে  বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কারন এ প্রক্রিয়া মানুষের আঙুলের ছাপ নিয়ে তাকে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়।


আর এর জন্যই সরকার বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া চালু করেছে। তাই খুবই সহজে একটি মানুষকে সনাক্ত করা যায়। এবং যদি কোন প্রকার সে অপরাধ মূলক কাজ করে থাকে তাহলে খুব সহজেই তাকে খুঁজে বের করা যাবে।
 বাংলাদেশ সরকার  স্মার্ট কার্ড চালু করেছে যার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এখানে একজন নাগরিকের সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। এবং যদি সে কোন দুর্নীতি অপরাধ মূলক কাজ করে থাকে তাহলে খুব সহজেই তাকে সনাক্ত করা যাবে। এছাড়াও বিভিন্ন কাছে এটি খুবই কার্যকর এমন গুরুত্বপূর্ণ।অফিসের এর ক্ষেত্রেও বায়োমেট্রিক পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এক্ষেত্রে প্রত্যেকটি কর্মীকে অফিসে আসায় এবং যাওয়ার সময় বাড়ানোর পদ্ধতি আঙ্গুলের ছাপ প্রদান করতে হয়।যার ফলে তাদের হাজিরা খুব সহজেই লিপিবদ্ধ হয়।

বর্তমান সময়ের অপরাধমূলক কাজের ৯০% শতাংশ হয়ে থাকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে।বা ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে। আই মোবাইল ফোন দিয়ে  বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে কেউ যদি কোনো দুর্নীতি মূলক কাজ করে থাকে তাহলে খুব সহজেই তাকে সনাক্ত করা যায়। কারণ  মোবাইল ফোন সিম কার্ডের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।আর প্রত্যেকটি সিম কার্ডে বর্তমান বায়োমেট্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করে রেজিস্ট্রেশন করা হয়।যার ফলে গ্রাহকরা সকল তথ্যই সিম কোম্পানির কাছে থাকে।যদি আপনার সিম দিয়ে আপনি কোন অপরাধমূলক কাজ করেন তাহলে তারা খুব সহজেই আপনাকে সনাক্ত করতে পারবে।

এবং আপনি ভুল বা অন্য কারো আইডি কার্ড দিয়ে কোনভাবেই সিম কার্ড রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন না বা কিনতে পারবেন না।

 আলোচ্য বিষয় হলে যে বর্তমান সময়ে একদল প্রতারক চক্র বিভিন্ন জরিপের নামে গ্রাম এবং শহর থেকে বিভিন্ন মানুষের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে আঙ্গুলের ছাপ গ্রহণ করছে যা থেকে পরবর্তীতে আপনার আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতে পারে এবং আপনার ক্ষতি সাধন করতে পারে।

 সরকার কোন জরিপের নামে কখনোই আপনার আঙ্গুলের ছাপ গ্রহণ করে না। কেউ যদি আপনার বাড়িতে বা কোথাও আপনার জরিপের নামে আঙ্গুলের ছাপ গ্রহণ করে তাহলে আপনি আঙ্গুলের ছাপ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ এটি কোন সরকারি কর্মকাণ্ড নয়। তারা আপনার আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অসাধু কর্মকাণ্ড করতে পারে তাই আপনি নিজে সতর্ক থাকুন এবং অন্যকেও সতর্ক করুন।কোন জরিপ কর্মকর্তা যদি জরিপের নামে আপনার বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে আঙ্গুলের ছাপ গ্রহণ করতে চায় তৎক্ষণাৎ আপনি তাকে আঙ্গুলের ছাপ দেওয়া হতে বিরত থাকুন।এবং তাকে জবাবদিহি করুন।

এই তথ্যটি বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগব্যবস্থা মন্ত্রণালয় থেকে জনসাধারণের সচেতন ও তার কারণে প্রচার করেছে। 

Brave পেমেন্ট প্রুভ দেখে নিন এখনও কাজ না করলে শুরু করুন With earning tricks

আমি  গত সময়ে অনেকবার একটি অনলাইন আরনিং বিষয় নিয়ে পোস্ট করেছি।সেটা হচ্ছে Brave ব্রাউজার থেকে আয় করার উপায় নিয়ে। আজ আমি আপনাদের সামনে আবার  পেমেন্ট প্রুফ নিয়ে হাজির হয়েছি। আপনারা অনেকেই গত পোস্টগুলোতে কমেন্ট করেছেন, যে সত্যি Brave Browser পেমেন্ট করে কিনা। অনেকেই আমার দেওয়া লিঙ্ক থেকে জয়েন করেছেন। আবার অনেকেই জয়েন করেননি। এর আগেও আমি প্রেমেন্ট প্রুভ আপনাদের দেখিয়ে ছিলাম।
আপনারা যারা এর আগে জয়েন করেন নাই অবশ্যই জয়েন করে নেবেন।কারন এটি 100 পার্সেন্ট পেমেন্ট করে।এবং পেমেন্ট করবে।কারন এটি কোন পিটিসি সাইট বা পিটিসি  অ্যাপস নয়। যে একাবার পেমেন্ট করে আর পেমেন্ট করবে না। আপনারা নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারেন। পেমেন্ট 100 ভাগ নিশ্চিত। তাই আপনারা নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারেন।
আপনারা যারা ব্রাউজার এ কাজ করা শুরু করেন নাই তারা এখন এই লিংক থেকে ব্রেভ ব্রাউজারে(brave browser) কাজ করা শুরু করুন। 
নতুন যারা ব্রাউজারে কাজ করবেন।তারা কিভাবে কাজ করবেন এই পোস্ট থেকে দেখে নিন।
⚠কিভাবে কাজ শুরু করবেন তাই পোস্ট থেকে দেখে নিন ⚠
উপরের লিংক থেকে এবং পোস্টটি দেখে কাজ শুরু করে দিন। এখান থেকে অবশ্যই আয় করতে পারবেন।আপনি যদি এফিলিয়েট করতে না পারেন মানে কাউকে রেফারেল এ জয়েন করাতে না পারেন তাহলেও আপনি কিভাবে আয় করবেন আমি আপনাদের দেখাবো।
আমার এই মাসের পেমেন্ট প্রুভ দেখে নিন-


উপরের পোস্ট থেকে আমরা কাজ করার উপায় সম্পর্কে জানতে পারলাম।এবং এটা নিশ্চিত হলাম এটি 100 ভাগ পেমেন্ট করে। তাহলে এবার দেখে নেই কিভাবে আমরা আয় করব এটা থেকে।

 এটা থেকে প্রতি মাসে টিপস পাওয়া যায় সেটা আপনার আগেও জানেন। তাহলে যারা এফিলিয়েট করতে পারেন না তারা অ্যাফিলিয়েট করে আয় করবেন কিভাবে।আমরা অনেকেই আছি যারা রেফারেল করে কাউকে জয়েন করাতে পারি না। সে ক্ষেত্রে আমরা রেফারেল আর্নিং পাবো না!তা হতে পারে না!

 আমরা দেখব কিভাবে রেফারেল ছাড়াই  রেফারেল আর্নিং পাব। আমাদের সবারই অনেক বন্ধু-বান্ধব  রয়েছে। আর অবশ্যই তারা স্মার্ট ফোন অথবা কম্পিউটার ল্যাপটপ ব্যবহার করে থাকে। সে ক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার রেফারেল লিংক থেকে তাদের কম্পিউটার, ফোনে অথবা ল্যাপটপে এই ব্রাউজারটি ইন্সটল করে দেন এবং ব্যবহারের পরামর্শ দেন তাহলে আপনি পেয়ে যাবেন ৫  ডলারের উপরে।

 এবার হিসাব করুন আপনি যদি 1 মাসে মাত্র 20 জনকে কোন ভাবেই জয়েন করাতে পারেন  তাহলে আপনি মিনিমাম 100 ডলারের উপরে পাবেন। প্রতিটা ডলার যদি আপনি ৮৫ টাকা দরেও বিক্রি করেন আপনি ৮৫০০+ টাকা পেয়ে যাবেন এক মাসে। এর জন্য আপনাকে কোন কঠোর পরিশ্রম করতে হবে না। শুধুমাত্র 5-10 মিনিটের কাজ। আর যেহেতু এটি 100% পেমেন্ট পাবেন তাহলে কেন এই বিরাট আয়ের সুযোগ মিস করবেন?
তাই আপনারা সবাই কাজে লেগে পরুন।

ফেইসবুক পেইজ কি এবং কি কি কাজে লাগে ফেসবুক পেইজ

 ফেসবুক হচ্ছে বর্তমানের  জনপ্রিয় একটি সোশ্যাল মিডিয়া। ফেসবুকের মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করতে পারি। ছবি,ভিডিও ইত্যাদি শেয়ার করতে পারি। বন্ধু বান্ধবের ছবিতে লাইক, কমেন্ট ইত্যাদি আর কত সুবিধা। এগুলো আমরা সম্পূর্ণ ফ্রিতে গ্রহণ করতে পারি। ওই জন্য ফেসবুক কোম্পানিকে আমাদের কোন টাকা দেওয়া লাগে না তবে আমরা আজ জানবো ফেসবুক পেইজ কি। এবং ফেসবুক পেইজ দিয়ে কি কি কাজ করা সম্ভব-

ফেইসবুক পেইজ কি?
 
ফেসবুক পেইজ হচ্ছে এমন একটি সুবিধা যেখানে আপনি পোস্ট করার মাধ্যমে অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারীর নিকট আপনার পোষ্ট পৌঁছে দিতে পারেন।আমরা আমাদের প্রোফাইলে কোন কিছু পোস্ট করলে তা শুধুমাত্র আমাদের ফ্রেন্ড যারা আছে তারা দেখতে পায় কিন্তু ফেসবুক পেজ ভিন্ন রকম। আলাদাভাবে সেখানে পোস্ট করতে পারবেন।এবং যাদের নিকট পোস্ট পৌঁছাবে অবশ্যই আপনার ফেসবুক পেজের নাম অনুসারে তাদের কাছে চলে যাবে পোস্টগুলো। এবং ফেসবুক পেজের পোস্টগুলো যাতে অনেক লোকের নিকট পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয় তার জন্য ফেসবুক কোম্পানি পোস্ট বুস্ট করার সুবিধা চালু করেছে। আপনি অর্থ প্রদানের মাধ্যমে ফেসবুক পেজের পোস্ট বুস্ট করে হাজার হাজার লোকের নিকট আপনার পোস্টটি পৌঁছে দিতে পারবেন। মূল কথা হচ্ছে ফেসবুকের এটি একটি বিজ্ঞাপন সুবিধা।সুবিধাটি আপনি ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবেন। তবে আপনি ফেসবুক পেজ বুস্ট না করেও অনেক লাইক এবং ফলোয়ার পেতে পারেন। এজন্য আপনার বন্ধুদের ফেসবুক পেজে লাইক দেওয়ার জন্য ইনভাইট করতে হবে এবং অনেক অনেক করতে হবে  আপনার পেইজটি।

ফেসবুক পেইজ কি কি কাজে লাগে?
 
ফেসবুক পেইজ হচ্ছে ফেসবুকের এমন একটি সুবিধা যার মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন কাজ করতে পারি। ফেসবুক পেইজ মূলত তৈরি করা হয় বিভিন্ন কাজের জন্য এবং বিভিন্ন তথ্য অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে।কাজ গুলো হলো  মনে করুন আপনি কোন সার্ভিস দেশ ব্যাপী প্রোভাইড করতে চাচ্ছেন। তাহলে সারা দেশের মানুষকে কিভাবে জানাবেন যে আপনি এই সার্ভিসটি তাদের প্রদান করতে চাচ্ছেন। অথবা আপনি  একটি অনলাইন বিজনেস চালু করতে চাচ্ছেন। এ লক্ষ্যে আপনার অনলাইন বিজনেস সবার নিকট পরিচিত করে তুলতে হবে। কারণ আপনার অনলাইন বিজনেস এর সম্পর্কে মানুষ যদি জানতে না পারে তাহলে আপনার কোন প্রকার সেল হবে না।বর্তমানে ফেসবুকের বিজ্ঞাপন খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণ বর্তমান সময় বেশিরভাগ লোকেই ফেসবুক  ব্যবহার করে যার ফলে  ফেসবুকে কোনো বিজ্ঞাপন প্রদান করলে খুব দ্রুত সবার নিকট পৌঁছে যায়। এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া সম্ভব হয়। ওয়েবসাইট এর পাশাপাশি অনলাইন শপিং এর জন্য ফেসবুক পেইজ ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বর্তমানে শুধুমাত্র ফেসবুক পেজ দিয়েও অনলাইন বিজনেস করছে অনেকে।
 এছাড়াও বিভিন্ন সেলিব্রেটিরা ফেসবুক ব্যবহার করে তাদের ভক্তদের নিকট পোস্টগুলো  পৌছে দেওয়ার জন্য।
ফেসবুক পেজ বুস্ট করে খুব সহজে সবার নিকট ফেসবুক পেজের পোস্ট পৌঁছে দেয়া সম্ভব। আর এ কারণেই ফেসবুকের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছে। এর পাশাপাশি ফেসবুক ও কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে তাদের সেবার মানোন্নয়ন করার জন্য। 

অনার্স প্রথম বর্ষের সকল বিভাগের পরীক্ষার রুটিন ২০১৯

অনার্স প্রথম বর্ষের সকল বিষয়ের রুটিন।  2019 সালের সকল বিষয়ে রুটিন পাবেন এখানে।
অনার্স প্রথম বর্ষের সকল বিষয়ের রুটিন প্রকাশ করা হলো।
রেগুলার এবং ইরেগুলার দের সকলেরই কাজে লাগবে রুটিনটি। এবং এটব বিষয়ভিত্তিক না হওয়ার কারণে সকল বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাজে লাগবে।
 মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক এবং ডিগ্রি,  অনার্স, মাস্টার্স এর  সকল বিষয় বিভিন্ন নোটিশ, রুটিন রেজাল্ট পেতে আমাদের সাইটটিতে নিয়মিত ভিজিট করুন।

ফ্রিল্যান্সিং কি এবং ফ্রিল্যান্সিং এর খুটিনাটি সকল তথ্য

আজ আমরা এই পোষ্টের মাধ্যমে জানব ফ্রিল্যান্সিং কি, ফ্রিল্যান্সিং এর খুটিনাটি বিষয় এবং আমাদের
ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে ভুল ধারণা সম্পর্কে।


ফ্রিল্যান্সিং কি? 
ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে একটি স্বাধীন পেশা। যেখানে আপনাকে কারো অধীনে কাজ করতে হবে না।আপনি আপনার ইচ্ছা মতো কাজ করতে পারবেন।আপনার কোন বস থাকবে না। আপনার বস আপনি নিজেই। আপনি কাজ করবেন আপনার ইচ্ছা মত। যদি ভালো লাগে তো কাজ করবেন। না ভালো লাগে কাজ করবেন না। তবে এর জন্য কোন কাউকে জবাবদিহি করতে হবে না। তাই ফ্রিল্যান্সিংকে একটি মুক্ত পেশা বলা হয় এবং এ কারণেই এর জনপ্রিয়তাও দিন দিন বেড়েই চলছে। আমাদের দেশে চাকরি পাওয়া খুবই কঠিন ব্যাপার।বেকারের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে।এর  প্রধান কারণ হচ্ছে চাকরির সীমিত সংখ্যা। কিন্তু শিক্ষিত যুবকের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এবং আমাদের মধ্যে সব সময় কাজ করে সরকারি চাকরি পেতেই হবে।

  ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে আমাদের ভুল ধারণা-
  আমাদের ভুল ধারণা রয়েছে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে যে, ফ্রিল্যান্সিং মানে লক্ষ লক্ষ টাকা।  কিন্তু এটা  একদিকে যেমন ধারনা আবার এক দিক দিয়ে এটি সঠিক। কারণ যদি আপনি একবার ভালোভাবে কাজ করতে পারেন এবং ফ্রিল্যান্সিং-এ আপনার ক্যারিয়ার তৈরি করে নিতে পারেন তাহলে আপনাকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হবে না।কারণ আমাদের দেশ অনেক ফ্রিলান্সার আছে যারা মাসে লাখ টাকার উপরে ইনকাম করে। কিন্তু আপনার এই ধরনের চিন্তা তখনই গল্প হয়  যখন আপনি কাজ শেখার আগেই টাকার পিছনে ছুটবেন।
তখন আপনার ইনকাম তো হবে না বরঞ্চ হতাশায় ভুগতে হবে। কারণ আপনি যখন কাজ না শিখে ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে প্রবেশ করবেন তখন আপনি একে তো কাজ পাবেন না। আর যখন কাজ পাবেন তখন তা সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারেন না।তখন আপনার ক্লাইন্ট আপনাকে ব্যাড রিভিউ দেবে। যার কারনে আপনার ভবিষ্যত কাজ পাওয়ার  আশঙ্কা কমে যাবে।যা আপনার ভবিষ্যতে ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।তাই আপনাকে কাজ ভালোভাবে শিখে তার পরে মার্কেটপ্লেসে আসতে হবে।
কোন ধরনের কাজ শিখবেন এবং কোন মার্কেটপ্লেসে কাজ করবেন -
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে বিভিন্ন ধরনের কাজ  রয়েছে।এর মধ্যে  সর্বাধিক চাহিদা সম্পন্ন কয়েকটি কাজ হলো ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভলপমেন্ট,গ্রাফিক্স ডিজাইন,ডাটা এন্ট্রি, অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি।
আপনাকে অবশ্যই  ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আসার আগে এটি ঠিক করে নিতে হবে যে আপনি কোন ধরনের কাজ করবেন। এবং  কোন ধরনের কাজ শিখবেন।তবে ওয়েব ডেভলপমেন্ট গ্রাফিক্স ডিজাইন এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে মার্কেটপ্লেসে। এরপরে চিন্তা করতে হবে আপনি আসলে কাজটি করার জন্য উপযুক্ত কিনা।এবং এর পেছনে প্রচুর পরিমানে সময় দিতে পারবেন কিনা।কারণ  কাজ শিখতে আপনাকে  প্রচুর সময় দিতে হবে ও রাতের ঘুম হারাম করে কাজ শিখতে হবে। এর প্রধান কারণ হলো এখানে কেউ আপনাlর সার্টিফিকেট দেখে আপনাকে টাকা দেবে না বরঞ্চ আপনার যোগ্যতা দিয়ে ক্লাইন্ট এর চাহিদা পূরণ করতে হবে ও  মন জয় করতে হবে।তার পরেই আয়ের চিন্তা।এবং এটি করতে পারলে আপনার সফলতা আসবে।  আর এটি না পারলে আপনার সমস্ত চিন্তাভাবনাই বিফল।
কোথায় কাজ করবেন -
 কাজ শেখার পরে আপনার মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে হবে। কারণ কিভাবে আপনি কাজ পাবেন এবং কিভাবে কাজ সম্পন্ন করবেন তা  বুঝতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে রয়েছে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি মার্কেট প্লেস হচ্ছে ফাইবার,আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার ইত্যাদি।

লেডি গাগা অথবা শ্রেয়া ঘোষাল ছাড়া কারো সাথে ডুয়েট গাইবেন না নোবেল

সম্প্রতি সারেগামাপায় তৃতীয় স্থান অধিকারী নোবেল জানান, তিনি কখনই ডুয়েট গান গাইতে রাজি না। যদি তার সহশিল্পী লেডি গাগা অথবা শ্রেয়া ঘোষাল না হন!
ছবিঃলেডি গাগা 
সম্প্রতি নোবেল গণমাধ্যমকে জানান,
তিনি কখনোই ডুয়েট গাইবেন না। যদি তার সহশিল্পী লেডি গাগা অথবা শ্রেয়া ঘোষাল না হয়।তিনি জানান বাংলাদেশ এবং ভারতের কোন শিল্পের সাথে তিনি ডুয়েট  গান গাইতে রাজি নয়।
ছবিঃশ্রেয়া ঘোষাল 

তবে তিনি সিনেমা একক গান গাইতে রাজি। তাকে প্রশ্ন করা হয় সারেগামাপা এর বিচারক মোনালি ঠাকুরের সঙ্গে তিনি ডুয়েট গান করতে ইচ্ছুক বা রাজি কিনা! তবে এ প্রশ্নের জবাবে তিনি সাফ জানিয়ে দেন তিনি কোনোভাবেই মোনালি ঠাকুরের সাথে ডুয়েট গান করায় রাজি নন।
ছবিঃনোবেল 
তিনি আরো জানান সারেগামাপা এর তৃতীয় স্থান অধিকার নিয়ে,তার ভক্তরা মেনে নিতে পারছে না তার এই তৃতীয় স্থান অধিকার করায়।

অপরদিকে সম্প্রতি তার বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত নিয়ে করা মন্তব্য, যে রবীন্দ্রনাথের সোনার বাংলার চেয়ে প্রিন্স মাহমুদের লেখা সোনার বাংলা বাংলাদেশকে বেশি উপস্থাপন করে।
এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার রেশ না কাটতেই। তিনি এই  মন্তব্য প্রকাশ করেন।
তারে মন্তব্য সংগীত প্রেমিদের মাঝে কিরূপ প্রভাব ফেলবে সেটাই এখন দেখার বিষয়!